ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ​নাগেশ্বরীতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস ডোমারে উদযাপন কাউনিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন   কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‍্যালি তারেক রহমান ও বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাচ্ছে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত বাহিনী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার নির্ধারণী কর্মশালা ও উপাচার্যের দিকনির্দেশনা চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের নিয়োগ, আবেদন শুরু নভেম্বরে ঢালচরের পর্যটন বিকাশে মতবিনিময় করল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৭ জন শিক্ষক-গবেষককে সম্মাননা

ফাতিউস ফাহমিদ, ব্যবস্থাপক, যোগাযোগ দপ্তর, ব্র‍্যাক বিশ্ববিদ্যালয়।
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৭ জন শিক্ষক-গবেষককে সম্মাননা

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৭ জন শিক্ষক-গবেষককে সম্মাননা

 

উচ্চমানের গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৭ জন শিক্ষক ও গবেষককে সম্মাননা দিয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। বিশ্বব্যাপী শীর্ষ ২ শতাংশ কিউ-ওয়ান জার্নালে গবেষণা প্রকাশের জন্য তারা ‘টপ ২% ব্র্যাকইউ রিসার্চার’ সম্মাননা পেয়েছেন।

 

 

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘কোয়ালিটি জার্নাল পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয়। এ নিয়ে টানা তৃতীয় বছরের মতো এই সম্মাননা দেওয়া হলো। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ২৫ বছর পূর্তি উদযাপনের অংশ হিসেবে ‘প্রমোটিং রিসার্চ এক্সেলেন্স’ প্রতিপাদ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

  ২০২৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৮টি কিউ-ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধকে এই পুরস্কারের আওতায় আনা হয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১৪৫।

 

 

 

এক বছরের ব্যবধানে এই সম্মাননার জন্য নির্বাচিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা প্রায় ৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে ১২৪টি গবেষণা প্রবন্ধ নিজ নিজ বিষয়ের বিশ্বব্যাপী শীর্ষ ১০ শতাংশ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। আরও ১০৪টি গবেষণা প্রবন্ধ কিউ-ওয়ান শ্রেণির অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছেন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক-গবেষকরা। বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো কেন ব্যাংকের তুলনায় বেশি সুদ নেয়, উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার ব্যয় কমানোর কৌশলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে পরিচালিত গবেষণা দেশ ও বিদেশে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে। এসব গবেষণা নীতিনির্ধারণ ও সমাজের বাস্তব সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।

 

 

অনুষ্ঠানে সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসের ডিরেক্টর প্রফেসর মলয় কান্তি মৃধা বলেন, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ২১ হাজার ৯১৯টি গবেষণা প্রকাশনার মধ্যে প্রায় ৪.১ শতাংশ গবেষণা প্রকাশনায় অবদান ছিল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির গবেষকদের।

স্কুল অফ জেনারেল এডুকেশনের ডিন প্রফেসর সামিয়া হক বলেন, তৈরি পোশাক খাত নিয়ে পরিচালিত গবেষণা মজুরি পর্যালোচনার উপযুক্ত সময় নির্ধারণে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি এই খাতে মধ্যম পর্যায়ের ব্যবস্থাপনায় কারা কাজ করেন, সে বিষয়েও একটি স্পষ্ট ধারণা দিয়েছে।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন প্রফেসর সাদিয়া হামিদ কাজী বলেন, স্যামসাং আরঅ্যান্ডডি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের অর্থায়নে পরিচালিত ভিডিও প্রসেসিং গবেষণা প্রকল্প এবং ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন’ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আটটি উন্নত আইসি কোর্সের মাধ্যমে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি শিল্পখাত ও দেশের সক্ষমতা উন্নয়নে কাজ করছে।

ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের ডিন ড. লরা জে রাইখেনবাখ বলেন, ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের গবেষণার ফলাফল বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অসংক্রামক রোগ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করছে। এছাড়া জাতীয় মডেল ফার্মেসি কার্যক্রম চালুতেও এসব গবেষণা ভূমিকা রেখেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মাসুমা হাবিব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও পাঠদানকে পাশাপাশি এগিয়ে নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, শুধু জ্ঞান অর্জন নয়, নতুন জ্ঞান তৈরির কাজেও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। তিনি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি গবেষণা কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মানসম্মত গবেষণার মাধ্যমে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অব্যাহতভাবে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে চলেছে। তিনি গবেষণার এই ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, “আমরা অনেক সময় জ্ঞান ও গবেষণার জন্য বাইরের দিকে তাকাই। কিন্তু আমাদের কাছে ব্র্যাক রয়েছে, আর ব্র্যাকের রয়েছে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার বিশাল ভাণ্ডার।”

তিনি এই জ্ঞান আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গবেষকদের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড। সমাপনী বক্তব্য দেন রিসার্চ মেট্রিকস কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে এম আবদুল মালেক আজাদ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের উপদেষ্টা লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমেরিটাস এএফএম ইউসুফ হায়দার এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন স্কুল ও বিভাগের ডিন, চেয়ারপারসন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

২৫-০৮-২০২৬ তারিখের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অফিস অফ কমিউনিকেশন্স এই তথ‍্য জানায়।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৭ জন শিক্ষক-গবেষককে সম্মাননা

আপডেট সময় : ০৪:২৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

 

 

 

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৭ জন শিক্ষক-গবেষককে সম্মাননা

 

উচ্চমানের গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৭ জন শিক্ষক ও গবেষককে সম্মাননা দিয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। বিশ্বব্যাপী শীর্ষ ২ শতাংশ কিউ-ওয়ান জার্নালে গবেষণা প্রকাশের জন্য তারা ‘টপ ২% ব্র্যাকইউ রিসার্চার’ সম্মাননা পেয়েছেন।

 

 

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘কোয়ালিটি জার্নাল পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হয়। এ নিয়ে টানা তৃতীয় বছরের মতো এই সম্মাননা দেওয়া হলো। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ২৫ বছর পূর্তি উদযাপনের অংশ হিসেবে ‘প্রমোটিং রিসার্চ এক্সেলেন্স’ প্রতিপাদ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

  ২০২৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৮টি কিউ-ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধকে এই পুরস্কারের আওতায় আনা হয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ১৪৫।

 

 

 

এক বছরের ব্যবধানে এই সম্মাননার জন্য নির্বাচিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা প্রায় ৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে ১২৪টি গবেষণা প্রবন্ধ নিজ নিজ বিষয়ের বিশ্বব্যাপী শীর্ষ ১০ শতাংশ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। আরও ১০৪টি গবেষণা প্রবন্ধ কিউ-ওয়ান শ্রেণির অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছেন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক-গবেষকরা। বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো কেন ব্যাংকের তুলনায় বেশি সুদ নেয়, উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার ব্যয় কমানোর কৌশলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে পরিচালিত গবেষণা দেশ ও বিদেশে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে। এসব গবেষণা নীতিনির্ধারণ ও সমাজের বাস্তব সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।

 

 

অনুষ্ঠানে সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসের ডিরেক্টর প্রফেসর মলয় কান্তি মৃধা বলেন, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ২১ হাজার ৯১৯টি গবেষণা প্রকাশনার মধ্যে প্রায় ৪.১ শতাংশ গবেষণা প্রকাশনায় অবদান ছিল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির গবেষকদের।

স্কুল অফ জেনারেল এডুকেশনের ডিন প্রফেসর সামিয়া হক বলেন, তৈরি পোশাক খাত নিয়ে পরিচালিত গবেষণা মজুরি পর্যালোচনার উপযুক্ত সময় নির্ধারণে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি এই খাতে মধ্যম পর্যায়ের ব্যবস্থাপনায় কারা কাজ করেন, সে বিষয়েও একটি স্পষ্ট ধারণা দিয়েছে।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন প্রফেসর সাদিয়া হামিদ কাজী বলেন, স্যামসাং আরঅ্যান্ডডি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের অর্থায়নে পরিচালিত ভিডিও প্রসেসিং গবেষণা প্রকল্প এবং ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন’ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আটটি উন্নত আইসি কোর্সের মাধ্যমে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি শিল্পখাত ও দেশের সক্ষমতা উন্নয়নে কাজ করছে।

ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের ডিন ড. লরা জে রাইখেনবাখ বলেন, ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের গবেষণার ফলাফল বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অসংক্রামক রোগ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করছে। এছাড়া জাতীয় মডেল ফার্মেসি কার্যক্রম চালুতেও এসব গবেষণা ভূমিকা রেখেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মাসুমা হাবিব বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও পাঠদানকে পাশাপাশি এগিয়ে নিতে হবে। তিনি আরো বলেন, শুধু জ্ঞান অর্জন নয়, নতুন জ্ঞান তৈরির কাজেও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। তিনি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি গবেষণা কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মানসম্মত গবেষণার মাধ্যমে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি অব্যাহতভাবে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে চলেছে। তিনি গবেষণার এই ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, “আমরা অনেক সময় জ্ঞান ও গবেষণার জন্য বাইরের দিকে তাকাই। কিন্তু আমাদের কাছে ব্র্যাক রয়েছে, আর ব্র্যাকের রয়েছে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার বিশাল ভাণ্ডার।”

তিনি এই জ্ঞান আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গবেষকদের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড। সমাপনী বক্তব্য দেন রিসার্চ মেট্রিকস কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে এম আবদুল মালেক আজাদ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের উপদেষ্টা লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমেরিটাস এএফএম ইউসুফ হায়দার এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন স্কুল ও বিভাগের ডিন, চেয়ারপারসন ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

২৫-০৮-২০২৬ তারিখের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অফিস অফ কমিউনিকেশন্স এই তথ‍্য জানায়।

 

 

Facebook Comments Box