রাজিবপুরে ৫ মাসেও বিতরণ হয়নি ভিজিডির চাউল
- আপডেট সময় : ০৬:২৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩ ১৮১ বার পড়া হয়েছে
কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে ভিজিডি কার্ডের অনিয়ম ও দূর্নীতির কারণে ৫ মাসেও ভিজিডির চাউল বিতরণ হয়নি।
ভিজিডি চাউল দুস্থ নারীদের উন্নয়নের জন্য ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় খাদ্য বিতরণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু অনিয়ম আর দূর্নীতির কারনে ৪ মাস গত হয়ে ৫ মাসেও ভিজিডির চাল বিতরণ করতে পারেনি রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ ও মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ ।
উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান মিরন মোঃ ইলিয়াস ও মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন।
রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন ও মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের সুবিধাভোগীরা ঈদুল ফিতরে ভিজিডির চাল না পেয়ে ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ।
শুধু তাই নয় বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে গরিব উপজেলা এটি এই এলাকার মানুষ হতদরিদ্র সীমার শীর্ষে ঈদের সামনে ভিজিডির চাল না পেয়ে সুবিধাভোগীরা চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় দুস্থ ও অসহায় শারীরিক সক্ষম নারীদের স্থায়ী উন্নয়নের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি তাদের আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে ভিজিডি কর্মসূচি চালু করা হয়।
এই কর্মসূচির আওতায় তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে আত্মনির্ভরশীল করার উদ্যোগ নেয়া হয়।
কিন্তু এসব দুস্থ নারীর অসহায়ত্বের বিষয়টি জানা সত্ত্বেও ইউপি চেয়ারম্যান নানা অজুহাত দিয়ে তাদের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যসামগ্রী ৫ মাস যাবৎ বিতরণ না করে নিজেদের স্বার্থে মেতে উঠেছেন । চেয়ারম্যানের এহেন কাণ্ডে সুবিধাভোগীদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের দুস্থ ও অসহায় নারীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, সরকার আমাদের খাদ্য সহায়তার জন্য ভিজিডির চাউল বরাদ্দ দিয়েছেন।
কিন্তু সেই চাউল দুস্থ ও অসহায় নারীদের মাঝে বিতরণ করছে না। এটা অমানবিক। আমরা এখন খাদ্য সংকটে ভুগছি।
এ ব্যাপারে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মিরন মোহাম্মদ ইলিয়াস এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এ সপ্তাহের মধ্যেই ভিজিডির চাউল বিতরণ শুরু হবে।
ভিজিডির চাল বিতরণ না করার বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ভিজিডি কার্ডের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভাল জানেন, আপনারা ইউ এন ও এর সাথে যোগাযোগ করেন, কারণ ভিজিডি কার্ডের সমস্ত দায় দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ।
রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্তীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ায় আমি ১২ সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছিলাম।
সেই তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমা হওয়ার পরও চেয়ারম্যান কে আমি বারবার ভিজিডির চাউল বিতরণের জন্য তাগিদ দিয়েছি। কিন্তু সে আমার তাগিদকে অমান্য করেছে ।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























