ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ বাড়াতে ২০ উদ্যোগের সাতটি বাস্তবায়ন ইসির সঙ্গে নেপাল নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদলের বৈঠক শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও অস্থিরতায় উত্তপ্ত ফ্রান্স: সমাধান খুঁজছে সরকার রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে পদত্যাগপত্রে বাধ্য করার ঘটনায় টানা ৪৩ ম্যাচে অপরাজিত থেকেও তৃপ্ত নন স্পেন কোচ ময়মনসিংহে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ঐতিহ্যের সাক্ষী ‘ঝলমল’ সিনেমা হল বুয়েটে ২৪টি পদে জনবল নিয়োগ: বেতন সর্বোচ্চ ৩০,২৩০ টাকা কাতারে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি জম্মু-কাশ্মীর থেকে ১৫০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে ভারত গোপন নথি পাচারের অভিযোগে জার্মানির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান গ্রেপ্তার

বিনিয়োগ বাড়াতে ২০ উদ্যোগের সাতটি বাস্তবায়ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা, বিনিয়োগকারীদের সেবা সহজতর করা এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৬ মার্চ ২০টি বিশেষ উদ্যোগ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে সাতটি উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) নাহিয়ান রহমান রোচি জানান, এই কার্যক্রমকে মূলত অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিনিয়োগ সহায়তা এবং বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচন—এই তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সেসময় বলেছিলেন, ‘বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের যে লক্ষ্য, এই পরিকল্পনা তারই অংশ। আমরা বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে অবকাঠামো, সেবার মান এবং সম্ভাবনাময় বিনিয়োগের পাইপলাইন তৈরিতে গুরুত্ব দিয়েছি।

বাস্তবায়িত উদ্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ৫৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প। এরই মধ্যে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে এবং এপিএম টার্মিনালস ২০৩০ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এটি চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা প্রায় ৪৪ শতাংশ বাড়বে এবং সাত শতাধিক প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, যা চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি) বাস্তবায়ন করছে। ২০২৮ সালের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করা এই শিল্পাঞ্চলে এক লাখেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের আশা করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে – চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল, চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল, বন্দরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম, সমন্বিত বিনিয়োগসেবা এবং বিদেশি বিনিয়োগে নতুন প্রণোদনা। তবে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে।’। এটি চালু হলে ৭০০’র বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হবে।

বন্দরের কার্যক্রমে গতি আনতে চব্বিশ ঘণ্টা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যার ফলে কাস্টমস ও ব্যাংকিং সেবা এখন নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি বিডা, বেজা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রম একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ গঠন করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান-স্টপ সেবা নিশ্চিত করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষর বিনিয়োগ আকর্ষণে আরেকটি বড় সাফল্য, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাবে।

প্রধান প্রকল্প ও লক্ষ্যমাত্রা

  • লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল: ৫৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন লক্ষ্য।
  • চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল: ২০২৮ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় থাকা এ প্রকল্পে এক লাখেরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা।
  • বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল: ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ চালুর লক্ষ্য, যা বার্ষিক কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ৫ লাখ টনে উন্নীত করবে।

নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনার জন্য ইনভেস্ট বাংলাদেশ প্রায় ১৩০ কোটি ডলারের একটি পাইপলাইন তৈরি করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে রয়েছে। দেশভিত্তিক সম্ভাব্য বিনিয়োগের তালিকায় চীন থেকে ৬০ কোটি, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩০ কোটি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ কোটি এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০ কোটি ডলার আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া এফডিআই হিটম্যাপের মাধ্যমে ওষুধশিল্প, টেক্সটাইল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রকল্পটির বিনিয়োগ পাইপলাইনের পরিমাণ প্রায় ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ইতিমধ্যে সক্রিয় রয়েছে।

সংলাপ ও প্রণোদনা

  • প্রধানমন্ত্রী-ব্যবসায়ী সংলাপ: ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের তোলা ২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টি ইতিমধ্যে সমাধান হয়েছে, যা প্রায় ৭৫ শতাংশ অগ্রগতির প্রতিফলন।
  • বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা: বিনিয়োগ ইক্যুইটির ১.২৫ শতাংশ সমপরিমাণ প্রণোদনা দেওয়ার কর্মসূচি অনুমোদিত হয়েছে, যা আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চালু হবে।

বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের সমস্যা যেমন অবকাঠামোর ঘাটতি ও আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা কাটাতে ১৪ দিনের ‘বিজনেস রেডিনেস প্যাকেজ’ তৈরির কাজ চলছে। পাশাপাশি, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে ১০ হাজার একরের বেশি জমিতে ৪৪টি বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে পোর্টফোলিও তৈরির প্রক্রিয়া চলমান। এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সম্পৃক্ততা দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। অবশিষ্ট ১৩টি উদ্যোগও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের বিভিন্ন স্তরে রয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগনির্ভর শিল্পায়নে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিনিয়োগ বাড়াতে ২০ উদ্যোগের সাতটি বাস্তবায়ন

আপডেট সময় : ০৩:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা, বিনিয়োগকারীদের সেবা সহজতর করা এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৬ মার্চ ২০টি বিশেষ উদ্যোগ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ইতিমধ্যে সাতটি উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) নাহিয়ান রহমান রোচি জানান, এই কার্যক্রমকে মূলত অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিনিয়োগ সহায়তা এবং বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচন—এই তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সেসময় বলেছিলেন, ‘বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের যে লক্ষ্য, এই পরিকল্পনা তারই অংশ। আমরা বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে অবকাঠামো, সেবার মান এবং সম্ভাবনাময় বিনিয়োগের পাইপলাইন তৈরিতে গুরুত্ব দিয়েছি।

বাস্তবায়িত উদ্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ৫৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প। এরই মধ্যে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে এবং এপিএম টার্মিনালস ২০৩০ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এটি চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা প্রায় ৪৪ শতাংশ বাড়বে এবং সাত শতাধিক প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, যা চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি) বাস্তবায়ন করছে। ২০২৮ সালের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করা এই শিল্পাঞ্চলে এক লাখেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের আশা করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে – চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল, চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল, বন্দরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম, সমন্বিত বিনিয়োগসেবা এবং বিদেশি বিনিয়োগে নতুন প্রণোদনা। তবে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে।’। এটি চালু হলে ৭০০’র বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হবে।

বন্দরের কার্যক্রমে গতি আনতে চব্বিশ ঘণ্টা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যার ফলে কাস্টমস ও ব্যাংকিং সেবা এখন নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি বিডা, বেজা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) কার্যক্রম একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ গঠন করা হয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ান-স্টপ সেবা নিশ্চিত করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষর বিনিয়োগ আকর্ষণে আরেকটি বড় সাফল্য, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাবে।

প্রধান প্রকল্প ও লক্ষ্যমাত্রা

  • লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল: ৫৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন লক্ষ্য।
  • চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল: ২০২৮ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় থাকা এ প্রকল্পে এক লাখেরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা।
  • বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল: ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ চালুর লক্ষ্য, যা বার্ষিক কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ৫ লাখ টনে উন্নীত করবে।

নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনার জন্য ইনভেস্ট বাংলাদেশ প্রায় ১৩০ কোটি ডলারের একটি পাইপলাইন তৈরি করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর্যায়ে রয়েছে। দেশভিত্তিক সম্ভাব্য বিনিয়োগের তালিকায় চীন থেকে ৬০ কোটি, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩০ কোটি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ কোটি এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০ কোটি ডলার আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া এফডিআই হিটম্যাপের মাধ্যমে ওষুধশিল্প, টেক্সটাইল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রকল্পটির বিনিয়োগ পাইপলাইনের পরিমাণ প্রায় ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ইতিমধ্যে সক্রিয় রয়েছে।

সংলাপ ও প্রণোদনা

  • প্রধানমন্ত্রী-ব্যবসায়ী সংলাপ: ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের তোলা ২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টি ইতিমধ্যে সমাধান হয়েছে, যা প্রায় ৭৫ শতাংশ অগ্রগতির প্রতিফলন।
  • বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা: বিনিয়োগ ইক্যুইটির ১.২৫ শতাংশ সমপরিমাণ প্রণোদনা দেওয়ার কর্মসূচি অনুমোদিত হয়েছে, যা আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চালু হবে।

বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের সমস্যা যেমন অবকাঠামোর ঘাটতি ও আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা কাটাতে ১৪ দিনের ‘বিজনেস রেডিনেস প্যাকেজ’ তৈরির কাজ চলছে। পাশাপাশি, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের অধীনে ১০ হাজার একরের বেশি জমিতে ৪৪টি বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে পোর্টফোলিও তৈরির প্রক্রিয়া চলমান। এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সম্পৃক্ততা দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। অবশিষ্ট ১৩টি উদ্যোগও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের বিভিন্ন স্তরে রয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগনির্ভর শিল্পায়নে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

Facebook Comments Box