ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূরুঙ্গামারীতে আটক গ্রামীন ফোনের ভূয়া প্রকৌশলীকে থানায় সোপর্দ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৬:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১ ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 


ভূরুঙ্গামারীতে  আটক গ্রামীন ফোনের ভূয়া প্রকৌশলীকে ভূরুঙ্গামারী থানায় সোপর্দ  করেন এবং আটককৃতের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা  টাকা প্রতারণার শিকার হওয়াদের মাঝে বন্টন করেন পাইকের ছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।

উল্লেখ্য  ১১ আগস্ট বুধবার রাতে উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা গ্রামে ভুয়া গ্রামীন ফোনের প্রকৌশলীকে আটক করে পাইকের ছড়া ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট হস্তান্তর করে  প্রতারণার শিকার ওই এলাকাবাসী। ওই  ভূয়া প্রকৌশলীর নিকট থেকে নগদ ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত টাকা প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। তা ছাড়া আটক ওই ভূয়া প্রকৌশলীর নিকট থেকে , জমির দলিল, এবং শতাধিক ব্যক্তির ছবি ও পরিচয়পত্রের পাওয়া যায়।


প্রতারক মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানির নির্বাহী প্রকৌশলী পরিচয়ে ৫ম প্রজন্মের মোবাইল টাওয়ার স্থাপন ও টাওয়ারের রক্ষণাবেক্ষণের চাকুরী দেয়ার কথা বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া ।আটক ওই প্রকৌশলীর দাবি তার নাম রাহুল খান। সে ফরিদপুর জেলার ভাঙা উপজেলার সদরদি গ্রামের মৃত সিরাজুল খানের ছেলে।স্থানীয়রা জানান, গ্রামীণ ফোনের নির্বাহী প্রকৌশলী পরিচয়ে রাহুল প্রায় ২০ দিন আগে পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা গ্রামের মহব্বত আলীর একটি ঘর ভাড়া নেন। সেখানে অফিস খুলে সে প্রতারণার ফাঁদ পাতে।


প্রতারণার শিকার সৈয়দ আলী জানান, জমি বাবদ এককালীন ১ কোটি ৪৪ হাজার টাকা এবং জমি ভাড়া বাবদ বার্ষিক আরো ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেয়ার আশ্বাসে ওই প্রকৌশলী তার নিকট থেকে ১ লাখ টাকা নিয়েছেন।বল্লভেরখাস ইউনিয়নের চর বলরামপুর গ্রামের মিজানুর রহমান মিস্ত্রী জানান, আমাকে টাওয়ার নির্মাণ কাজ দেবে।টাওয়ারের দরপত্র অনুমোদনের জন্য টাকার দরকার। সেজন্য ২১ হাজার টাকা নিয়েছেন। আটক রাহুল স্বীকার করেন, তিনি প্রতারণা করে সৈয়দ আলীর নিকট থেকে ১ লাখ টাকা নিয়েছেন। এছাড়া মজনু মিয়া, ফজলু মিস্ত্রি, কফিল উদ্দিন ও মিজানুর রহমানের নিকট থেকে ২১ হাজার করে আরো ৮৪ হাজার টাকা নিয়েছেন।

ওসি আলমগীর এ ঘটনার সত্যতা শিকার করেন।


Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূরুঙ্গামারীতে আটক গ্রামীন ফোনের ভূয়া প্রকৌশলীকে থানায় সোপর্দ

আপডেট সময় : ০৫:০৬:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১

 


ভূরুঙ্গামারীতে  আটক গ্রামীন ফোনের ভূয়া প্রকৌশলীকে ভূরুঙ্গামারী থানায় সোপর্দ  করেন এবং আটককৃতের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা  টাকা প্রতারণার শিকার হওয়াদের মাঝে বন্টন করেন পাইকের ছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।

উল্লেখ্য  ১১ আগস্ট বুধবার রাতে উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা গ্রামে ভুয়া গ্রামীন ফোনের প্রকৌশলীকে আটক করে পাইকের ছড়া ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট হস্তান্তর করে  প্রতারণার শিকার ওই এলাকাবাসী। ওই  ভূয়া প্রকৌশলীর নিকট থেকে নগদ ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত টাকা প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। তা ছাড়া আটক ওই ভূয়া প্রকৌশলীর নিকট থেকে , জমির দলিল, এবং শতাধিক ব্যক্তির ছবি ও পরিচয়পত্রের পাওয়া যায়।


প্রতারক মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানির নির্বাহী প্রকৌশলী পরিচয়ে ৫ম প্রজন্মের মোবাইল টাওয়ার স্থাপন ও টাওয়ারের রক্ষণাবেক্ষণের চাকুরী দেয়ার কথা বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া ।আটক ওই প্রকৌশলীর দাবি তার নাম রাহুল খান। সে ফরিদপুর জেলার ভাঙা উপজেলার সদরদি গ্রামের মৃত সিরাজুল খানের ছেলে।স্থানীয়রা জানান, গ্রামীণ ফোনের নির্বাহী প্রকৌশলী পরিচয়ে রাহুল প্রায় ২০ দিন আগে পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা গ্রামের মহব্বত আলীর একটি ঘর ভাড়া নেন। সেখানে অফিস খুলে সে প্রতারণার ফাঁদ পাতে।


প্রতারণার শিকার সৈয়দ আলী জানান, জমি বাবদ এককালীন ১ কোটি ৪৪ হাজার টাকা এবং জমি ভাড়া বাবদ বার্ষিক আরো ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেয়ার আশ্বাসে ওই প্রকৌশলী তার নিকট থেকে ১ লাখ টাকা নিয়েছেন।বল্লভেরখাস ইউনিয়নের চর বলরামপুর গ্রামের মিজানুর রহমান মিস্ত্রী জানান, আমাকে টাওয়ার নির্মাণ কাজ দেবে।টাওয়ারের দরপত্র অনুমোদনের জন্য টাকার দরকার। সেজন্য ২১ হাজার টাকা নিয়েছেন। আটক রাহুল স্বীকার করেন, তিনি প্রতারণা করে সৈয়দ আলীর নিকট থেকে ১ লাখ টাকা নিয়েছেন। এছাড়া মজনু মিয়া, ফজলু মিস্ত্রি, কফিল উদ্দিন ও মিজানুর রহমানের নিকট থেকে ২১ হাজার করে আরো ৮৪ হাজার টাকা নিয়েছেন।

ওসি আলমগীর এ ঘটনার সত্যতা শিকার করেন।


Facebook Comments Box