ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

কুড়িগ্রাম নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস পালিত 

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:২৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রাম নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস পালিত 

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুড়িগ্রাম নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস পালিত

কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস পালিত হয়েছে।

“আসুন আমরা শব্দদূষণ হ্রাসে সচেষ্ট হই” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে “শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প” এর আওতায় কুড়িগ্রামে “আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস ২০২৪” পালিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) কুড়িগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় দিবসটি উপলক্ষ্যে মানববন্ধন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত র‍্যালিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) উত্তম কুমার রায়ের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মন্জুর-এ- মোর্শেদ , পৌর মেয়র কাজিউল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মির্জা মোঃ নাসির উদ্দিন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা- কর্মচারি,বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মকর্তা, পরিবেশবাদী সংগঠন, জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়ন, সচেতন নাগরিক কমিটি( সনাক), জেলা স্কাউট , নিরাপদ সড়ক চাই এর সাধারন সম্পাদকসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমানে শব্দ দূষণ একটি মারাত্মক পরিবেশগত সমস্যা হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে ।

শব্দ দূষণের ফলে নানা রকম শারীরিক ও মানসিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বিঘ্নিত হওয়াসহ শিশু, গর্ভবতী নারী ও হৃদরোগীদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যগত জটিলতা সৃষ্টি করে শব্দ দূষণ । শুধু আইন প্রয়োগ করে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। আলোচনা সভা শেষে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা শেষে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহরের বিভিন্ন স্থানে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বাস, ট্রাক, অটোরিক্সা ইত্যাদিতে শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা মূলক স্টিকার লাগানো হয়।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম বলেন, আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস একটি বিশ্বব্যাপী প্রচারণা যা ১৯৯৬ সাল থেকে এপ্রিল মাসের শেষ বুধবার পালিত হয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা সেন্টার ফর হেয়ারিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে থেকে উচ্চ শব্দ নিয়ে বৈশ্বিক প্রচারণা শুরু করে। ওই বছর থেকে এপ্রিল মাসের শেষ বুধবার দিবসটি পালিত হয়।

সে অনুযায়ী এবার ২৬ এপ্রিল হচ্ছে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস। । শব্দ দূষণ, শব্দ দূষণের ক্ষতিকারক দিক সমূহ, শব্দ দূষণ রোধে করনীয় সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা এবং সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য তুলে ধরা এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কুড়িগ্রাম নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস পালিত 

আপডেট সময় : ০৮:২৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

কুড়িগ্রাম নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস পালিত

কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস পালিত হয়েছে।

“আসুন আমরা শব্দদূষণ হ্রাসে সচেষ্ট হই” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে “শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প” এর আওতায় কুড়িগ্রামে “আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস ২০২৪” পালিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ এপ্রিল) কুড়িগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় দিবসটি উপলক্ষ্যে মানববন্ধন, বর্ণাঢ্য র‍্যালি এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত র‍্যালিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) উত্তম কুমার রায়ের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মন্জুর-এ- মোর্শেদ , পৌর মেয়র কাজিউল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মির্জা মোঃ নাসির উদ্দিন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা- কর্মচারি,বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মকর্তা, পরিবেশবাদী সংগঠন, জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়ন, সচেতন নাগরিক কমিটি( সনাক), জেলা স্কাউট , নিরাপদ সড়ক চাই এর সাধারন সম্পাদকসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমানে শব্দ দূষণ একটি মারাত্মক পরিবেশগত সমস্যা হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে ।

শব্দ দূষণের ফলে নানা রকম শারীরিক ও মানসিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বিঘ্নিত হওয়াসহ শিশু, গর্ভবতী নারী ও হৃদরোগীদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যগত জটিলতা সৃষ্টি করে শব্দ দূষণ । শুধু আইন প্রয়োগ করে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। আলোচনা সভা শেষে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা শেষে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহরের বিভিন্ন স্থানে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বাস, ট্রাক, অটোরিক্সা ইত্যাদিতে শব্দ দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা মূলক স্টিকার লাগানো হয়।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ রেজাউল করিম বলেন, আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস একটি বিশ্বব্যাপী প্রচারণা যা ১৯৯৬ সাল থেকে এপ্রিল মাসের শেষ বুধবার পালিত হয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা সেন্টার ফর হেয়ারিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে থেকে উচ্চ শব্দ নিয়ে বৈশ্বিক প্রচারণা শুরু করে। ওই বছর থেকে এপ্রিল মাসের শেষ বুধবার দিবসটি পালিত হয়।

সে অনুযায়ী এবার ২৬ এপ্রিল হচ্ছে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস। । শব্দ দূষণ, শব্দ দূষণের ক্ষতিকারক দিক সমূহ, শব্দ দূষণ রোধে করনীয় সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা এবং সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য তুলে ধরা এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য।

Facebook Comments Box