ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহা-হিসাব নিরীক্ষক কার্যালয়ে ৩৪৭ পদে চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নতুন ট্রাফিক ও সম্পত্তি আইন পাস করল কাতারের শুরা কাউন্সিল শিল্পাঞ্চল ও কেপিআই নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি: মহাপরিচালক সুন্দরবনে দুই বাহিনীর গোলাগুলির ঘটনায় পাঁচ জেলে অপহৃত এআই যেন বেকারত্ব না বাড়ায়, সতর্ক থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মোংলা বন্দর হবে দেশের নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী মুচলেকা দিয়ে আদালত থেকে জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি মানিকগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার: চার ভাইসহ পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ও আটজনের যাবজ্জীবন খুলনায় চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রেল দরপত্র জালিয়াতির তদন্ত নিয়ে গড়িমসি, জানেন না সময়সীমা জিএম

নাগেশ্বরীতে নারী উদ্যেক্তা প্রশিক্ষণে বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারীরাও স্বাবলম্বী

নাগেশ্বরী থেকে মোসলেম উদ্দিন
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৪ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

নাগেশ্বরীতে নারী উদ্যেক্তা প্রশিক্ষণে বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারীরাও স্বাবলম্বী

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাগেশ্বরীতে নারী উদ্যেক্তা প্রশিক্ষণে বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারীরাও স্বাবলম্বী

অবহেলিত গ্রাম- গঞ্জের পিছিয়ে পড়া নারীদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোগক্তা সৃষ্টি ও তাদের অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে বিকাশ সাধন প্রকল্প প্রশংসীত।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় এই সাফল্য আজ সমাজে চোখে পড়ার মতো। জাতীয় মহিলা সংস্থার বাস্তবায়নে ‘তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোগক্তাদের বিকাশ সাধন প্রকল্পটি ৫ বছর মেয়াদি। উপজেলায় চলমান প্রকল্প থেকে প্রায় ৩ হাজার অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত, বিধবা ও প্রতিবন্ধীনারী উপকৃত এবং স্বাবলম্বী হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।

পৌরসভার বাসিন্দা প্রতিবন্ধী আয়শা খাতুন জানায়, ইন্টেরিয়র ডিজাইনের উপর ৮০ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে ১২ হাজার টাকা পেয়ে সে এখন বাড়ীতে বসেই ইন্টেরিয়রের কাজ করে সংসারের হাল ধরেছে।

কচাকাটা ইউনিয়নের ৩ সন্তানের জননী বিধবা শিউলি বেগম বলেন, কি আর কই বাবা দুক্ষের কতা। সোয়ামী মরি যাওয়ার পরে হামলার কুনো কুল-কিনারা আইচলো না। ভাত আন্দাবারির (কাটারিং) প্রশিক্ষণ নিয়া এলা বেটাক দিয়া প্যাকেটোত করি অফিসে অফিসে ভাত বেচে ভালে আছি। অন্যদিকে রামখানার বিএ পাস মুক্তা খাতুন জানায়, সে চাকরির পিছে আর না ঘুরে বিউটিফিকেশনের প্রশিক্ষণ নিয়ে সদরে একটি বিউটি পার্লার খুলেছে। তার আয় মন্দ নয়।

নাগেশ্বরীতে ২০২১ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে। প্রতি অর্ধ বছরে ৫ টি বিষয়ে এখানে প্রশিক্ষণ নেয় প্রায় ১ হাজার জন নারী। ৮০ ও ৪০ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে প্রদান করা হয় ১২ ও ৬ হাজার টাকার চেক।

উপজেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, গ্রামীণ জনপদের নারী উন্নয়নের লক্ষ্যেই এপ্রকল্প। স্বচ্ছতা ও উন্নত প্রশিক্ষণ নিশ্চিতে আমাকে গত ১০ মার্চ ২০২৪ সালে এখানে যোগদান করানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় ও জেলার নির্দেশনায় উত্তম সেবা চেষ্টা করছি। সরকারের এ প্রকল্পে নাগেশ্বরীবাসী কৃতজ্ঞ।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নাগেশ্বরীতে নারী উদ্যেক্তা প্রশিক্ষণে বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারীরাও স্বাবলম্বী

আপডেট সময় : ০৯:২৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৪

নাগেশ্বরীতে নারী উদ্যেক্তা প্রশিক্ষণে বিধবা ও প্রতিবন্ধী নারীরাও স্বাবলম্বী

অবহেলিত গ্রাম- গঞ্জের পিছিয়ে পড়া নারীদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোগক্তা সৃষ্টি ও তাদের অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে বিকাশ সাধন প্রকল্প প্রশংসীত।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় এই সাফল্য আজ সমাজে চোখে পড়ার মতো। জাতীয় মহিলা সংস্থার বাস্তবায়নে ‘তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোগক্তাদের বিকাশ সাধন প্রকল্পটি ৫ বছর মেয়াদি। উপজেলায় চলমান প্রকল্প থেকে প্রায় ৩ হাজার অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত, বিধবা ও প্রতিবন্ধীনারী উপকৃত এবং স্বাবলম্বী হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।

পৌরসভার বাসিন্দা প্রতিবন্ধী আয়শা খাতুন জানায়, ইন্টেরিয়র ডিজাইনের উপর ৮০ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে ১২ হাজার টাকা পেয়ে সে এখন বাড়ীতে বসেই ইন্টেরিয়রের কাজ করে সংসারের হাল ধরেছে।

কচাকাটা ইউনিয়নের ৩ সন্তানের জননী বিধবা শিউলি বেগম বলেন, কি আর কই বাবা দুক্ষের কতা। সোয়ামী মরি যাওয়ার পরে হামলার কুনো কুল-কিনারা আইচলো না। ভাত আন্দাবারির (কাটারিং) প্রশিক্ষণ নিয়া এলা বেটাক দিয়া প্যাকেটোত করি অফিসে অফিসে ভাত বেচে ভালে আছি। অন্যদিকে রামখানার বিএ পাস মুক্তা খাতুন জানায়, সে চাকরির পিছে আর না ঘুরে বিউটিফিকেশনের প্রশিক্ষণ নিয়ে সদরে একটি বিউটি পার্লার খুলেছে। তার আয় মন্দ নয়।

নাগেশ্বরীতে ২০২১ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে। প্রতি অর্ধ বছরে ৫ টি বিষয়ে এখানে প্রশিক্ষণ নেয় প্রায় ১ হাজার জন নারী। ৮০ ও ৪০ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে প্রদান করা হয় ১২ ও ৬ হাজার টাকার চেক।

উপজেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, গ্রামীণ জনপদের নারী উন্নয়নের লক্ষ্যেই এপ্রকল্প। স্বচ্ছতা ও উন্নত প্রশিক্ষণ নিশ্চিতে আমাকে গত ১০ মার্চ ২০২৪ সালে এখানে যোগদান করানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় ও জেলার নির্দেশনায় উত্তম সেবা চেষ্টা করছি। সরকারের এ প্রকল্পে নাগেশ্বরীবাসী কৃতজ্ঞ।

Facebook Comments Box