ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূরুঙ্গামারীতে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল অবস্থা: ১০ পদের মধ্যে ৬ পদে নেই কর্মকর্তা কর্মচারি

সৃষ্টি শিক্ষা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

ভূরুঙ্গামারীতে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল অবস্থা: ১০ পদের মধ্যে ৬ পদে নেই কর্মকর্তা কর্মচারি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভূরুঙ্গামারীতে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা। ১০ কর্মকর্তা ও কর্মচারির মধ্যে রয়েছে মাত্র ৪ জন। জানাগেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছাড়াও ৪টি ক্লাস্টারে ৪ জন সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পদ  রয়েছে। পড়ুন>>নালিয়ার দোলার নয়, গর্ভের দোলার হচ্ছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

এরমধ‍্যে দীর্ঘ দিন থেকে ২ জন সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পদ শুন্য রয়েছে। এর মধ্যে আবুল কালাম আজাদ নামে একজন সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার ২য় স্ত্রী মামলা করেন। ওই মামলায় তিনি কিছুদিন জেলে আটক থাকেন।পড়ুন>> আইনের তোয়াক্কা না করেই বইয়ের বোঝা চাপিয়ে অর্থ আদায় করছে কিন্ডারগার্টেনগুলো

বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন। তিনিও প্রায় ৬ মাস থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত । ফলে জাকির হোসেন নামে একজন সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন।

উপজেলা প্রাথমিক অফিস সুত্রে জানাগেছে, এ উপজেলায় ১২২ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। একজন অফিসারে পক্ষে এতগুলো বিদ্যালয় পরিদর্শন করা সম্ভব হচ্ছেনা। তদারকির অভাবে  অনেক প্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে কার্ষক্রম পরিচালিত হচ্ছে না।

অপরদিকে, কর্মচারিদের ৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২জন। অফিস সহকারি, হিসাব সহকারি ও অফিস সহায়ক পদে দীর্ঘ দিন থেকে কোন কর্মচারি নেই। এর ফলে একদিকে যেমন অফিসিয়াল কাজ করতে আসা শিক্ষকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। পড়ুন>>শুধু পতাকা আর আছে স্কুলের সাইন বোর্ড অথচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

অন্যদিকে অফিসার সংকটের কারণে নিয়মিতভাবে বিদ্যালয় গুলো পরিদর্শন সম্ভব হচ্ছেনা। তদারকির অভাবে  অনেক প্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে কার্ষক্রম পরিচালিত হচ্ছে না।

বিশেষ করে উপজেলা সদর থেকে দুরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকদের বিলম্বে আগমন করছে। সঠিক সময়ের আগেই প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটি দেয়া হচ্ছে।

এব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা , রংপুর বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মুজাহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমরা অবগত হলাম। পড়ুন>>শিশুদের আদর্শিক হিসেবে গড়ে তুলতে সু শিক্ষার বিকল্প নাই- শিশুবন্ধু মুহাম্মদ আলী

আগামী রোবার ঢাকায় মিটিং আছে। বিষয়টি ঐ মিটিংয়ে উত্থাপন করা হবে। জেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশাকরা হচ্ছে শীর্ঘই জনবল সংকটের সমাধান হবে ।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “ভূরুঙ্গামারীতে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল অবস্থা: ১০ পদের মধ্যে ৬ পদে নেই কর্মকর্তা কর্মচারি

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূরুঙ্গামারীতে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল অবস্থা: ১০ পদের মধ্যে ৬ পদে নেই কর্মকর্তা কর্মচারি

আপডেট সময় : ১০:৫১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ভূরুঙ্গামারীতে প্রাথমিক শিক্ষার বেহাল দশা। ১০ কর্মকর্তা ও কর্মচারির মধ্যে রয়েছে মাত্র ৪ জন। জানাগেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছাড়াও ৪টি ক্লাস্টারে ৪ জন সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পদ  রয়েছে। পড়ুন>>নালিয়ার দোলার নয়, গর্ভের দোলার হচ্ছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

এরমধ‍্যে দীর্ঘ দিন থেকে ২ জন সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পদ শুন্য রয়েছে। এর মধ্যে আবুল কালাম আজাদ নামে একজন সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তার ২য় স্ত্রী মামলা করেন। ওই মামলায় তিনি কিছুদিন জেলে আটক থাকেন।পড়ুন>> আইনের তোয়াক্কা না করেই বইয়ের বোঝা চাপিয়ে অর্থ আদায় করছে কিন্ডারগার্টেনগুলো

বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন। তিনিও প্রায় ৬ মাস থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত । ফলে জাকির হোসেন নামে একজন সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন।

উপজেলা প্রাথমিক অফিস সুত্রে জানাগেছে, এ উপজেলায় ১২২ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। একজন অফিসারে পক্ষে এতগুলো বিদ্যালয় পরিদর্শন করা সম্ভব হচ্ছেনা। তদারকির অভাবে  অনেক প্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে কার্ষক্রম পরিচালিত হচ্ছে না।

অপরদিকে, কর্মচারিদের ৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ২জন। অফিস সহকারি, হিসাব সহকারি ও অফিস সহায়ক পদে দীর্ঘ দিন থেকে কোন কর্মচারি নেই। এর ফলে একদিকে যেমন অফিসিয়াল কাজ করতে আসা শিক্ষকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। পড়ুন>>শুধু পতাকা আর আছে স্কুলের সাইন বোর্ড অথচ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

অন্যদিকে অফিসার সংকটের কারণে নিয়মিতভাবে বিদ্যালয় গুলো পরিদর্শন সম্ভব হচ্ছেনা। তদারকির অভাবে  অনেক প্রতিষ্ঠানে সঠিকভাবে কার্ষক্রম পরিচালিত হচ্ছে না।

বিশেষ করে উপজেলা সদর থেকে দুরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকদের বিলম্বে আগমন করছে। সঠিক সময়ের আগেই প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটি দেয়া হচ্ছে।

এব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা , রংপুর বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মুজাহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমরা অবগত হলাম। পড়ুন>>শিশুদের আদর্শিক হিসেবে গড়ে তুলতে সু শিক্ষার বিকল্প নাই- শিশুবন্ধু মুহাম্মদ আলী

আগামী রোবার ঢাকায় মিটিং আছে। বিষয়টি ঐ মিটিংয়ে উত্থাপন করা হবে। জেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশাকরা হচ্ছে শীর্ঘই জনবল সংকটের সমাধান হবে ।

Facebook Comments Box