ঝিনাইগাতীতে ৫৩ বছরেও নির্মিত হয়নি একটি পাকা ব্রিজ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
ঝিনাইগাতীতে ৫৩ বছরেও নির্মিত হয়নি একটি পাকা ব্রিজ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধানমন্ডিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আটক দুই তরুণী ৬ মাস আগের মামলায় গ্রেপ্তার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: বাংলাদেশের জয়ে চাপে ভারত, ফাইনালে ওঠার কঠিন সমীকরণ আইডিআরএ’র সদস্য (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ পেলেন মো. সিরাজুল ইসলাম প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতায় গুরুত্ব দিচ্ছে কাতার চেম্বার যবিপ্রবির দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প: ফের আলোচনায় প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক জয়: টাইগারদের ভিডিও কলে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য এখনো অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়নি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন মৌলভীবাজারের রাজনগরে চা শ্রমিক দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যু

ঝিনাইগাতীতে ৫৩ বছরেও নির্মিত হয়নি একটি পাকা ব্রিজ

শেরপুর থেকে মিজানুর রহমান
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫
ঝিনাইগাতীতে ৫৩ বছরেও নির্মিত হয়নি একটি পাকা ব্রিজ

 

 

 

 

ঝিনাইগাতীতে ৫৩ বছরেও নির্মিত হয়নি একটি পাকা ব্রিজ

গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও নির্মিত হয়নি একটি পাকা ব্রিজ!

 

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাগণ সুদীর্ঘকাল যাবত পাগলামুগ বাজার থেকে মাদ্রাসার পাশ দিয়ে প্রাবাহিত নদীর ওপর নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে। কামারপাড়া রোডের মাঝলি নদীর উপর ব্রীজ না থাকায় এইসব এলাকার কয়েক হাজার লোকের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যুগ যুগ ধরে।

 

 

 

নদীর ওপর ফি-বছর এলাকাবাসি বাঁশের সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হলেও কৃষি পণ্য ও গরু-ছাগল নিয়ে পড়তে হচ্ছে বিরম্বনায়। এলাকাবাসী জানান, ২০০২ ইং সনে তৎকালীন ক্ষমতাসিন দলের বিএনপির সাবেক এমপি জনাব মাহমুদুল হক রুবেল সেখানে একটি কাঠের ব্রিজ নির্মাণ করে দিয়েছিলেন।

 

কিন্তু  ৫-৬ বছর যেতে না যেতেই ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাঠের ব্রিজটি পানির প্রবল তোড়ে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তারপর আওয়ালীলীগ ১৫-১৬বছর ক্ষমতায় থাকলেও ওই নদীর ওপর আর কোন পাকা ব্রিজ নির্মাণ করেনি।

 

 

এলাকাবাসী বাধ্য হয়েই এলাকার লোকজনের নিকট থেকে চাঁদা উঠিয়ে বেশ কয়েকবার বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করলেও প্রতিবছরেই পাহাড়ী ঢলের পানির তোড়ে ভেঙে যায়। নদীটির এপার-ওপারের গ্রামগুলোয় কয়েক হাজার লোক বসবাস করেন। ব্রিজ না থাকায় ছাত্রছাত্রীরা বাঁশের নড়বড়ে সাঁকোতে জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।

 

 

অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটছে। বর্ষাকালেতো ছাত্রছাত্রীরা বলতে গেলে স্কুলেই যেতে পারে না। সবচেয়ে বড় কথা হল বাঁশের সাঁকো পার হয়ে হাফ কিলোমিটার দূরেই একটি প্রাইমারি স্কুল। কিন্তু ব্রিজ না থাকায় ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে যাচ্ছে জীবনের ঝুকি নিয়ে। আর এবিষয়ে ৬ নং  হাতীবান্ধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেম্বারদের নিকট বহুবার ধর্না দিয়েও কোন ফলোদয় হয়নি। শুধু আশ্বাসই মেলেছে। কিন্তু কোন কাজ হয়নি।

পড়ুন>>কাউনিয়ায় বাসের ধাক্কায় এস এসসি পরীক্ষার্থীসহ একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু 

 

এবারও প্রবল ঢল ও ভয়াবহ বন্যায় পানির তোড়ে নদীর সাঁকোটি ভেঙে ভেসে যায়। পরে গ্রামবাসি নিজেরা সবার নিকট চাঁদা উঠিয়ে একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করে কোনরকমে যাতায়াত করছে। তবুও নড়বড়ে হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। আসছে বর্ষায় বাঁশের সাঁকোও ভেঙে যাবে। তখন ছাত্রছাত্রি ও এলাকাবাসীকে চরম দুভোগ পোহাতে হবে।

 

 

 

অর্থাৎ নদী সাঁতরে পারাপার হতে হবে। এখানে একটি ব্রিজের অভাবে গ্রামের সাধারণ মানুষ হাট- বাজারে ও যেতে পারেন না। ছেলে মেয়েরা যেতে পারে না স্কুলে! এলাকাবসী আসন্ন বর্ষার পূর্বেই এই নদীর ওপর একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের  দৃষ্টি কামনা করেছেন।

হাতিবান্দা ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আশা করি কাজ হয়ে যাবে।

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!