ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদকের আখড়া নয়-হরিকেশ হোক নিরাপদ আবাসভূমি, মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর ভিডিও ও ছবি প্রচার করায় ৬ ব্যক্তির নামে সাধারণ ডায়রী করেছে এমপির এপিএস পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে ভূরুঙ্গামারীতে বিএনপির সমাবেশ ও মিছিল অযৌক্তিক দাম বাড়ালে ব্যবস্থা নেবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী কুমিল্লা সীমান্তে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ দ্বিতীয় স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এমপি নজরুল ও তার স্ত্রী আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৭ মৃত্যু সেরা চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসারের ক্রেস্ট পেলেন মাহমুদুল হাসান আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: ছেলের খোঁজে দিশেহারা বাবা দেশে হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ৬ শিশুর

ছাদে কিংবা উঠানে টবে মরিচ চাষ

সৃষ্টি কৃষি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৯৬২ বার পড়া হয়েছে

ছাদে কিংবা উঠানে টবে মরিচ চাষ

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

ছাদে কিংবা উঠানে টবে মরিচ চাষ

প্রতিদিনের রান্নায় মরিচের প্রয়োজন পড়েই । মরিচ ছাড়া রান্না কল্পনা করা সম্ভব নয়। ভোজন রসিক বাঙ্গালীরা পাতে মরিচ-লেবু-লবণ ছাড়া আবার খেতেই পারেন না।

 

ঝাঁঝালো এই খাবারটির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা দুটোই প্রচুর। তো মরিচ যখন এতোই গুরুত্বপূর্ণ, তখন এটি প্রতিদিন হাতের কাছে থাকলে মন্দ  হয় না।

 

বাজার থেকে সবসময় ভালো মরিচ পাওয়া যায় না। বাড়িতেই সারাবছর মরিচ চাষ করা যায় তাহলে খাবার সময় টাটকা মরিচ পাওয়া সম্ভব।

 

  বাড়িতে উঠানে কিংবা ছাদে টব, সয়াবিন তেলের বড় পাত্র কিংবা বস্তায় সহজেই বারো মাস মরিচ চাষ করা যায়।

চাষ পদ্ধতি:

প্রথমে পরিবেশ ও মরিচ লাগানোর পাত্র বা টব নির্বাচন:

বাড়িতে টবে মরিচ চাষ করার জন্য সবার আগে পরিবেশ ও টবের ব্যাপারগুলো মাথায় রাখা উচিত। মরিচ বারো মাস চাষ করার মতোই ফসল। কিন্তু এমনিতে গরমের সময়টা মরিচ চাষের জন্য উৎকৃষ্ট। গ্রীষ্ম ও বর্ষাতে বীজ বপন করা যাবে ও চারা বৃদ্ধি হবে। কিন্তু ফল পাকার সময়ে আবহাওয়া শুকনো থাকা দরকার।

 

অতিরিক্ত গরমে মরিচের ফলন ভালো হয়। এর রং ও ঝাঁঝ কমে যায়। আবার ফুল ও ফল ধরার সময়ে যদি অতিরিক্ত বৃষ্টি হয় তাহলে ফুল ও ফল ঝরে যায়। গাছের গোড়ায় জমে গাছ পঁচে মারা যায়। তাই খুব গরম বা খুব বৃষ্টির সময়ে মরিচ গাছ লাগানো ঠিক হবে না।

 

তাপমাত্রা ২০ থেকে ২৫ সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে ফলনও ভালো হবে গাছেরও কোন ক্ষতি হবে না।

 

 

সূর্যের আলো পর্যাপ্ত পাওয়া যাবে এমন জায়গায় টব রাখতে হবে। হালকা ছায়াযুক্ত স্থানে রাখলেও সমস্যা নেই। তবে বেশি ছায়া হলে গাছের জন্য খারাপ হবে।

 

আলো, বাতাস যথেষ্ট আছে এমন জায়গা টব রাখলে মরিচ গাছ দাঁড়িয়ে যাবে ভালোভাবে। মাঝারি সাইজের মাটির বা প্লাস্টিকের টব যথেষ্ট।

 

চাইলে রান্নাঘরে থাকা মাঝারি সাইজের পাত্রও ব্যবহার করতে পারেন। তবে টবটি যদি বাজারের না হয়।তাহলে টবের নিচে একটি ফুটো করতে হবে। যাতে পানি সহজেই নিষ্কাশিত হয়।

টব তৈরি হয়ে গেলে টবের ফুটোয় ভাঙা মাটির পাত্রের ছোট একটি টুকরা দিতে হবে। টুকরাটার যেদিক ঢেউ খেলানো সেদিকটা নিচে রেখে টবের ছিদ্রের উপর বসিয়ে দিয়ে ভাঙা টুকরাটা প্রথমে অল্প পাথর বা ইটের টুকরা দিয়ে এবং পরে অল্প বালি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এতে পানির সাথে মাটি বেরিয়ে যাবে না এবং টবে জল জমে থাকবে না। তারপর মাটি দিতে হবে।

জেনে নিন>>ছাদে বস্তায় রসুন ও পেঁয়াজ চাষাবাদ পদ্ধতি

 

টবের জন‍্য কিভাবে মাটি তৈরি করবেন?

বেলে মাটি ও দোআঁশ মাটি আদর্শ মরিচ গাছ লাগানোর জন্য। যখন টবে মাটি দিবেন তখন পরিমাণমতো জৈব সার (সবজির উচ্ছিষ্ট), গোবর সার, এবং ইউরিয়া সার মিশিয়ে দিবেন। মাটি তৈরি করার এক সপ্তাহ পরে নার্সারি থেকে কিনে আনা চারাগাছ বা বীজ পুতে দিবেন। এতে মাটিতে সারের পুষ্টিগুণ মেশার সুযোগ পাবেন।

 

গাছ বা বীজ লাগানোর আগে মাটি তৈরিতে যতোটুকু যত্ন দরকার, গাছ লাগানোর পরে তার চাইতেও বেশি যত্ন দরকার। মাটি পর্যাপ্ত খাদ্য না পেলে গাছ দ্রুত মরে যাবে। তাই ইউরিয়া সার, পটাশ সার, এবং ম্যাগনেসিয়াম সালফেট প্রতিটি ১ টেবিল চামচ করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ প্রতি ১৫ দিন পরপর মাটির চারদিকে ঢেলে পানি দিয়ে দেবেন।

গাছের পরিচর্যা করুন:

মাটির খাদ্য সম্পর্কে জানলেন, কিন্তু গাছের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতের জন্য কি করবেন? তারও সমাধান আছে। যেকোন সারের দোকানে গিয়ে ভিটামিন লিকুইডের কিনে ব্যবহার করা যাবে।

 

প্যাকেটের গায়ে গ্রোথ রেগুলেটর (হরমোন) উল্লেখ করা   আছে কিনা দেখে কিনতে হবে। ১ লিটার জলে ৩০ ফোঁটা ভিটামিন লিকুইড মিশিয়ে প্রতি ১০ দিন পরপর গাছে স্প্রে করতে হবে। এতে পাতা কুঁকড়ে যাবে না ও ফুল ঝরে পড়বে না। গাছও তরতরিয়ে বেড়ে উঠবে।

 

 

 মরিচ গাছে পিঁপড়ার আক্রমণ ঠেকাতে অল্প পরিমাণে সাবান গুঁড়া টবের মাটিতে ছড়িয়ে দিন। অন্যান্য পোকার উপদ্রব হলে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে।

 

সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক  ১মিলি পরিমাণ ওষুধ ১ লিটার জলে মেশাবেন। তারপর এই পানি প্রতি ১০ দিন পরপর গাছে স্প্রে করবেন। ব্যস পোকামাকড় আর মরিচ গাছের ধারের কাছেও ঘেঁষবে না।

 

 

গাছে জল দেওয়ার সময়ে সাবধান। পানি এমনভাবে দিতে হবে যাতে টবে পানি জমেও থাকে না আবার মাটি শুকনাও থাকে না। সঠিকভাবে পানি দিতে পারলে পাতা পঁচা, মূল পঁচা, বা ফল পঁচার মতো রোগ কিছুটা দমন করা সম্ভব।

 

 

 

    পরবর্তী পরিচর্চা:

টবে মরিচ গাছ লাগালে দুই দফায় গাছ থেকে ৫০-৮০ টি মরিচ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আর এই পদ্ধতিতে সময়ও লাগে অনেক কম। ধরে নিলাম কম সময়ে বাড়ির টবে বারো মাস মরিচ চাষ করে খেতে পারবেন! তাহলে আর বাজার থেকে মরিচ কেনার ঝামেলা কেন? এখন বাড়িতেই পাবেন তরতাজা ঝাঁজালো মরিচ ।

 

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “ছাদে কিংবা উঠানে টবে মরিচ চাষ

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ছাদে কিংবা উঠানে টবে মরিচ চাষ

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

 

 

ছাদে কিংবা উঠানে টবে মরিচ চাষ

প্রতিদিনের রান্নায় মরিচের প্রয়োজন পড়েই । মরিচ ছাড়া রান্না কল্পনা করা সম্ভব নয়। ভোজন রসিক বাঙ্গালীরা পাতে মরিচ-লেবু-লবণ ছাড়া আবার খেতেই পারেন না।

 

ঝাঁঝালো এই খাবারটির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা দুটোই প্রচুর। তো মরিচ যখন এতোই গুরুত্বপূর্ণ, তখন এটি প্রতিদিন হাতের কাছে থাকলে মন্দ  হয় না।

 

বাজার থেকে সবসময় ভালো মরিচ পাওয়া যায় না। বাড়িতেই সারাবছর মরিচ চাষ করা যায় তাহলে খাবার সময় টাটকা মরিচ পাওয়া সম্ভব।

 

  বাড়িতে উঠানে কিংবা ছাদে টব, সয়াবিন তেলের বড় পাত্র কিংবা বস্তায় সহজেই বারো মাস মরিচ চাষ করা যায়।

চাষ পদ্ধতি:

প্রথমে পরিবেশ ও মরিচ লাগানোর পাত্র বা টব নির্বাচন:

বাড়িতে টবে মরিচ চাষ করার জন্য সবার আগে পরিবেশ ও টবের ব্যাপারগুলো মাথায় রাখা উচিত। মরিচ বারো মাস চাষ করার মতোই ফসল। কিন্তু এমনিতে গরমের সময়টা মরিচ চাষের জন্য উৎকৃষ্ট। গ্রীষ্ম ও বর্ষাতে বীজ বপন করা যাবে ও চারা বৃদ্ধি হবে। কিন্তু ফল পাকার সময়ে আবহাওয়া শুকনো থাকা দরকার।

 

অতিরিক্ত গরমে মরিচের ফলন ভালো হয়। এর রং ও ঝাঁঝ কমে যায়। আবার ফুল ও ফল ধরার সময়ে যদি অতিরিক্ত বৃষ্টি হয় তাহলে ফুল ও ফল ঝরে যায়। গাছের গোড়ায় জমে গাছ পঁচে মারা যায়। তাই খুব গরম বা খুব বৃষ্টির সময়ে মরিচ গাছ লাগানো ঠিক হবে না।

 

তাপমাত্রা ২০ থেকে ২৫ সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে ফলনও ভালো হবে গাছেরও কোন ক্ষতি হবে না।

 

 

সূর্যের আলো পর্যাপ্ত পাওয়া যাবে এমন জায়গায় টব রাখতে হবে। হালকা ছায়াযুক্ত স্থানে রাখলেও সমস্যা নেই। তবে বেশি ছায়া হলে গাছের জন্য খারাপ হবে।

 

আলো, বাতাস যথেষ্ট আছে এমন জায়গা টব রাখলে মরিচ গাছ দাঁড়িয়ে যাবে ভালোভাবে। মাঝারি সাইজের মাটির বা প্লাস্টিকের টব যথেষ্ট।

 

চাইলে রান্নাঘরে থাকা মাঝারি সাইজের পাত্রও ব্যবহার করতে পারেন। তবে টবটি যদি বাজারের না হয়।তাহলে টবের নিচে একটি ফুটো করতে হবে। যাতে পানি সহজেই নিষ্কাশিত হয়।

টব তৈরি হয়ে গেলে টবের ফুটোয় ভাঙা মাটির পাত্রের ছোট একটি টুকরা দিতে হবে। টুকরাটার যেদিক ঢেউ খেলানো সেদিকটা নিচে রেখে টবের ছিদ্রের উপর বসিয়ে দিয়ে ভাঙা টুকরাটা প্রথমে অল্প পাথর বা ইটের টুকরা দিয়ে এবং পরে অল্প বালি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এতে পানির সাথে মাটি বেরিয়ে যাবে না এবং টবে জল জমে থাকবে না। তারপর মাটি দিতে হবে।

জেনে নিন>>ছাদে বস্তায় রসুন ও পেঁয়াজ চাষাবাদ পদ্ধতি

 

টবের জন‍্য কিভাবে মাটি তৈরি করবেন?

বেলে মাটি ও দোআঁশ মাটি আদর্শ মরিচ গাছ লাগানোর জন্য। যখন টবে মাটি দিবেন তখন পরিমাণমতো জৈব সার (সবজির উচ্ছিষ্ট), গোবর সার, এবং ইউরিয়া সার মিশিয়ে দিবেন। মাটি তৈরি করার এক সপ্তাহ পরে নার্সারি থেকে কিনে আনা চারাগাছ বা বীজ পুতে দিবেন। এতে মাটিতে সারের পুষ্টিগুণ মেশার সুযোগ পাবেন।

 

গাছ বা বীজ লাগানোর আগে মাটি তৈরিতে যতোটুকু যত্ন দরকার, গাছ লাগানোর পরে তার চাইতেও বেশি যত্ন দরকার। মাটি পর্যাপ্ত খাদ্য না পেলে গাছ দ্রুত মরে যাবে। তাই ইউরিয়া সার, পটাশ সার, এবং ম্যাগনেসিয়াম সালফেট প্রতিটি ১ টেবিল চামচ করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ প্রতি ১৫ দিন পরপর মাটির চারদিকে ঢেলে পানি দিয়ে দেবেন।

গাছের পরিচর্যা করুন:

মাটির খাদ্য সম্পর্কে জানলেন, কিন্তু গাছের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতের জন্য কি করবেন? তারও সমাধান আছে। যেকোন সারের দোকানে গিয়ে ভিটামিন লিকুইডের কিনে ব্যবহার করা যাবে।

 

প্যাকেটের গায়ে গ্রোথ রেগুলেটর (হরমোন) উল্লেখ করা   আছে কিনা দেখে কিনতে হবে। ১ লিটার জলে ৩০ ফোঁটা ভিটামিন লিকুইড মিশিয়ে প্রতি ১০ দিন পরপর গাছে স্প্রে করতে হবে। এতে পাতা কুঁকড়ে যাবে না ও ফুল ঝরে পড়বে না। গাছও তরতরিয়ে বেড়ে উঠবে।

 

 

 মরিচ গাছে পিঁপড়ার আক্রমণ ঠেকাতে অল্প পরিমাণে সাবান গুঁড়া টবের মাটিতে ছড়িয়ে দিন। অন্যান্য পোকার উপদ্রব হলে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে।

 

সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক  ১মিলি পরিমাণ ওষুধ ১ লিটার জলে মেশাবেন। তারপর এই পানি প্রতি ১০ দিন পরপর গাছে স্প্রে করবেন। ব্যস পোকামাকড় আর মরিচ গাছের ধারের কাছেও ঘেঁষবে না।

 

 

গাছে জল দেওয়ার সময়ে সাবধান। পানি এমনভাবে দিতে হবে যাতে টবে পানি জমেও থাকে না আবার মাটি শুকনাও থাকে না। সঠিকভাবে পানি দিতে পারলে পাতা পঁচা, মূল পঁচা, বা ফল পঁচার মতো রোগ কিছুটা দমন করা সম্ভব।

 

 

 

    পরবর্তী পরিচর্চা:

টবে মরিচ গাছ লাগালে দুই দফায় গাছ থেকে ৫০-৮০ টি মরিচ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আর এই পদ্ধতিতে সময়ও লাগে অনেক কম। ধরে নিলাম কম সময়ে বাড়ির টবে বারো মাস মরিচ চাষ করে খেতে পারবেন! তাহলে আর বাজার থেকে মরিচ কেনার ঝামেলা কেন? এখন বাড়িতেই পাবেন তরতাজা ঝাঁজালো মরিচ ।

 

 

 

Facebook Comments Box