জামালগঞ্জে উন্নয়ন কাজ নিয়ে ইউএনও ও জনপ্রতিনিধিরা মুখোমুখি: পৃথকভাবে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
- আপডেট সময় : ০৭:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪ ১৯৪ বার পড়া হয়েছে
জামালগঞ্জে উন্নয়ন কাজ নিয়ে ইউএনও ও জনপ্রতিনিধিরা মুখোমুখি: পৃথকভাবে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মাসুদ রানার সঙ্গে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে মতবিরোধ থাকায় পৃথক পৃথকভাবে ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদ বেদীতে সকল বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদের নেতৃত্বে ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা।
মঙ্গলবার ভোরে পৃথক পৃথকভাবে নেতৃবৃন্দরা পুষ্পস্তবক অর্পণ,সংবর্ধনা প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অপরদিকে সকালে জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মাসুদ রানার নেতৃত্বে সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পৃথকভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম জিলানী আফিন্দী রাজু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বীনা রানী তালুকদার, ফেনারবাঁক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল চন্দ্র তালুকদার, বেহেলীর ইউপি চেয়ারম্যান সুব্রত সামন্ত সরকার, সাচনা বাজার ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মাসুক মিয়া, জামালগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন, ভীমখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আখতারুজ্জামান তালুকদার, জামালগঞ্জ উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান আবু হানিফ প্রমূখ।
জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আল আজাদ বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুদ রানা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের সাথে এলাকার কোন উন্নয়নমূলক কাজে তিনি কোন প্রকার সমন্বয় না করেই তার ইচ্ছামতে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ, বেহেলী বাজার, উজ্জ্বল পুর রাস্তা, আশ্রয় প্রকল্প সহ বিভিন্ন কাজে অনিয়ম দূর্নীতিসহ নানা সমস্যা রয়েছে।
জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এমন কর্মকান্ড নিয়ে উপজেলার সকল স্থানীয় উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের সকল জনপ্রতিনিধিরা মিলে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের নিকট মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে এবং তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বস্থ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই উপজেলায় এখনো অধিকাংশ হাওরের ফসল রক্ষা বাধেঁর কাজ এখনো সম্পন্ন না হওয়াতে কৃষকরা তাদের সোনালী ফসল ঘরে তোলা নিয়ে শংঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। শীঘ্রই হাওর ফসলরক্ষা বাঁধে পরিদর্শন করা হবে বলে তিনি জানান।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























