ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থনৈতিক উৎকর্ষে বহুজাতিক কোম্পানির চেয়ে কৌশলী ব্যবস্থার গুরুত্ব

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

অর্থনৈতিক উৎকর্ষে বহুজাতিক কোম্পানির চেয়ে কৌশলী ব্যবস্থার গুরুত্ব

 

সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক কৌশলের পরবর্তী ধাপে কেবল বড় বহুজাতিক কোম্পানি গড়ে তোলার ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে এমন একটি শক্তিশালী ও সমন্বিত অর্থনৈতিক পরিকাঠামো তৈরির ওপর জোর দেওয়া উচিত, যার ফলে বৈশ্বিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সিঙ্গাপুরকে এড়িয়ে চলা কঠিন হয়ে পড়বে।

অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রতিটি খাতে বড় স্থানীয় কর্পোরেশন তৈরি করা একমাত্র পথ নয়। বরং ডিপ-টেক বা গভীর প্রযুক্তি উদ্ভাবন, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বা ‘পেশেন্ট ক্যাপিটাল’ এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় স্থানীয় ছোট ও মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠানগুলোকে (এসএমই) অপরিহার্য অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।

 

পড়ুন>>নয়াদিল্লিতে নতুন হাইকমিশনারের অনুমোদন ঝুলে থাকায় বেড়েছে কূটনৈতিক জটিলতা

বিশ্বব্যাপী পরিচিত বিশাল সিঙ্গাপুরীয় কোম্পানির সংখ্যা কম—এমন সমালোচনার বিপরীতে বিশেষজ্ঞদের মত হলো, এইএম হোল্ডিংস বা মাইক্রো-মেকানিক্সের মতো স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। এই ধরনের কোম্পানিগুলো নির্দিষ্ট প্রযুক্তি বা বিশেষ শিল্পখাতে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সফলতার মাপকাঠি হিসেবে কেবল বিশ্বমানের বড় কোম্পানি তৈরির ধারণার পরিবর্তন করা জরুরি। এর বদলে আন্তর্জাতিক কোম্পানির উৎপাদন ও সরবরাহ নেটওয়ার্কে স্থানীয় এসএমই, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সিঙ্গাপুরের অপরিহার্যতা বৃদ্ধিতে মনোযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অর্থনৈতিক উৎকর্ষে বহুজাতিক কোম্পানির চেয়ে কৌশলী ব্যবস্থার গুরুত্ব

আপডেট সময় : ১১:১৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

অর্থনৈতিক উৎকর্ষে বহুজাতিক কোম্পানির চেয়ে কৌশলী ব্যবস্থার গুরুত্ব

 

সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক কৌশলের পরবর্তী ধাপে কেবল বড় বহুজাতিক কোম্পানি গড়ে তোলার ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে এমন একটি শক্তিশালী ও সমন্বিত অর্থনৈতিক পরিকাঠামো তৈরির ওপর জোর দেওয়া উচিত, যার ফলে বৈশ্বিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সিঙ্গাপুরকে এড়িয়ে চলা কঠিন হয়ে পড়বে।

অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রতিটি খাতে বড় স্থানীয় কর্পোরেশন তৈরি করা একমাত্র পথ নয়। বরং ডিপ-টেক বা গভীর প্রযুক্তি উদ্ভাবন, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বা ‘পেশেন্ট ক্যাপিটাল’ এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় স্থানীয় ছোট ও মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠানগুলোকে (এসএমই) অপরিহার্য অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।

 

পড়ুন>>নয়াদিল্লিতে নতুন হাইকমিশনারের অনুমোদন ঝুলে থাকায় বেড়েছে কূটনৈতিক জটিলতা

বিশ্বব্যাপী পরিচিত বিশাল সিঙ্গাপুরীয় কোম্পানির সংখ্যা কম—এমন সমালোচনার বিপরীতে বিশেষজ্ঞদের মত হলো, এইএম হোল্ডিংস বা মাইক্রো-মেকানিক্সের মতো স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। এই ধরনের কোম্পানিগুলো নির্দিষ্ট প্রযুক্তি বা বিশেষ শিল্পখাতে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সফলতার মাপকাঠি হিসেবে কেবল বিশ্বমানের বড় কোম্পানি তৈরির ধারণার পরিবর্তন করা জরুরি। এর বদলে আন্তর্জাতিক কোম্পানির উৎপাদন ও সরবরাহ নেটওয়ার্কে স্থানীয় এসএমই, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সিঙ্গাপুরের অপরিহার্যতা বৃদ্ধিতে মনোযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

 

 

Facebook Comments Box