২০৩০ সাল নাগাদ অমর হয়ে যাবে মানুষ, জানালেন গুগলের বিজ্ঞানীরা
- আপডেট সময় : ১১:৪১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ২১৯ বার পড়া হয়েছে
২০৩০ সাল নাগাদ অমর হয়ে যাবে জানালেন গুগলের বিজ্ঞানীরা।
অমরত্ব লাভে আশায় দেবতাদের জন্য সাগরে অমৃত রক্ষিত ছিল। দেবতাদের আগেই অসুররা সাগর মন্থন করে সেই অমৃত খেয়ে অমরত্ব লাভ করে। সেটা জানতে পারেনি দেবতারা। পরবর্তীতে সাগর মন্থন করে হলাহল নামের বিষ পায়। দেবতারা ব্যর্থ হয়ে যায় অমরত্ব লাভের। পৌরানিক এই কাহিনীতে দেবতারা অমর হতে না পারলেও বিজ্ঞানের কল্যাণে মানুষ ২০৩০সাল নাগাদ পেতে যাচ্ছে অমরত্ব।
২০০৫ সালে ‘দ্য সিঙ্গুলারিটি ইজ নিয়ার’ নামে একটি বই লিখেছিলেন রে কার্জউইল। এই বই এর ক্লিপ “২০৩০ সাল নাগাদ মানুষ অবিনশ্বর জীবন অর্জন করবে, অর্থাৎ সে অমর হয়ে যাবে।” সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি। যা নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে।
অনেকদিন আগে থেকেই মানুষ অমর হতে পারে কি না তা নিয়ে গবেষণা করছে। সেটি আদৌ সম্ভব কি না তা নিয়ে এখনও নিশ্চয়তা মেলেনি। তবে গুগলের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, ২০৩০ সালের পর মানুষ অমর হতে পারে।
এক প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক পোস্ট ও এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, গুগলের সাবেক ইঞ্জিনিয়র তথা বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিবিজ্ঞানী রে কার্জউইল এমন দাবি করেছেন।
৭৫ বছর বয়সি বিজ্ঞানী রে কার্জইউল ১৯৯৯ সালে প্রযুক্তি বিজ্ঞানে অবদানের জন্য ন্যাশনাল মেডেল অফ টেকনোলজি সম্মানে ভূষিত হন। এছাড়া তার প্রযুক্তি সংক্রান্ত একাধিক ভবিষ্যদ্বাণী পরবর্তীকালে সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে।
১৯৯০ সালে কার্জইউল ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, বিশ্বের সেরা দাবা খেলোয়াড়ও ২০০০ সালের মধ্যে কম্পিউটারের কাছে পরাজিত হবে। ১৯৯৭ সালে তা সত্য হয়। গ্যারি কাসপারভকে পরাজিত করে ডিপ ব্লু নামের কম্পিউটার।
নিজেকে ভবিষ্যৎ বক্তাও বলেন থাকেন কার্জউইল। ১৯৯৯ সালে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, ২০২৩ সাল নাগাদ ১০০০ ডলারের একটি ল্যাপটপের স্টোরেজ ক্ষমতা মানুষের মস্তিষ্কের সমান হবে। প্রযুক্তিবিদদের বক্তব্য, বাস্তবেই মানব মস্তিষ্কের সঙ্গে বর্তমানে পাল্লা দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স।
২০০৫ সালে ‘দ্য সিঙ্গুলারিটি ইজ নিয়ার’ নামে একটি বই লিখেছিলেন রে কার্জউইল। এই বই সম্পর্কিত কিছু ক্লিপ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সম্প্রতি। যা নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। সেখানে তিনি দাবি করেন, ২০৩০ সাল নাগাদ মানুষ অবিনশ্বর জীবন অর্জন করবে, অর্থাৎ সে অমর হয়ে যাবে।কঠিন ব্যাধিও মারতে পারবে না মানুষকে।
ওই গ্রন্থে জেনেটিক্স, ন্যানোটেকনোলজি, রোবোটিক্সসহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা করেছেন কার্জউইল। গুগলের সাবেক ইঞ্জিনিয়া জানিয়েছেন, মুশকিল আসান করবে ন্যানো প্রযুক্তি এবং রোবোটিক্স।
তিনি বিশ্বাস করেন, এই দুই প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোবটের জন্ম হবে। এই ছোট বটগুলো মানবদেহের ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে মেরামত করতে সক্ষম হবে। এর ফলেই বয়স বাড়লেও মারণ ব্যধি থেকে মুক্তি পাবে মানুষ।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























