বেদে পল্লীর কুঁড়েঘরে এসি-সিসিটিভি: নেপথ্যে মাদক সিন্ডিকেটের অভিযোগ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
বেদে পল্লীর কুঁড়েঘরে এসি-সিসিটিভি: নেপথ্যে মাদক সিন্ডিকেটের অভিযোগ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

বেদে পল্লীর কুঁড়েঘরে এসি-সিসিটিভি: নেপথ্যে মাদক সিন্ডিকেটের অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
বেদে পল্লীর কুঁড়েঘরে এসি-সিসিটিভি: নেপথ্যে মাদক সিন্ডিকেটের অভিযোগ

 

 

 

 

বেদে পল্লীর কুঁড়েঘরে এসি-সিসিটিভি: নেপথ্যে মাদক সিন্ডিকেটের অভিযোগ

 

 

 

বাইরে থেকে দেখলে সাধারণ একটি ঝুপড়ি ঘর। কিন্তু ভেতরে ঢুকলেই মিলবে অভিযোগ উঠেছে।

 

 

 

স্থানীয়দের দাবি, ওই ঘরের নিয়ন্ত্রক ববিতা আক্তার সুমাইয়া (৩৫) নামের এক নারী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, একসময় আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের সহায়তায় ব্যবসা শুরু করলেও বর্তমানে বিএনপির কিছু নেতার ছত্রছায়ায় তিনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

পড়ুন>>আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস

 

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাহ্যিকভাবে সাধারণ কুঁড়েঘর মনে হলেও ভেতরে স্থাপন করা হয়েছে বিলাসবহুল এয়ারকন্ডিশন (এসি)।

 

 

 

 

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ক্রেতাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য পুরো আস্তানাজুড়ে বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামের

 

 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে এই আস্তানা থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবাধে মাদক বিক্রি করা হচ্ছে। এর ফলে এলাকার ছাত্র ও যুবসমাজ মাদকের ভয়াবহ প্রভাবে বিপথগামী হচ্ছে। তারা এই সিন্ডিকেটের নেপথ্যের গডফাদারদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং অবৈধ আস্তানা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন।

 

পড়ুন>>ডিমলায় সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিক বাবার মৃত্যু

 

 

চাটখিল পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বি কে হানিফ বলেন, “একজন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে পুলিশ, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও সাধারণ মানুষ সবাই অসহায়। পুলিশ বা বহিরাগত কারও উপস্থিতি টের পেলেই তারা দলবদ্ধভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বেরিয়ে আসে। ববিতার ক্ষমতার উৎস খুঁজে বের করতে হবে এবং যারা তাকে পেছন থেকে সহায়তা দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।”

 

 

 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ববিতা আক্তার সুমাইয়ার বিরুদ্ধে থানায় সাতটি মাদক মামলা রয়েছে। তিনি অন্তত ছয়বার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে প্রতিবারই জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাকে আটক করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও স্থানীয়রা হামলার শিকার হয়েছেন বলেও জানায় পুলিশ।

আরও পড়ুন>>১৪ জুন রবিবার: আজ মাঠে গড়াচ্ছে ‘ই’ ও ‘এফ’ গ্রুপের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ

 

 

এ বিষয়ে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, “তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। সম্প্রতি তাকেও আটক করা হয়েছিল। তবে তার এমন বিলাসবহুল জীবনযাপনের বিষয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য ছিল না।”

 

 

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর অভিযান চালিয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন।

 

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!