রাণীশংকৈলে পরিত্যক্ত ঘর থেকে রাসায়নিক সার জব্দ
- আপডেট সময় : ০৭:৩০:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
রাণীশংকৈলে পরিত্যক্ত ঘর থেকে ২০ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে ২০ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের ফুটানি টাউন বাজারের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে সারগুলো জব্দ করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাজারের একটি পরিত্যক্ত ঘরে ২০ বস্তা রাসায়নিক সার দেখতে পান তারা। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা সারগুলো নিজেদের হেফাজতে নেন। এ সময় ভেলাই আটকরা গ্রামের কৃষক মহসিন আলী সারগুলো তাঁর বলে দাবি করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে সারের মালিকানার পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণ দিতে না পারায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পড়ুন >>তাহিরপুরে তিন সন্তানকে নিয়ে বাবার বিষপান, তিন শিশুর মৃত্যু
পরে এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ রানাকে জানান। তিনি ঘটনাস্থলের বাইরে অবস্থান করায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাশের নেকমরদ ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিদুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে পাঠান। পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার নির্দেশে এসআই সবুজের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে পুলিশ পরিত্যক্ত ঘর থেকে সারগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
কৃষক মহসিন আলী দাবি করেন, তাঁর বাবা, ভাই ও নিজের কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্ড ব্যবহার করে সখের টাউন বাজারের আঁখি ট্রেডার্স ও লাকী ট্রেডার্স থেকে তিনি এসব সার সংগ্রহ করেছেন।
পড়ুন>>নান্দাইলে শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ১
লাকী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুল আজিজের ছেলের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, মহসিন আলী তাঁর দোকান থেকে ৭ বস্তা সার উত্তোলন করেছেন। দুপুর ১টার দিকে মহসিন আলীর আনা ভ্যানে ওই ৭ বস্তা সার তিনি নিজেই তুলে দিয়েছেন বলেও জানান। তবে পরিত্যক্ত ঘর থেকে জব্দ করা সারগুলো তাঁর গোডাউনের নয় বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে আঁখি ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আইনুল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তাঁর মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
রাণীশংকৈল উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিদুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে ফুটানি টাউন বাজারের একটি গোডাউন থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৭ বস্তা ইউরিয়া, ৫ বস্তা পটাশ, ৪ বস্তা টিএসপি ও ৪ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়েছে। পরে সারগুলো থানা হেফাজতে দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, জব্দ করা সারগুলোর বৈধ মালিকানা কেউ দাবি করলে কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে সেগুলো গ্রহণ করতে পারবেন।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























