ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূরুঙ্গামারীর নদীতে শক দিয়ে মাছ নিধন: অভিযানে জব্দ বিপুল সরঞ্জাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ৩৯৬২৮ বার পড়া হয়েছে

ভূরুঙ্গামারীর নদীতে শক দিয়ে মাছ নিধনে ব‍্যবহৃত জব্দ বিপুল সরঞ্জাম।

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

ভূরুঙ্গামারীর নদীতে শক দিয়ে মাছ নিধন: অভিযানে জব্দ বিপুল সরঞ্জাম

 

 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী ও কচাকাটা থানার সীমান্তবর্তী নদীগুলোতে ইলেকট্রিক শক দিয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এ সময় মাছ নিধনে ব্যবহৃত একাধিক শক মেশিন, ব্যাটারি ও জাল জব্দ করা হয়েছে।

 

 

 

সোমবার (৯ জুন) দিবাগত রাত ১১টা থেকে মঙ্গলবার (১০ জুন) ভোর ৩টা পর্যন্ত ভূরুঙ্গামারীর দুধকুমার নদী এবং কচাকাটা থানার সীমান্তঘেঁষা গংগাধর, সংকোশ ও ব্রহ্মপুত্র নদে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পড়ুন>> তাহিরপুরে মাদক নির্মুল কমিটি গঠন: সভাপতি  সাজ্জাদ, সম্পাদক কাউছার

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণির অসাধু জেলে রাতের অন্ধকারে নৌকাযোগে নদীতে নেমে ব্যাটারিচালিত ইলেকট্রিক শক যন্ত্র ব্যবহার করে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির উপকারী জলজ প্রাণীও নির্বিচারে মারা যাচ্ছে। ফলে নদীর জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

 

 

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন-এর নেতৃত্বে কচাকাটা থানা পুলিশের একটি দল গভীর রাতে নদীগুলোতে সাঁড়াশি অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িত জেলেরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে অবৈধ মাছ শিকারে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

পড়ুন>> রাণীশংকৈলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় নিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অলেন শর্মা

 

 

এ বিষয়ে এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধভাবে ইলেকট্রিক শক ব্যবহার করে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। একসময় এসব নদীতে মাছের ব্যাপক প্রাচুর্য ছিল। কিন্তু ক্ষতিকর পদ্ধতিতে মাছ ও জলজ প্রাণী নিধনের ফলে মাছের উৎপাদন কমে গেছে। এখনই সচেতনতা সৃষ্টি ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে নদীগুলোর জলজ সম্পদ মারাত্মক সংকটে পড়বে।”

 

 

তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেও এ ধরনের পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড বন্ধে কাজ করছে পুলিশ। নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূরুঙ্গামারীর নদীতে শক দিয়ে মাছ নিধন: অভিযানে জব্দ বিপুল সরঞ্জাম

আপডেট সময় : ০৭:০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

 

 

 

ভূরুঙ্গামারীর নদীতে শক দিয়ে মাছ নিধন: অভিযানে জব্দ বিপুল সরঞ্জাম

 

 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী ও কচাকাটা থানার সীমান্তবর্তী নদীগুলোতে ইলেকট্রিক শক দিয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এ সময় মাছ নিধনে ব্যবহৃত একাধিক শক মেশিন, ব্যাটারি ও জাল জব্দ করা হয়েছে।

 

 

 

সোমবার (৯ জুন) দিবাগত রাত ১১টা থেকে মঙ্গলবার (১০ জুন) ভোর ৩টা পর্যন্ত ভূরুঙ্গামারীর দুধকুমার নদী এবং কচাকাটা থানার সীমান্তঘেঁষা গংগাধর, সংকোশ ও ব্রহ্মপুত্র নদে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পড়ুন>> তাহিরপুরে মাদক নির্মুল কমিটি গঠন: সভাপতি  সাজ্জাদ, সম্পাদক কাউছার

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণির অসাধু জেলে রাতের অন্ধকারে নৌকাযোগে নদীতে নেমে ব্যাটারিচালিত ইলেকট্রিক শক যন্ত্র ব্যবহার করে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির উপকারী জলজ প্রাণীও নির্বিচারে মারা যাচ্ছে। ফলে নদীর জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

 

 

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন-এর নেতৃত্বে কচাকাটা থানা পুলিশের একটি দল গভীর রাতে নদীগুলোতে সাঁড়াশি অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িত জেলেরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে অবৈধ মাছ শিকারে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

পড়ুন>> রাণীশংকৈলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় নিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অলেন শর্মা

 

 

এ বিষয়ে এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধভাবে ইলেকট্রিক শক ব্যবহার করে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। একসময় এসব নদীতে মাছের ব্যাপক প্রাচুর্য ছিল। কিন্তু ক্ষতিকর পদ্ধতিতে মাছ ও জলজ প্রাণী নিধনের ফলে মাছের উৎপাদন কমে গেছে। এখনই সচেতনতা সৃষ্টি ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে নদীগুলোর জলজ সম্পদ মারাত্মক সংকটে পড়বে।”

 

 

তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেও এ ধরনের পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড বন্ধে কাজ করছে পুলিশ। নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

Facebook Comments Box