ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে মহিলা উন্নয়ন সংস্থা গ্রাহকের ২ কোটি টাকা নিয়ে উধাও

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৩৯৭ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে মহিলা উন্নয়ন সংস্থা গ্রাহকের ২ কোটি টাকা নিয়ে উধাও

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাগমারা(রাজশাহী) থেকে বেল্লাল হোসেন বাবু, :বাগমারায় মহিলা উন্নয়ন সংস্থা (মৈত্রী) নামে একটি এনজিও গ্রাহকদের দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ করে উধাও হয়ে গেছে। মঙ্গলবার(৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন প্রতারিত গ্রাহকরা ।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত মাসে বাগমারার উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জ পৌরসভার চাঁনপাড়া মহল্লায় বশার হিমাগারের পাশে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে কয়েকজন প্রতারক মহিলা উন্নয়ন সংস্থা (মৈত্রী) নামে একটি এনজিও’র সাইন বোর্ড (এম আর এ সনদ নং- ০০১৮০-০০৬৭৯/২০০২/১৯৮৮) ঝুলিয়ে দিয়ে ঋণ প্রদানের নামে সদস্য সংগ্রহ শুরু করেন।মাত্র এক মাসের ব্যবধানে তারা বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে ঋণ প্রদানের প্রলোভন দিয়ে পাঁচ শতাধিক সদস্য সংগ্রহ করে। পাঁচ শতাধিক গ্রাহকের কাছে জামানত প্রায় দুই কোটি টাকা জামানত নিয়ে সটকে পড়ে।

ওই প্রতারক চক্র গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের খাজুর গ্রামের মালেকা বেগমের কাছ থেকে ২০ হাজার, বেলি খাতুনের কাছে থেকে ১০ হাজার, আউচপাড়া ইউনিয়নের খুজিপুর গ্রামের নাসিমা বেগমের কাছ থেকে ২৫ হাজার, আউচপাড়া গ্রামের সালাম ও কমেলা ৮ হাজার, জাবের আলী ৮ হাজার, এমাজ ১০ হাজার, আজিজুল ৯ হাজার, আনসার ৫ হাজার অভ্যাগতপাড়া গ্রামের মুন্টু, মানিক ও মোমেনা বিবির কাছে থেকে ঋণ দেয়ার প্রলোভন দিয়ে জামানত বাবদ ১০ হাজার করে টাকা নিয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।

এভাবে কয়েকটি ইউনিয়নের পাঁচ শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ঋণের জন্য ১০ হাজার আর দুই লাখের জন্য ২০ হাজার করে টাকা জামানত নিয়েছে ওই প্রতারক চক্র। মঙ্গলবার তাদেরকে ঋণ দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সকাল ১০ টার দিকে গ্রাহকরা ঋণ নিতে এসে দেখেন সোমবার রাতে অফিসের সব আসবাবপত্র নিয়ে উধাও হয়ে গেছে ওই এনজিওর কর্মীরা।

উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, এ নামে কোনো সমিতি কিংবা এনজিও’র নিবন্ধন দেয়া হয়নি। একটি প্রতারক চক্র বাইরে থেকে এসে ভূয়া এনজিও’র নাম ব্যবহার করে গ্রাহকদের ধোকা দিয়ে দুই কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম বলেন, ওই প্রতারক চক্রকে ধরার জন্য থানার ওসিকে লিখিতভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে মহিলা উন্নয়ন সংস্থা গ্রাহকের ২ কোটি টাকা নিয়ে উধাও

আপডেট সময় : ০৮:১৫:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

বাগমারা(রাজশাহী) থেকে বেল্লাল হোসেন বাবু, :বাগমারায় মহিলা উন্নয়ন সংস্থা (মৈত্রী) নামে একটি এনজিও গ্রাহকদের দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ করে উধাও হয়ে গেছে। মঙ্গলবার(৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন প্রতারিত গ্রাহকরা ।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত মাসে বাগমারার উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জ পৌরসভার চাঁনপাড়া মহল্লায় বশার হিমাগারের পাশে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে কয়েকজন প্রতারক মহিলা উন্নয়ন সংস্থা (মৈত্রী) নামে একটি এনজিও’র সাইন বোর্ড (এম আর এ সনদ নং- ০০১৮০-০০৬৭৯/২০০২/১৯৮৮) ঝুলিয়ে দিয়ে ঋণ প্রদানের নামে সদস্য সংগ্রহ শুরু করেন।মাত্র এক মাসের ব্যবধানে তারা বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে ঋণ প্রদানের প্রলোভন দিয়ে পাঁচ শতাধিক সদস্য সংগ্রহ করে। পাঁচ শতাধিক গ্রাহকের কাছে জামানত প্রায় দুই কোটি টাকা জামানত নিয়ে সটকে পড়ে।

ওই প্রতারক চক্র গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের খাজুর গ্রামের মালেকা বেগমের কাছ থেকে ২০ হাজার, বেলি খাতুনের কাছে থেকে ১০ হাজার, আউচপাড়া ইউনিয়নের খুজিপুর গ্রামের নাসিমা বেগমের কাছ থেকে ২৫ হাজার, আউচপাড়া গ্রামের সালাম ও কমেলা ৮ হাজার, জাবের আলী ৮ হাজার, এমাজ ১০ হাজার, আজিজুল ৯ হাজার, আনসার ৫ হাজার অভ্যাগতপাড়া গ্রামের মুন্টু, মানিক ও মোমেনা বিবির কাছে থেকে ঋণ দেয়ার প্রলোভন দিয়ে জামানত বাবদ ১০ হাজার করে টাকা নিয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।

এভাবে কয়েকটি ইউনিয়নের পাঁচ শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ঋণের জন্য ১০ হাজার আর দুই লাখের জন্য ২০ হাজার করে টাকা জামানত নিয়েছে ওই প্রতারক চক্র। মঙ্গলবার তাদেরকে ঋণ দেওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু সকাল ১০ টার দিকে গ্রাহকরা ঋণ নিতে এসে দেখেন সোমবার রাতে অফিসের সব আসবাবপত্র নিয়ে উধাও হয়ে গেছে ওই এনজিওর কর্মীরা।

উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, এ নামে কোনো সমিতি কিংবা এনজিও’র নিবন্ধন দেয়া হয়নি। একটি প্রতারক চক্র বাইরে থেকে এসে ভূয়া এনজিও’র নাম ব্যবহার করে গ্রাহকদের ধোকা দিয়ে দুই কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদা খানম বলেন, ওই প্রতারক চক্রকে ধরার জন্য থানার ওসিকে লিখিতভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box