ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুদ্ধ-অস্থিতিশীলতায় জড়ানোর মতো সময় আমাদের নেই: তথ্যমন্ত্রী ১৭ বছরে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে: আবিদ বিশ্ব বাণিজ্যকে ফের ঔপনিবেশিক মডেলে ফেরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: রেহমান সোবহান বিশ্বের রাজনীতিতে বাড়ছে এআই ব্যবহারের প্রবণতা মাদকব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে এসপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ, আটক ১০ বৈশ্বিক ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসন্ন: আলী রীয়াজ বিএনপি টাকা নিয়ে আ.লীগকে মিছিলের সুযোগ দিচ্ছে: এটিএম আজহারুল গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: ৬৭ শ্রমিক উদ্ধার আমরা এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া চলছে: দীনেশ ত্রিবেদী

হুইলচেয়ারের আবেদন প্রতিবন্ধী আব্দুল খালেকের স্ত্রীর

নীলফামারী থেকে তপন দাস
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০২৩ ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

হুইলচেয়ারের আবেদন প্রতিবন্ধী আব্দুল খালেকের স্ত্রীর

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হুইলচেয়ারের আবেদন প্রতিবন্ধী আব্দুল খালেকের স্ত্রীর।

নীলফামারী সদর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড চেতাশাহ রেলঘুন্টি, কুখাপাড়া এলাকার আমিন আলীর ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল খালেক।

 

মোহাম্মদ আব্দুল খালেক এক সময় স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করে। এক সময় দাম্পত্য জীবন শুরু করেন সে, তার দাম্পত্য জীবনে ঘর আলো করে আছে তিন সন্তান ।

কিন্তু হঠাৎ একদিন নেমে এলো তার পরিবারে অন্ধকারের ছায়া, অন্যের বাড়িতে কাজ করতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে ভেঙ্গে যায় তার কোমড়, চুরমার হয়ে যায় তার মেরুদণ্ড ।

এক সময়ের অন্যের বাড়িতে খেটে খাওয়া স্বাভাবিক জীবন যাপন করা আব্দুল খালেক এখন একজন শারিরীক প্রতিবন্ধী।

তিন সন্তানের এই জনক দিন কাটাচ্ছে এখন শুধু বিছানায় শুয়ে , অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাচ্ছে খালেকের স্ত্রী মোছাম্মদ মুক্তা বানু।

অনেক জায়গায় চিকিৎসা করে ফিরে পায়নি আর আগের মতো স্বাভাবিক জীবন, দাম্পত্য জীবনে জমিয়ে রাখা সব অর্থ শেষ করে ও হয়ে উঠতে পারে নি সুস্থ । এখন কষ্টে দিন কাটাচ্ছে আব্দুর খালেক এবং তার পরিবার অন্যের বাড়িতে কাজ করে আনা অর্থে কোন রকমে চলছে তার পরিবার দিতে পারছে তার সন্তানদের ভালো পোশাক, খাওয়াতে পারছে না ভালো কোন খাবার কোন রকমে চলছে তার পরিবার।

এবিষয়ে আব্দুল খালেকের স্ত্রী মুক্তা বেগম বলেন আমরা আগে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলাম কিন্তু হঠাৎ একদিন তিনি অন্যের বাড়িতে গাছ কাটতে গেলে গাছ থেকে পড়ে তার কোমড় এবং মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যায় অনেক চিকিৎসা করেও তাকে সুস্থ করে তুলতে পারিনি ।

এখন ওনি শুধু বিছানায় শুয়ে থাকেন করতে পারেন না হাটা চলা বেছানায় সবকিছু করে।

আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করে যা পাই তাতে এখন আমার সংসার চলছে। বাচ্চাদের ভালো কিছু খাওয়াতে বা ভালো কিছু কিনে দিতে পারছি। তাই কেউ যদি আমার স্বামীকে একটি হুইলচেয়ার দিয়ে সাহায্য করে তাহলে আমার স্বামী একটু স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে।

এ কথা বলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এদিকে আব্দুল খালেকের কথা বলায় সমস্যা হওয়ায় তার সাথে কথা বলা যায় নি ।

তবে স্থানীয় কয়েকজন বলেন আব্দুল খালেক একজন ভালো ছেলে সে সবার সাথে মিশত সবার কথা রাখতো কিন্তু হঠাৎ এমন একটি ঘটনার শিকার হবে আমরা তা কল্পনা ও করতে পারি না সে হাটা চলা করতে পারে না প্রায় ৫ বছর হলো কেউ তাকে একটি হুউল চেয়ার ও দেয়নি বা কেউ তাকে নগদ অর্থ দিয়ে ও সাহায্য করেনি।

এবিষয়ে উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এর সাথে কথা বলার জন্য চেষ্টা করা হলে ও তার সাথে কথা বলা যায় নি ।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হুইলচেয়ারের আবেদন প্রতিবন্ধী আব্দুল খালেকের স্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৮:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০২৩

হুইলচেয়ারের আবেদন প্রতিবন্ধী আব্দুল খালেকের স্ত্রীর।

নীলফামারী সদর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড চেতাশাহ রেলঘুন্টি, কুখাপাড়া এলাকার আমিন আলীর ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল খালেক।

 

মোহাম্মদ আব্দুল খালেক এক সময় স্বাভাবিক ভাবে জীবন যাপন করে। এক সময় দাম্পত্য জীবন শুরু করেন সে, তার দাম্পত্য জীবনে ঘর আলো করে আছে তিন সন্তান ।

কিন্তু হঠাৎ একদিন নেমে এলো তার পরিবারে অন্ধকারের ছায়া, অন্যের বাড়িতে কাজ করতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে ভেঙ্গে যায় তার কোমড়, চুরমার হয়ে যায় তার মেরুদণ্ড ।

এক সময়ের অন্যের বাড়িতে খেটে খাওয়া স্বাভাবিক জীবন যাপন করা আব্দুল খালেক এখন একজন শারিরীক প্রতিবন্ধী।

তিন সন্তানের এই জনক দিন কাটাচ্ছে এখন শুধু বিছানায় শুয়ে , অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাচ্ছে খালেকের স্ত্রী মোছাম্মদ মুক্তা বানু।

অনেক জায়গায় চিকিৎসা করে ফিরে পায়নি আর আগের মতো স্বাভাবিক জীবন, দাম্পত্য জীবনে জমিয়ে রাখা সব অর্থ শেষ করে ও হয়ে উঠতে পারে নি সুস্থ । এখন কষ্টে দিন কাটাচ্ছে আব্দুর খালেক এবং তার পরিবার অন্যের বাড়িতে কাজ করে আনা অর্থে কোন রকমে চলছে তার পরিবার দিতে পারছে তার সন্তানদের ভালো পোশাক, খাওয়াতে পারছে না ভালো কোন খাবার কোন রকমে চলছে তার পরিবার।

এবিষয়ে আব্দুল খালেকের স্ত্রী মুক্তা বেগম বলেন আমরা আগে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছিলাম কিন্তু হঠাৎ একদিন তিনি অন্যের বাড়িতে গাছ কাটতে গেলে গাছ থেকে পড়ে তার কোমড় এবং মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যায় অনেক চিকিৎসা করেও তাকে সুস্থ করে তুলতে পারিনি ।

এখন ওনি শুধু বিছানায় শুয়ে থাকেন করতে পারেন না হাটা চলা বেছানায় সবকিছু করে।

আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করে যা পাই তাতে এখন আমার সংসার চলছে। বাচ্চাদের ভালো কিছু খাওয়াতে বা ভালো কিছু কিনে দিতে পারছি। তাই কেউ যদি আমার স্বামীকে একটি হুইলচেয়ার দিয়ে সাহায্য করে তাহলে আমার স্বামী একটু স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে।

এ কথা বলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এদিকে আব্দুল খালেকের কথা বলায় সমস্যা হওয়ায় তার সাথে কথা বলা যায় নি ।

তবে স্থানীয় কয়েকজন বলেন আব্দুল খালেক একজন ভালো ছেলে সে সবার সাথে মিশত সবার কথা রাখতো কিন্তু হঠাৎ এমন একটি ঘটনার শিকার হবে আমরা তা কল্পনা ও করতে পারি না সে হাটা চলা করতে পারে না প্রায় ৫ বছর হলো কেউ তাকে একটি হুউল চেয়ার ও দেয়নি বা কেউ তাকে নগদ অর্থ দিয়ে ও সাহায্য করেনি।

এবিষয়ে উক্ত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এর সাথে কথা বলার জন্য চেষ্টা করা হলে ও তার সাথে কথা বলা যায় নি ।

 

Facebook Comments Box