ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার শপথ নেবেন মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামান রাজবাড়ীতে মানবপাচার মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পুরোনো বাণিজ্য মেলায় শেকৃবি শিক্ষার্থীদের ভাঙচুর, দাবি জমি ফেরত আরব আমিরাতে লরির ধাক্কায় প্রাণ হারালেন বোয়ালখালীর প্রবাসী মহসিন ৩০ বছর পূর্তি উদযাপনে আল জাজিরার আয়োজনে কাতারের আমীর গার্মেন্টস খাতে অস্থিতিশীলতা বরদাশত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নারায়ণগঞ্জে দুই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার গাজীপুরে অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ

বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের ক্ষতিপূরণে অবস্থান বদল চট্টগ্রাম বন্দরের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দর

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের ক্ষতিপূরণে অবস্থান বদল চট্টগ্রাম বন্দরের

গত ৭ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে রাখা পণ্যভর্তি কনটেইনারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বৃষ্টির পানি কনটেইনারের নিচে জমে ভেতরে ঢুকে পড়ায় আমদানিকৃত ও রপ্তানিকৃত পণ্যের বড় ধরনের ক্ষতি হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোতেও পণ্য নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

প্রাথমিকভাবে বন্দর কর্তৃপক্ষ এই ক্ষয়ক্ষতিকে ‘অ্যাক্ট অব গড’ বা দৈব ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে এর দায়ভার নিতে অস্বীকার করেছিল। বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মো. সারওয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত গত ১০ জুলাইয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, বন্দর কর্তৃপক্ষ এই ক্ষতির কোনো দায় নেবে না এবং এ বিষয়ে তারা কোনো জবাবদিহি করতেও বাধ্য নয়।

পড়ুন>> ইলন মাস্ক এবার এআই দিয়ে তৈরি করবেন ‘দ্য ওডিসি’ চলচ্চিত্র

 

তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ এবং চট্টগ্রাম চেম্বারের মতো ব্যবসায়ীদের শীর্ষ চার সংগঠন তীব্র সমালোচনা করে। তারা সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে চিঠি দিলে বন্দর কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত তাদের অবস্থান থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, গত মঙ্গলবার বন্দরের পরিবহন বিভাগ থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে ইয়ার্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের সুনির্দিষ্ট তথ্য ও তালিকা চাওয়া হয়েছে। বন্দরের পরিবহন বিভাগের একজন কর্মকর্তা আমাদের সময়কে জানান, বৃষ্টি বা অন্য কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্য আছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

 

পড়ুন>> কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট বন্ধ, পানির উচ্চতা এখন নিরাপদ

তবে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে যে, এখনও পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মো. সারওয়ারুল ইসলাম চিঠির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের ক্ষতিপূরণে অবস্থান বদল চট্টগ্রাম বন্দরের

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

 

বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের ক্ষতিপূরণে অবস্থান বদল চট্টগ্রাম বন্দরের

গত ৭ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত টানা ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে রাখা পণ্যভর্তি কনটেইনারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বৃষ্টির পানি কনটেইনারের নিচে জমে ভেতরে ঢুকে পড়ায় আমদানিকৃত ও রপ্তানিকৃত পণ্যের বড় ধরনের ক্ষতি হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোতেও পণ্য নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

প্রাথমিকভাবে বন্দর কর্তৃপক্ষ এই ক্ষয়ক্ষতিকে ‘অ্যাক্ট অব গড’ বা দৈব ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে এর দায়ভার নিতে অস্বীকার করেছিল। বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মো. সারওয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত গত ১০ জুলাইয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, বন্দর কর্তৃপক্ষ এই ক্ষতির কোনো দায় নেবে না এবং এ বিষয়ে তারা কোনো জবাবদিহি করতেও বাধ্য নয়।

পড়ুন>> ইলন মাস্ক এবার এআই দিয়ে তৈরি করবেন ‘দ্য ওডিসি’ চলচ্চিত্র

 

তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ এবং চট্টগ্রাম চেম্বারের মতো ব্যবসায়ীদের শীর্ষ চার সংগঠন তীব্র সমালোচনা করে। তারা সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে চিঠি দিলে বন্দর কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত তাদের অবস্থান থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, গত মঙ্গলবার বন্দরের পরিবহন বিভাগ থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে ইয়ার্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের সুনির্দিষ্ট তথ্য ও তালিকা চাওয়া হয়েছে। বন্দরের পরিবহন বিভাগের একজন কর্মকর্তা আমাদের সময়কে জানান, বৃষ্টি বা অন্য কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্য আছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

 

পড়ুন>> কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট বন্ধ, পানির উচ্চতা এখন নিরাপদ

তবে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে যে, এখনও পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মো. সারওয়ারুল ইসলাম চিঠির বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

Facebook Comments Box