মান্দায় নিয়োগের আগেই অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৯:০২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০২৩ ২৬৩ বার পড়া হয়েছে
নওগাঁর মান্দায় নিয়োগের আগেই অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ
মান্দায় নিয়োগের আগেই অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগের আগেই পছন্দের প্রার্থীদের নিকট থেকে অর্থ বাণিজ্যে করছেন এমন অভিযোগ উঠেছে উপজেলার বৈদ্যপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এনামুল হকের বিরুদ্ধে।
এমন অভিযোগ এনে রবিউল ইসলাম বুলেট নামে এক ভূক্তভোগী রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক আঞ্চলিক অফিস, জেলা শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভূক্তভোগী রবিউল ইসলাম বুলেট উপজেলার ভালাইন ইউপির লক্ষীরামপুর গ্রামের মকবুল হোসেন সোনারের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, গত ৩রা মার্চ সরকারি বিধি মোতাবেক উপজেলার বৈদ্যপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা কর্মী,পরিচ্ছন্নতাকর্মী, আয়া,নৈশ প্রহরী ও কম্পিউটার ল্যাব অপারেট পদে স্থানীয় দৈনিক করতোয়া ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।
উক্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ভূক্তভোগী রবিউল ইসলাম বুলেট কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর পদে আবেদন করেন।
আবেদনের ৬ কার্যদিবস পর অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি মহোদয় শর্তসাপেক্ষে চাকরি দেওয়ার কথা জানান। শর্তানুযায়ী রবিউল ইসলাম বুলেট প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কল্পে ১২ লক্ষ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়।
চুক্তিবদ্ধের কয়েকদিন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি মহোদয়কে ৬ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। এর কিছুদিন পর প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সভাপতি বাঁকী ৬ লক্ষ টাকার পরিবর্তে আরো ৪ লক্ষ অতিরিক্ত নিয়ে মোট ১০ লক্ষ টাকা দাবী করেন।
তাদের দাবী টাকা দিতে রাজি না হলে অন্যজনকে চাকরি দিয়ে দিবেন বলে তাকে তারা জানান। তখন ভূক্তভোগী রবিউল ইসলাম বুলেট নিরুপায় হয়ে তার দেওয়া ৬ লক্ষ টাকা ফেরত চান।টাকা না দিবে না মর্মে প্রধান শিক্ষিক ও সভাপতি মহোদয় টালবাহানা শুরু করেন।
তখন নিরুপায় ভূক্তভোগী বিভিন্ন দপ্তরে তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভূক্তভোগী রবিউল ইসলাম বুলেট সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সভাপতির আচরণ সন্তোষজনক না হওয়ায় তার দেওয়া ৬ লক্ষ টাকা ফেরতসহ সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে নিয়োগ প্রদানের দাবী জানিয়ে অভিযোগ করার কথা জানান তিনি।
এঘটনায় বৈদ্যপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এনামুল হকের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।
এমনকি প্রতিষ্ঠানে গিয়েও তাদের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি। এজন্য তাদের মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে নওগাঁ জেলার শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে, অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, বাহিরে আছি অফিসে গিয়ে অভিযোগ পর্যালোচনা করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























