ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ডোমারে কো অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড গ্রাহকের দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও

ডোমার (নীলফামারী ) থেকে মোসাদ্দেক রহমান সাজূ
  • আপডেট সময় : ০৮:২৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৩ ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

ডোমারে কো অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড গ্রাহকের দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নীলফামারীর ডোমারে কো অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড গ্রাহকের দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও। ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত গ্রাহকেরা।

ডোমারে দুই শতাধিক গ্রাহকের প্রায় দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে আজীজ কো অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড নামে একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠান। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ২ শতাধিক গ্রাহকেরা এই ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জানা গেছে, উপজেলার ডোমার বাজারস্ত হাজী করমআলী সুপার মার্কেটে দোতলায় ভাড়া নিয়ে ২০১৬ সালের আগষ্ট মাসের ২২ তারিখে কো অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড নামে সাইনবোর্ড লাগিয়ে তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।

গ্রাহকদের মধ্যে লাখে মাসে ১১০০/১২০০ টাকা লাভসহ বিভিন্ন আকর্ষনীয় স্কিম দেওয়ার লোভ দেখিয়ে সঞ্চয় নেওয়া শুরু করে।

মার্কেটের মালিকের সংগে করা চুক্তিতে সংস্থাটির নাম লিখা হয় আজীজ কো-অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ক্রেডিট সোসাইটি লিঃ, ডোমারকে ব্যবসায়িক কেন্দ্র বলা হয়,

এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাইনবোর্ডে আজিজ কো- অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড নাম দেখা যায়।

ইংরেজিতে ACCF BANK LTD নাম লিখা হয়। ব্যাংক লেখার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে কোন সন্দেহ দেখা দেয়নি।

এ কারণে গ্রাহকেরা অধিক মুনাফার আশায় মোটা অংকের টাকা সঞ্চয় করে। অল্প সময়েই হাতিয়ে নয় কোটি কোটি টাকা।

বর্তমানে আমানতকারীরা টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এবং এর পাশাপাশি তারা বিভিন্ন পযার্য়ের কর্মকর্তা সহ তাদের মুলহোতাকে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন।

মার্কেটে অবস্থানরত কাশফিয়া চশমা ঘর এর দোকান মালিক কারিমুল ইসলাম চৌধুরী জানান,মাস দেড়েক আগে ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হঠাৎ করে উধাও হয়ে গেছে।

অনেক লোক আসে, জিঙ্গাসা করে, ফিরে যায়। করো এক লক্ষ, কারো দুই লক্ষ, কারো ৫ লক্ষ করে টাকা এই ব্যাংকে তারা জমা রেখেছে।

বোড়াগাড়ী বাজারের প্রিয়াংকা ট্রেড্রাসের ম্যানেজার জয়কেষ্ট জানান, আমি গরীব লোক, আমার ৩৬ হাজার টাকা জমা আছে। প্রতি মাসে তিন হাজার করে ৩৬ হাজার টাকা জমা করেছি। তারা বলেছিল,৬ বছর পরে ডাবল হবে।

আমার কাছে এটা অনেক বড় টাকা। অনেকে কষ্ট করে আমি এই টাকা জমা করেছি। আমার মহাজন প্রদীপ আগর ওয়া ভারতে গেছেন।

উনি তিন হাজার করে চার নামে চারটি ডিপোজিট করেছে। প্রায় ১২ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে। ১১% লাভ দেওয়ার কথা বলেছে। অন্যান্য ব্যাংকের চেয়ে ৩/৪% লাভ বেশী দেওয়ায় আমরা ডিপোজিট করেছি।

তাদের গ্রেফতার করে শাস্তি দেওয়া হউক। আমরা নীলফামারীর ওই ব্যাংকের আরেক শাখাকে বলেছিলাম,তারা ডিমলা শাখাকে বলতে বলেছে।

ডোমার থানা রোডের শাপলা হোমিও হলের হোমিও চিকিৎসক রবীন্দ্রনাথ বর্মন প্রদীপ জানান,আমি দৈনিক এক হাজার করে এক বছরের জমা দিয়েছি।

আমার স্ত্রী আরতী রানী চার লক্ষ টাকা ফিক্স ডিপোজিট ৫ বছরের জন্য করেছে।গত নভেম্বরে ২৩ তারিখে ৫ বছর পূর্ন হয়। আমার শালিকা চামেলী রানী দুই লক্ষ ৫০ হাজার ফিক্সড ডিপোজিট তিন বছরের জন্য করেছি।

ডোমার থানা রোডের মেসার্স এস কে ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সঞ্জিত কুমার আগরওয়ালা জানান,দুই লক্ষ ৯০ হাজার টাকা জমা ছিল। প্রতি মাসে জমা দিতাম ১০ হাজার টাকা।

কাকী গায়িত্রি দেবী আতরওয়ালার আছে ৬ লক্ষ টাকা। চার মাস আগেই ম্যাচিউড হয়ে গেছে।

হাজী করম আলী সুপার মার্কটের মালিক আব্দুল সালেক জানান,২০১৬ সালে ফেব্রুয়ারিতে দোতালায় অফিসের জন্য ভাড়া নেয় ব্যাংকটি। ৫ বছরের জন্য চুক্তি করে।

প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা। ৫ বছর ২০% বেড়ে ৮ হাজার ৫ শত টাকা। জানুয়ারী ২৩ (২০২৩) তারিখ থেকে তারা গা ঢাকা দেয়। আমারও তিন লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট আছে।

আজীজ কো- অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ক্রেডিড সোসাইটি লিঃ ডিমলা শাখার জোনাল ম্যানেজার ইব্রাহিম হোসেন জানান, জেলা থেকে আমাদের কোন মনিটরিং করা হয় না।

এটা আল্লাহর দান। তিনি রংপুরের বিভাগীয় কর্মকর্তা মাহাবুবের (০১৭১৮৮৪১২৯৪)নম্বরে মোবাইল ফোনে তার সাথে কথা বলতে বলেন।

এবিষয়ে ইব্রাহিমকে ফোন দিলে তিনি মোবাইলে বলেন, চার বছর আগে আমি চাকুরি ছেড়ে দিয়েছি বলে লাইন কেটে দেন।

ডোমার শাখার সাবেক ম্যানেজার নুর আলম জানান, মুলত হেড অফিস সমস্যা করছে।

এখান থেকে প্রায় এক কোটি টাকা হেড অফিসে প্রেরন করা হয়েছে। তারা আর তা ফেরত দিচ্ছে না। এ দিকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা মাঠে লোন দেওয়া হয়েছে।

তারাও প্রতিষ্ঠানের অবস্থা দেখে লোনের মাসিক কিস্তি ও পরিশোধ করছে না। এটাই সমস্যা। তিনি আরও বলেন, ওরা শপিং মলে বিনিয়োগ করেছে।

 

 

এই টাকা আত্মসাৎ করে চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ মজুমদার জেলে যায়। ১১২ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে জামিন পান।

রংপুর বিভাগের প্রায় ৩০টি শাখা অফিস বন্ধ হয়ে গেছে। লোনের টাকা উঠে পাঁচ হাজার টাকা, ফেরতযোগ্য চাহিদা পাঁচ লক্ষ টাকা। মানুষের হুমকিতে আর চাকুরী করা যায়নি।

আজীজ কো- অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিঃ হেড অফিসের চেয়ারম্যান মোঃ হারুন অর রশিদ মজুমদার (০১৭১১১৪৩৩৫১) কে ফোন করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে রং নাম্বার বলে লাইন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ উন নবী বলেন, আমার জানামতে ডোমার থানায় কোন মামলা নেই।

এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা মোঃ পূবন আখতার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে ।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

2 thoughts on “ডোমারে কো অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড গ্রাহকের দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও”

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডোমারে কো অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড গ্রাহকের দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও

আপডেট সময় : ০৮:২৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৩

নীলফামারীর ডোমারে কো অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড গ্রাহকের দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও। ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত গ্রাহকেরা।

ডোমারে দুই শতাধিক গ্রাহকের প্রায় দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে আজীজ কো অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড নামে একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠান। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ২ শতাধিক গ্রাহকেরা এই ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জানা গেছে, উপজেলার ডোমার বাজারস্ত হাজী করমআলী সুপার মার্কেটে দোতলায় ভাড়া নিয়ে ২০১৬ সালের আগষ্ট মাসের ২২ তারিখে কো অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড নামে সাইনবোর্ড লাগিয়ে তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।

গ্রাহকদের মধ্যে লাখে মাসে ১১০০/১২০০ টাকা লাভসহ বিভিন্ন আকর্ষনীয় স্কিম দেওয়ার লোভ দেখিয়ে সঞ্চয় নেওয়া শুরু করে।

মার্কেটের মালিকের সংগে করা চুক্তিতে সংস্থাটির নাম লিখা হয় আজীজ কো-অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ক্রেডিট সোসাইটি লিঃ, ডোমারকে ব্যবসায়িক কেন্দ্র বলা হয়,

এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাইনবোর্ডে আজিজ কো- অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিমিটেড নাম দেখা যায়।

ইংরেজিতে ACCF BANK LTD নাম লিখা হয়। ব্যাংক লেখার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে কোন সন্দেহ দেখা দেয়নি।

এ কারণে গ্রাহকেরা অধিক মুনাফার আশায় মোটা অংকের টাকা সঞ্চয় করে। অল্প সময়েই হাতিয়ে নয় কোটি কোটি টাকা।

বর্তমানে আমানতকারীরা টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এবং এর পাশাপাশি তারা বিভিন্ন পযার্য়ের কর্মকর্তা সহ তাদের মুলহোতাকে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন।

মার্কেটে অবস্থানরত কাশফিয়া চশমা ঘর এর দোকান মালিক কারিমুল ইসলাম চৌধুরী জানান,মাস দেড়েক আগে ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হঠাৎ করে উধাও হয়ে গেছে।

অনেক লোক আসে, জিঙ্গাসা করে, ফিরে যায়। করো এক লক্ষ, কারো দুই লক্ষ, কারো ৫ লক্ষ করে টাকা এই ব্যাংকে তারা জমা রেখেছে।

বোড়াগাড়ী বাজারের প্রিয়াংকা ট্রেড্রাসের ম্যানেজার জয়কেষ্ট জানান, আমি গরীব লোক, আমার ৩৬ হাজার টাকা জমা আছে। প্রতি মাসে তিন হাজার করে ৩৬ হাজার টাকা জমা করেছি। তারা বলেছিল,৬ বছর পরে ডাবল হবে।

আমার কাছে এটা অনেক বড় টাকা। অনেকে কষ্ট করে আমি এই টাকা জমা করেছি। আমার মহাজন প্রদীপ আগর ওয়া ভারতে গেছেন।

উনি তিন হাজার করে চার নামে চারটি ডিপোজিট করেছে। প্রায় ১২ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে। ১১% লাভ দেওয়ার কথা বলেছে। অন্যান্য ব্যাংকের চেয়ে ৩/৪% লাভ বেশী দেওয়ায় আমরা ডিপোজিট করেছি।

তাদের গ্রেফতার করে শাস্তি দেওয়া হউক। আমরা নীলফামারীর ওই ব্যাংকের আরেক শাখাকে বলেছিলাম,তারা ডিমলা শাখাকে বলতে বলেছে।

ডোমার থানা রোডের শাপলা হোমিও হলের হোমিও চিকিৎসক রবীন্দ্রনাথ বর্মন প্রদীপ জানান,আমি দৈনিক এক হাজার করে এক বছরের জমা দিয়েছি।

আমার স্ত্রী আরতী রানী চার লক্ষ টাকা ফিক্স ডিপোজিট ৫ বছরের জন্য করেছে।গত নভেম্বরে ২৩ তারিখে ৫ বছর পূর্ন হয়। আমার শালিকা চামেলী রানী দুই লক্ষ ৫০ হাজার ফিক্সড ডিপোজিট তিন বছরের জন্য করেছি।

ডোমার থানা রোডের মেসার্স এস কে ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সঞ্জিত কুমার আগরওয়ালা জানান,দুই লক্ষ ৯০ হাজার টাকা জমা ছিল। প্রতি মাসে জমা দিতাম ১০ হাজার টাকা।

কাকী গায়িত্রি দেবী আতরওয়ালার আছে ৬ লক্ষ টাকা। চার মাস আগেই ম্যাচিউড হয়ে গেছে।

হাজী করম আলী সুপার মার্কটের মালিক আব্দুল সালেক জানান,২০১৬ সালে ফেব্রুয়ারিতে দোতালায় অফিসের জন্য ভাড়া নেয় ব্যাংকটি। ৫ বছরের জন্য চুক্তি করে।

প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা। ৫ বছর ২০% বেড়ে ৮ হাজার ৫ শত টাকা। জানুয়ারী ২৩ (২০২৩) তারিখ থেকে তারা গা ঢাকা দেয়। আমারও তিন লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট আছে।

আজীজ কো- অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ক্রেডিড সোসাইটি লিঃ ডিমলা শাখার জোনাল ম্যানেজার ইব্রাহিম হোসেন জানান, জেলা থেকে আমাদের কোন মনিটরিং করা হয় না।

এটা আল্লাহর দান। তিনি রংপুরের বিভাগীয় কর্মকর্তা মাহাবুবের (০১৭১৮৮৪১২৯৪)নম্বরে মোবাইল ফোনে তার সাথে কথা বলতে বলেন।

এবিষয়ে ইব্রাহিমকে ফোন দিলে তিনি মোবাইলে বলেন, চার বছর আগে আমি চাকুরি ছেড়ে দিয়েছি বলে লাইন কেটে দেন।

ডোমার শাখার সাবেক ম্যানেজার নুর আলম জানান, মুলত হেড অফিস সমস্যা করছে।

এখান থেকে প্রায় এক কোটি টাকা হেড অফিসে প্রেরন করা হয়েছে। তারা আর তা ফেরত দিচ্ছে না। এ দিকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা মাঠে লোন দেওয়া হয়েছে।

তারাও প্রতিষ্ঠানের অবস্থা দেখে লোনের মাসিক কিস্তি ও পরিশোধ করছে না। এটাই সমস্যা। তিনি আরও বলেন, ওরা শপিং মলে বিনিয়োগ করেছে।

 

 

এই টাকা আত্মসাৎ করে চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ মজুমদার জেলে যায়। ১১২ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার মুচলেকা দিয়ে জামিন পান।

রংপুর বিভাগের প্রায় ৩০টি শাখা অফিস বন্ধ হয়ে গেছে। লোনের টাকা উঠে পাঁচ হাজার টাকা, ফেরতযোগ্য চাহিদা পাঁচ লক্ষ টাকা। মানুষের হুমকিতে আর চাকুরী করা যায়নি।

আজীজ কো- অপারেটিভ কমার্স এন্ড ফাইন্যান্স ব্যাংক লিঃ হেড অফিসের চেয়ারম্যান মোঃ হারুন অর রশিদ মজুমদার (০১৭১১১৪৩৩৫১) কে ফোন করলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে রং নাম্বার বলে লাইন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ উন নবী বলেন, আমার জানামতে ডোমার থানায় কোন মামলা নেই।

এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা মোঃ পূবন আখতার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে ।

 

Facebook Comments Box