ফেলানী হত্যার ১৪ বছরেও বিচার পায়নি পরিবার
- আপডেট সময় : ০৯:০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫ ২২০ বার পড়া হয়েছে
ফেলানী হত্যার ১৪ বছরেও বিচার পায়নি পরিবার
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের দক্ষিণ রামখানা কলোনিটারী গ্রামে ফেলানীর জন্ম। ফেলানীর স্বপ্ন আজও ঝুলে আছে ভারতের কাটাতারে। কি অপরাধ ছিলো মেয়ে ফেলানীর আজও প্রশ্ন করেন বাবা নুর ইসলাম।
আজ ৭ জানুয়ারি। সীমান্তে কিশোরী ফেলানী হত্যার ১৪ বছর। ২০১১ সালের এই দিনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় ফেলানী। দীর্ঘ সাড়ে চার ঘণ্টা কাঁটাতারে ঝুলে থাকে ফেলানীর মৃতদেহ।
উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের দক্ষিণ রামখানা কলোনিটারী গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, দিনটি ঘিরে ফেলানীর কবর পরিষ্কারে ব্যস্ত পরিবার।
কথা হয় তার বাবা নুরুল ইসলাম ও মা জাহানারার সঙ্গে। তারা বলেন, ১৪ বছরেও সেদিনের দুঃসহ স্মৃতির কথা ভুলতে পারিনি আমরা। আজও তার আত্মচিৎকারে গভীর রাতে আচমকা ঘুম ভেঙ্গে যায় আমাদের।
পড়ুন>> ভূরুঙ্গামারীতে আসামী ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৬ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার আটক
দু’চোখে অশ্রু ঝরে। মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে মানবাধিকার সংস্থাসহ বহু জনের কাছে গিয়েছি কিন্তু আজও কাঙ্ক্ষিত বিচার পেলাম না।
২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট কোচবিহার জেলার বিএসএফ’র ১৮১ সদরদপ্তরে স্থাপিত জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে ফেলানী হত্যার বিচারকার্য শুরু হয়। ৫ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করে।
মেয়ে ফেলানী হত্যা বিচার না পেয়ে এই দিনে ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম ও মা জাহানারা মেয়ের কবরের পাশে দাড়িয়ে নিজেদের অপরাধী ও ব্যর্থ মনে করে। শুধু তাই নিয় তারা দেশের প্রতিও আক্ষেপ প্রকাশ করে।


























