ঢাকা ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লস অ্যাঞ্জেলেস ফ্যাশন উইকে নজর কাড়লেন বাংলাদেশি মডেল রাকিব হাসান টোকিওর আদলে ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন করার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর সালাহউদ্দিন |: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে, বিকল্প নেই ভূরুঙ্গামারীতে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ​নাগেশ্বরীতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস ডোমারে উদযাপন কাউনিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন   কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‍্যালি তারেক রহমান ও বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাচ্ছে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত বাহিনী

ব্রহ্মপুত্রের করাল গ্রাসে রৌমারীর একাধিক গ্রাম

রাজিবপুর থেকে তরিকুল ইসলাম তারা
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫ ১০০ বার পড়া হয়েছে

ব্রহ্মপুত্রের করাল গ্রাসে রৌমারীর একাধিক গ্রাম

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

ব্রহ্মপুত্রের করাল গ্রাসে রৌমারীর একাধিক গ্রাম

 

 

ব্রহ্মপুত্রের করাল গ্রাসে রৌমারীর একাধিক গ্রাম
নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে সুখেরবাতি, ঘুঘুমারী ও সোনাপুর, স্থায়ী সমাধানের দাবি স্থানীয়দের
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী ইউনিয়নে আবারও ভয়াবহ নদীভাঙন শুরু হয়েছে।

 

 

ব্রহ্মপুত্র নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হতে চলেছে সুখেরবাতি, ঘুঘুমারী ও সোনাপুরসহ একাধিক গ্রাম। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নদীর ভাঙন এই অঞ্চলের মানুষের জীবনে নামিয়ে আনে চরম দুর্ভোগ। এবছর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

 

 

সুখেরবাতি গ্রামের বাসিন্দা জিন্নাত আলী বলেন, “প্রতিটি নির্বাচনের আগে নেতারা এসে নদীভাঙনের ছবি তোলে, আশ্বাস দেয় বাঁধ হবে, ভাঙন ঠেকানো হবে। কিন্তু ভোট শেষ হলেই আর কেউ ফিরে তাকায় না। আমরা প্রতি বছর ভিটেমাটি হারিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করি। কতদিন আর পারা যায়?”

 

 

স্থানীয়রা জানান, ভাঙনের কবলে ইতোমধ্যেই বহু বাড়িঘর ও কৃষিজমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের আতঙ্কে অনেক পরিবার বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছে, কেউ কেউ আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে।

পড়ুন>>রূপগঞ্জে ছাত্রলীগনেতাকে ছাড়িয়ে নিতে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে ব‍্যবসায়ীর মৃত‍্যু

 

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিগত সরকারের সময়কার সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এই এলাকায় বারবার এসেছিলেন। তারা বলেন, “তিনি বারবার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে আমাদের কাছ থেকে ভোট নিয়েছেন, কিন্তু নদী রক্ষা বা বাঁধ নির্মাণে কোনো কার্যকর উদ্যোগ তিনি নেননি। বরং আমাদের সরলতা নিয়ে খেলেছেন।”

 

 

চরাঞ্চলের এই দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষদের দাবি- ব্রহ্মপুত্র নদীর এই ভাঙন রোধে স্থায়ী ও টেকসই ব্যবস্থা নিতে হবে। নদীর পাড়ে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসনের ব্যবস্থা না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় মানবিক বিপর্যয় নেমে আসবে।

 

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

 

রৌমারীর ভাঙন প্রবণ এলাকাগুলোর মানুষের দাবি, সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করুক—এটাই তাদের একান্ত চাওয়া।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ব্রহ্মপুত্রের করাল গ্রাসে রৌমারীর একাধিক গ্রাম

আপডেট সময় : ০২:২৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

 

 

ব্রহ্মপুত্রের করাল গ্রাসে রৌমারীর একাধিক গ্রাম

 

 

ব্রহ্মপুত্রের করাল গ্রাসে রৌমারীর একাধিক গ্রাম
নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে সুখেরবাতি, ঘুঘুমারী ও সোনাপুর, স্থায়ী সমাধানের দাবি স্থানীয়দের
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী ইউনিয়নে আবারও ভয়াবহ নদীভাঙন শুরু হয়েছে।

 

 

ব্রহ্মপুত্র নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হতে চলেছে সুখেরবাতি, ঘুঘুমারী ও সোনাপুরসহ একাধিক গ্রাম। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নদীর ভাঙন এই অঞ্চলের মানুষের জীবনে নামিয়ে আনে চরম দুর্ভোগ। এবছর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

 

 

সুখেরবাতি গ্রামের বাসিন্দা জিন্নাত আলী বলেন, “প্রতিটি নির্বাচনের আগে নেতারা এসে নদীভাঙনের ছবি তোলে, আশ্বাস দেয় বাঁধ হবে, ভাঙন ঠেকানো হবে। কিন্তু ভোট শেষ হলেই আর কেউ ফিরে তাকায় না। আমরা প্রতি বছর ভিটেমাটি হারিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করি। কতদিন আর পারা যায়?”

 

 

স্থানীয়রা জানান, ভাঙনের কবলে ইতোমধ্যেই বহু বাড়িঘর ও কৃষিজমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের আতঙ্কে অনেক পরিবার বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছে, কেউ কেউ আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে।

পড়ুন>>রূপগঞ্জে ছাত্রলীগনেতাকে ছাড়িয়ে নিতে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে ব‍্যবসায়ীর মৃত‍্যু

 

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিগত সরকারের সময়কার সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এই এলাকায় বারবার এসেছিলেন। তারা বলেন, “তিনি বারবার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে আমাদের কাছ থেকে ভোট নিয়েছেন, কিন্তু নদী রক্ষা বা বাঁধ নির্মাণে কোনো কার্যকর উদ্যোগ তিনি নেননি। বরং আমাদের সরলতা নিয়ে খেলেছেন।”

 

 

চরাঞ্চলের এই দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষদের দাবি- ব্রহ্মপুত্র নদীর এই ভাঙন রোধে স্থায়ী ও টেকসই ব্যবস্থা নিতে হবে। নদীর পাড়ে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসনের ব্যবস্থা না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় মানবিক বিপর্যয় নেমে আসবে।

 

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

 

রৌমারীর ভাঙন প্রবণ এলাকাগুলোর মানুষের দাবি, সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করুক—এটাই তাদের একান্ত চাওয়া।

 

 

 

Facebook Comments Box