ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস ব্যাংক খাতের মতো বীমা খাতেও লুটপাট চলছে: অর্থমন্ত্রী শিক্ষক সংকটের জেরে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অবরুদ্ধ শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইংল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর আইসিসির জোড়া শাস্তির মুখে পাকিস্তান আসিফ নজরুলের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মন্তব্যটি ভুয়া সঞ্চয়পত্রের লেনদেনে ভোগান্তি কমাতে চালু হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম বেসরকারি সংস্থা সেতুতে ১৬৯ পদে নিয়োগ, বেতন ও আবেদনের নিয়মাবলি কাতারে ট্যাক্সি ও লিমোজিন সেবায় নিরাপত্তা ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করল কর্তৃপক্ষ হারানো সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদের তথ্য দিলে মিলবে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার

নীলফামারীতে বন্যায় ব্রিজ ডেবে যাওয়ায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

নীলফামারী থেকে তপন দাস
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০২৩ ১৫২ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে বন্যায় ব্রিজ ডেবে যাওয়ায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নীলফামারীতে বন্যায় ব্রিজ ডেবে যাওয়ায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ। ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ।

নীলফামারীতে দীর্ঘ ৩ বছর আগে বন্যার পানির তীব্র স্নোতের কারণে তলদেশের মাটি সরে গিয়ে দেবে যাওয়া ব্রিজটি সংস্কার হয়নি এখনো। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে ২ ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার সাধারণ জনগণ ।

ব্রিজটি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ১০ নং হরিণ চড়া ইউনিয়নের ধরনীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত। ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজটি দিয়ে চলাচল করে হরিণ চড়া ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী সোনারায় ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার জনগণ ।

এছাড়া ও ব্রিজটি দেবে যাওয়ার কারণে চলাচল করতে পারছে মালবাহী কোন ভারী যানবাহন ২ কিলোমিটার দুরত্বের পরিবর্তে ৫ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে উঠতে হয় প্রধান সড়কে।

তাই মালামাল সঠিক সময় বাজারজাত করা নিয়ে ও চরম ভোগান্তিতে পড়ছে ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা।

কয়েকজন পদচারী জানান ব্রিজটি ডেবে যাওয়ার কারণে তারা ভয় নিয়ে ব্রিজটি পারাপার হয়। ইমারজেন্সী রোগীকে সময় মতো হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারেন না। এলাকায় কোন অগ্নি কান্ড ঘটলেও ব্রিজটি দিয়ে আসতে পারে না কোন ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি। আসতে পারেনা কোন রোগী বহনকারী এ্যাম্বুলেন্স।

তাই আমাদের সরকারের কাছে একটাই দাবি আমাদের এই ব্রিজটি যেন ভেঙ্গে নতুন একটি ব্রিজ তৈরি করে দেন।

এবিষয়ে ১০ নং হরিণ চড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রাসেল রানা বলেন ব্রিজটি নতুন ভাবে তৈরি করে দেয়ার জন্য উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি তারা কবে ব্রিজটি তৈরি করবে সেটা বলতে পারছি না তবে আমি চেষ্টা করছি আমার ইউনিয়নের লোক যেন দ্রুত এই ভোগান্তির হাত থেকে যেন রক্ষা পায়।

এদিকে ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল আলম বলেন আমি কয়েকদিন হলো এখানে এসেছি তাই ব্রিজটির বিষয়ে আমি অবগত না তবে আমি উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানাবো এবং আমি আগামী সপ্তাহে দেবে যাওয়া ব্রিজটি পরিদর্শনে যাবো।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নীলফামারীতে বন্যায় ব্রিজ ডেবে যাওয়ায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় : ১২:২৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ অগাস্ট ২০২৩

নীলফামারীতে বন্যায় ব্রিজ ডেবে যাওয়ায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ। ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ।

নীলফামারীতে দীর্ঘ ৩ বছর আগে বন্যার পানির তীব্র স্নোতের কারণে তলদেশের মাটি সরে গিয়ে দেবে যাওয়া ব্রিজটি সংস্কার হয়নি এখনো। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে ২ ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার সাধারণ জনগণ ।

ব্রিজটি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ১০ নং হরিণ চড়া ইউনিয়নের ধরনীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত। ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজটি দিয়ে চলাচল করে হরিণ চড়া ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী সোনারায় ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার জনগণ ।

এছাড়া ও ব্রিজটি দেবে যাওয়ার কারণে চলাচল করতে পারছে মালবাহী কোন ভারী যানবাহন ২ কিলোমিটার দুরত্বের পরিবর্তে ৫ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে উঠতে হয় প্রধান সড়কে।

তাই মালামাল সঠিক সময় বাজারজাত করা নিয়ে ও চরম ভোগান্তিতে পড়ছে ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা।

কয়েকজন পদচারী জানান ব্রিজটি ডেবে যাওয়ার কারণে তারা ভয় নিয়ে ব্রিজটি পারাপার হয়। ইমারজেন্সী রোগীকে সময় মতো হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারেন না। এলাকায় কোন অগ্নি কান্ড ঘটলেও ব্রিজটি দিয়ে আসতে পারে না কোন ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি। আসতে পারেনা কোন রোগী বহনকারী এ্যাম্বুলেন্স।

তাই আমাদের সরকারের কাছে একটাই দাবি আমাদের এই ব্রিজটি যেন ভেঙ্গে নতুন একটি ব্রিজ তৈরি করে দেন।

এবিষয়ে ১০ নং হরিণ চড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রাসেল রানা বলেন ব্রিজটি নতুন ভাবে তৈরি করে দেয়ার জন্য উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি তারা কবে ব্রিজটি তৈরি করবে সেটা বলতে পারছি না তবে আমি চেষ্টা করছি আমার ইউনিয়নের লোক যেন দ্রুত এই ভোগান্তির হাত থেকে যেন রক্ষা পায়।

এদিকে ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল আলম বলেন আমি কয়েকদিন হলো এখানে এসেছি তাই ব্রিজটির বিষয়ে আমি অবগত না তবে আমি উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানাবো এবং আমি আগামী সপ্তাহে দেবে যাওয়া ব্রিজটি পরিদর্শনে যাবো।

 

Facebook Comments Box