ট্রাম্প ও কাতারের আমিরের ফোনালাপ, তেহরানের ৭ দফা প্রস্তাব ওয়াশিংটনে
- আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান অস্থিরতা প্রশমনে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি ফোনে কথা বলেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। ফোনালাপে দুই নেতা অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চলমান কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
কাতারের সরকারি বিবৃতির তথ্যমতে, আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি সংঘাত নিরসন ও উত্তেজনা এড়াতে সংলাপের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক আলোচনার ওপর জোর দেন তিনি।
একই সময়ে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি পারমাণবিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে ওয়াশিংটনে ওই খসড়া প্রস্তাবটি পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ৭টি মৌলিক দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে না। বর্তমানে ওয়াশিংটন প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে বলেও জানান তিনি।
ইরানের মূল দাবিগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আটকে থাকা ইরানি সম্পদ মুক্তি দেওয়া এবং যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে, যেকোনো ধরনের প্রাথমিক আলোচনার টেবিলে পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে অবস্থান বজায় রেখেছে মার্কিন প্রশাসন। কাতারের মাধ্যমে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ নতুন মাত্রা পেলেও শর্তাবলীতে বড় ধরনের পার্থক্য থাকায় আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।
সূত্র: গালফ বাংলা
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ























