ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস ব্যাংক খাতের মতো বীমা খাতেও লুটপাট চলছে: অর্থমন্ত্রী শিক্ষক সংকটের জেরে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অবরুদ্ধ শিল্পকারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ মঙ্গলবার থেকে স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইংল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর আইসিসির জোড়া শাস্তির মুখে পাকিস্তান আসিফ নজরুলের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মন্তব্যটি ভুয়া সঞ্চয়পত্রের লেনদেনে ভোগান্তি কমাতে চালু হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম বেসরকারি সংস্থা সেতুতে ১৬৯ পদে নিয়োগ, বেতন ও আবেদনের নিয়মাবলি কাতারে ট্যাক্সি ও লিমোজিন সেবায় নিরাপত্তা ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করল কর্তৃপক্ষ হারানো সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদের তথ্য দিলে মিলবে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার

কেটে নেয়া বোরো ধান গাছের গোড়া থেকে আবারও ধান উৎপাদন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১ ৫৩২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

কেটে নেয়া বোরো ধান গাছের গোড়া থেকে আবারও ধান উৎপাদন করে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কৃষকরা। ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাগভান্ডার গ্রামের কৃষক আতাউর জানন, গত বোরো মৌসুমে আড়াই বিঘা জমিতে বি আর-২৮ ধান চাষ করেন। পড়তে ক্লিক দিন>>সুপারি চাষ পদ্ধতি  গত মে মাসের শুরুতে এসব ধান কেটে তিনি ঘরে তোলেন।

 



এরপর ওই জমিতে পড়ে থাকা ধান গাছের মুড়ি (গোড়া) নষ্ট না করে পুনরায় ধান উৎপাদন করতে যত্ন নেন এবং ধান গাছের গোড়া কাঁচা থাকায় দ্রুত নতুন কুশি বের হয়। তবে কোনো প্রকার সেচ ছাড়াই শুধু মাত্র সামান্য পরিমাণে সার প্রয়োগ আর কয়েক বার কীটনাশক স্প্রে করে চাষকৃত এসব মুড়ি ধানের মাঝারি ফলন পেয়েছেন।

এ বিষয়ে কৃষক আজিজার রহমান গণমাধ্যমে জানান, একই জমিতে গত দু’দিন আগে তিনি পুনরায় ধান কাটেন এবং এক বিঘা জমিতে ফলন পেয়েছেন প্রায় ৪ মন ধান। এতে নিজেই শ্রম দিয়ে ৫ কেজি সার ও কীটনাশক বাবদ তার খরচ হয়েছে মাত্র ৩শ টাকা। এতে এই ৪ মন ধানই বাড়তি লাভ তার।



এ পদ্ধতিতে ধান গাছের গোড়া (মুড়ি) থেকে ধানচাষ-এর বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, ধানের মুড়ি থেকে আবার ধান চাষ করা যায়। বিশেষ করে ব্রি ধান-২৮ ও ২৯ ধানের গোড়া কাঁচা থাকে। তাই ধান কাটার পর এসব ধান গাছের মুড়ি থেকে কুশি বের হয়।  পড়তে  ক্লিক করুন>>একটি উৎকৃষ্ট সবজি চিচিংগা চাষ পদ্ধতি এসব মুড়ি থেকে পুনরায় ধান উৎপাদন সম্ভব। এ বছর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের অনেক কৃষক মুড়ি থেকে ধানচাষ করছেন।



এ ব্যাপারে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজামান জানান, এই পদ্ধতিতে ফসল আবাদ কৃষি বিজ্ঞানের ভাষায় ‘রেটুন শষ্য আবাদ’ বলা হয়ে থাকে। বিশেষ করে বোরো ধান কেটে নেয়ার পর পরবর্তী আমন আবাদের জন্য প্রায় ২ মাস সময় কৃষকরা পায়।জেনে নিন>>নিষিদ্ধ ৮টি কীটনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন আর এই দুইমাস সময়ের মধ্যে পড়ে থাকা জমিতে এই পদ্ধতিতে ধান আবাদ করে কৃষকরা বাড়তি ফসল পেতে পারে।এটি বেশী লাভজনক না হলেও যেসব কৃষক নিজে পরিশ্রম করেন তারা বাড়তি ফসল পেয়ে লাভবান হতে পারেন বলেও জানান তিনি।





Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কেটে নেয়া বোরো ধান গাছের গোড়া থেকে আবারও ধান উৎপাদন

আপডেট সময় : ১১:১৬:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

 

কেটে নেয়া বোরো ধান গাছের গোড়া থেকে আবারও ধান উৎপাদন করে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কৃষকরা। ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাগভান্ডার গ্রামের কৃষক আতাউর জানন, গত বোরো মৌসুমে আড়াই বিঘা জমিতে বি আর-২৮ ধান চাষ করেন। পড়তে ক্লিক দিন>>সুপারি চাষ পদ্ধতি  গত মে মাসের শুরুতে এসব ধান কেটে তিনি ঘরে তোলেন।

 



এরপর ওই জমিতে পড়ে থাকা ধান গাছের মুড়ি (গোড়া) নষ্ট না করে পুনরায় ধান উৎপাদন করতে যত্ন নেন এবং ধান গাছের গোড়া কাঁচা থাকায় দ্রুত নতুন কুশি বের হয়। তবে কোনো প্রকার সেচ ছাড়াই শুধু মাত্র সামান্য পরিমাণে সার প্রয়োগ আর কয়েক বার কীটনাশক স্প্রে করে চাষকৃত এসব মুড়ি ধানের মাঝারি ফলন পেয়েছেন।

এ বিষয়ে কৃষক আজিজার রহমান গণমাধ্যমে জানান, একই জমিতে গত দু’দিন আগে তিনি পুনরায় ধান কাটেন এবং এক বিঘা জমিতে ফলন পেয়েছেন প্রায় ৪ মন ধান। এতে নিজেই শ্রম দিয়ে ৫ কেজি সার ও কীটনাশক বাবদ তার খরচ হয়েছে মাত্র ৩শ টাকা। এতে এই ৪ মন ধানই বাড়তি লাভ তার।



এ পদ্ধতিতে ধান গাছের গোড়া (মুড়ি) থেকে ধানচাষ-এর বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, ধানের মুড়ি থেকে আবার ধান চাষ করা যায়। বিশেষ করে ব্রি ধান-২৮ ও ২৯ ধানের গোড়া কাঁচা থাকে। তাই ধান কাটার পর এসব ধান গাছের মুড়ি থেকে কুশি বের হয়।  পড়তে  ক্লিক করুন>>একটি উৎকৃষ্ট সবজি চিচিংগা চাষ পদ্ধতি এসব মুড়ি থেকে পুনরায় ধান উৎপাদন সম্ভব। এ বছর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের অনেক কৃষক মুড়ি থেকে ধানচাষ করছেন।



এ ব্যাপারে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজামান জানান, এই পদ্ধতিতে ফসল আবাদ কৃষি বিজ্ঞানের ভাষায় ‘রেটুন শষ্য আবাদ’ বলা হয়ে থাকে। বিশেষ করে বোরো ধান কেটে নেয়ার পর পরবর্তী আমন আবাদের জন্য প্রায় ২ মাস সময় কৃষকরা পায়।জেনে নিন>>নিষিদ্ধ ৮টি কীটনাশক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন আর এই দুইমাস সময়ের মধ্যে পড়ে থাকা জমিতে এই পদ্ধতিতে ধান আবাদ করে কৃষকরা বাড়তি ফসল পেতে পারে।এটি বেশী লাভজনক না হলেও যেসব কৃষক নিজে পরিশ্রম করেন তারা বাড়তি ফসল পেয়ে লাভবান হতে পারেন বলেও জানান তিনি।





Facebook Comments Box