ফুলবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হাটের রাস্তার ইট তুলে বিক্রির অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৮:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
ফুলবাড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হাটের রাস্তার ইট তুলে বিক্রির অভিযোগ
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাছেন আলী এবং ৩ নং বালাতাড়ী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মহির উদ্দিন ও ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বালারহাট বাজারের গলি রাস্তার ইট তুলে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বালারহাট বাজারের ইজারাদার আনিছুর রহমান বাবু এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন।
উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে বালারহাট বাজারের হাটসেড মেরামত ও হাটের গলি রাস্তা পাকাকরণের জন্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
রাজশাহীর বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হাটসেড ও রাস্তার কাজটি পান। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করলে গত সোমবার(২২ এপ্রিল) নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাছেন আলী ও ইউপি সদস্য মহির উদ্দিন ও শহিদুল ইসলাম শ্রমিক দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের এলজিইডি গুদাম মেরামতের নামে বাজারের পুরাতন হেরিং বন্ড রাস্তার প্রায় ২০ হাজার ইট তুলে নিয়ে যান। এরপর দুই হাজার ইট খোয়া করে গুদাম সংস্কারের জন্য ইউপি মাঠে রেখে বাকি ১৮ হাজার ইট বিক্রি করে দেন।
বালারহাট বাজারের ইজারাদার আনিছুর রহমান বাবু জানান, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা বাজারের তরকারী পট্টির হেরিং বন্ড রাস্তা থেকে প্রায় ২০ হাজার ইট তুলে নিয়ে যান।
ইট নিয়ে যাওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে, তারা বলেন, এ ইট ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নের কাজে ব্যবহার হবে। কিন্তু পরে ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে ২ হাজার ইট খোয়া করে বাকি সমুদয় ইট বিক্রি করে করা হয়েছে।
বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধি সহিদার রহমান কাজল জানান, কাজের চুক্তিতে হেরিং বন্ড রাস্তা থেকে ইট তোলার উল্লেখ্য নেই। কাজ শুরুর পর স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যান এসে হাটের রাস্তার ইট তুলে নিয়ে যান। এতে রাস্তায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ওই গর্তে এখন ২০ হাজার টাকার বালু ফেলতে হবে। আমার লোকজন ইট নিয়ে যেতে বাঁধা দিলে তারা ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নের কথা বলে জোড় করে সব ইট নিয়ে যান। শুনেছি পরে ইটগুলো বিক্রি করেছেন।
ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের গুদাম সংস্কারের জন্য ১২/১৪ হাজার ইট তুলে আনা হয়েছে । কিছু ইটের খোয়া বানানো হয়েছে আর কিছু ইট বিক্রি করে শ্রমিক মজুরী ও ট্রলিভাড়া দেয়া হয়েছে।
অপর ইউপি সদস্য মহির উদ্দিনের মোবাইলে একাধিক বার কল দিলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।
নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাছেন আলী বলেন, গুদাম সংস্কারের জন্য মেম্বাররা ঠিকাদারের কাছ কিছু ইট নিয়েছে শুনেছি। সরকারী ইট হলে নিলামে বিক্রির ব্যবস্থা করা হতো। যেহেতু ইট সরকারী নয় সেহেতু মেম্বাররা কি করেছেন সে ব্যাপারে আমি তেমন কিছুই জানিনা।
ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেহেনুমা তারান্নুম বলেন, হাটের রাস্তার ইট বিক্রির ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পাইনি তবে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানান হবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ





















