বেড়েছে লোডশেডিং: কাউনিয়ায় ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন
- আপডেট সময় : ০৯:৩৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
বেড়েছে লোডশেডিং: কাউনিয়ায় ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন
তীব্র তাপদাহ আর প্রচন্ড গরমে রংপুরের কাউনিয়ার গ্রামীণ জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। এ দিকে গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। দিনে রাতে ১৫ থেকে ২০ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করছে। একবার বিদ্যুৎ চলে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ আসার নাম নেই। এতে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা ক্ষোভে ফেটে পড়ছে।
প্রচন্ড খড়তাপের কারণে বেশ কিছুদিন যাবত তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে রংপুর অঞ্চলের মানুষ। সূর্যের প্রখর খড় তাপে সাধারণ মানুষ ও খেটে খাওয়া মানুষের জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে ।
আমন খেত শুকিয়ে চৌচির হয়ে পড়েছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ভাদ্র পেরিয়ে আশ্বিন মাস পড়লেও গত কয়েকদিন যাবত বৃষ্টি না হওয়ায় প্রচন্ড খরতাপে আর ভ্যাপসা গরমে ঘর থেকে বের হতে হিমশীম খাচ্ছে শ্রমিক দিনমজুরসহ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।গাছের ছাঁয়াতলে সামান্য স্বস্তির ও একটু শীতল পরিবেশের জন্য ছুটছে মানুষ ।
আর অতিরিক্ত গরমে শরীরকে একটু শীতল করতে বিভিন্ন শরবত ও ঠান্ডা পানীয়র খোঁজে তৃষ্ণার্ত মানুষ ব্যাকুল হয়ে ছুটছে। গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষসহ সকল প্রাণী! গরম আবহাওয়ায় সাধারণ মানুষের দম যাই যাই অবস্থা।
বিদ্যালয় গুলো ঘুরে দেখা যায় তীব্র গরম আর ঘনঘন লোডশেডিং এর কারণে শ্রেণি কক্ষে টিকে থাকতে পারছেনা শিহ্মার্থীরা প্রচন্ড ভ্যাপসা গরমের কারণে অনেক অবিভাবক বাচ্চাদের বিদ্যালয় পাঠাচ্ছেন না। তাই শিক্ষার্থীর উপস্থিতি একটু কমে গেছে।
এ তাপদাহ আরো কয়েকদিন থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে কাউনিয়ার বেলা বারার সাথে সাথে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠানামা করছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময় রবিবার বেলা ৩টার কাউনিয়ার কূর্শা ইউনিয়নে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ।
এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে জানা, যায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় থাকলেও যেন অনুভুতি হচ্ছে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপর। তার উপরে লোডশেডিং কারণে গরমটা আরো বেশি অনুভুতি হচ্ছে।
কৃষক সহির উদ্দিন জানায়, প্রচন্ড রোদ আর ভেপসা গরমে মাঠে টিকে থাকা যাচ্ছে না। আমন ধানের খেত শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। খরার কারণে আমন খেতে পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। ঔষধ দিতে তাই পারছি না, বৃষ্টি না হওয়ায় পানির অভাবে ধানের শীষ বের হতে পারছেনা। কৃষকরা মেঘ দে পানি দে বলে সৃষ্টি কর্তার কাছে ফরিয়াদ জানাচ্ছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























