কয়লা-পাথরবোঝাই ট্রাকে মহিষখলায় জনভোগান্তি চরমে
- আপডেট সময় : ০৭:৫২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ২১৮৬৪ বার পড়া হয়েছে
কয়লা-পাথরবোঝাই ট্রাকে মহিষখলায় জনভোগান্তি চরমে
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার মহিষখলা বাজার এলাকায় কয়লা ও পাথরবোঝাই ভারী ট্রাকের অবাধ চলাচলে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বাজার এলাকা ও আশপাশের গ্রাম দিয়ে দিন-রাত এসব ট্রাক চলাচল করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জেনে নিন সাহরী, ইফতার ও নামাজের সময়সুচী
- ফজর
- যোহর
- আছর
- মাগরিব
- এশা
- সূর্যোদয়
- ভোর ৪:৩৭
- দুপুর ১১:৫১
- বিকেল ৪:০৬
- সন্ধ্যা ৫:৪৯
- রাত ৭:০২
- ভোর ৫:৪৯
- আল্লাহ্ সর্ব শক্তিমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাহিরপুর উপজেলার বাগলী শুল্ক স্টেশন থেকে আমদানিকৃত কয়লা ও পাথরবোঝাই ট্রাকগুলো বাঙ্গালভিটা বাজার ও ভোলাগঞ্জ বাজার হয়ে মহিষখলা বাজার অতিক্রম করে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার দিকে যাতায়াত করে। বাজার এলাকা ও ঘনবসতিপূর্ণ গ্রাম অতিক্রম করে এসব ভারী যানবাহন চলাচল করায় স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে পড়ছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মহিষখলা বাজারে সাপ্তাহিক হাট বসায় সকাল থেকেই বাজারে মানুষের ব্যাপক সমাগম হয়। একই সঙ্গে ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটার চাপও ছিল বেশি।
এ সময় একের পর এক ভারতীয় বাংলা কয়লা ও পাথরবোঝাই ট্রাক বাজারের ভেতর দিয়ে চলাচল করায় দীর্ঘ সময় যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ঈদের বাজার করতে আসা ক্রেতা, ব্যবসায়ী ও পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
পড়ুন>> নওগাঁ জেলা অটোটেম্পু,অটোরিকশা ও সিএনজি মালিক সমিতির ঈদ বোনাস প্রদান
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, অতিরিক্ত ট্রাক চলাচলের কারণে তারা ঠিকমতো রাস্তাঘাট ব্যবহার করতে পারছেন না। ভারী যানবাহন চলাচলের সময় সড়কজুড়ে ধুলাবালির সৃষ্টি হয়, যা পাশের ধানক্ষেত ও বসতঘরের চালের ওপর জমে থাকে। এতে পরিবেশের পাশাপাশি কৃষিজমিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
তাদের অভিযোগ, দিনের বেলায় ধুলাবালির কারণে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। অন্যদিকে রাত হলে সারি ধরে শত শত ট্রাক কয়লা নিয়ে চলাচল করে। এ সময় ট্রাকের হর্ণ ও শব্দে এলাকায় শব্দদূষণের সৃষ্টি হয়।
রমজান মাসে এ পরিস্থিতি আরও ভোগান্তিকর হয়ে উঠেছে বলে জানান স্থানীয়রা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, সারাদিন রোজা রেখে রাতে বিশ্রাম নেওয়ার সময় ট্রাকের হর্ণ ও শব্দে ঠিকমতো ঘুমানো যায় না। এমনকি ছোট ছোট শিশুরাও শান্তিতে ঘুমাতে পারে না।
পড়ুন>>চুয়াডাঙ্গার বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু
এ বিষয়ে মহিষখলা বাজারের ইজারাদাররা জানান, কয়লা ও পাথর পরিবহনের এ কার্যক্রম সম্পর্কে তারা অবগত নন। কে বা কারা এই পরিবহন বাণিজ্য পরিচালনা করছে সে বিষয়ে তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।
তবে বাজার এলাকায় ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে যে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মধ্যনগর থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম শাহাবুদ্দিন শাহিন পিপিএম বলেন, সড়কটি সরকারি হলে সেখানে যানবাহন চলাচল করা স্বাভাবিক বিষয়। এ বিষয়ে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনএবং সংসদ সদস্যকে অবগত করার পরামর্শ দেন তিনি।
এব্যাপারে মধ্য নগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বার বার ফোন করা হলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এব্যপারে পুলিশ সুপার এবিএম মোহাম্মদ জাকির হোসেন পিপিএম কে বিষয়টি অবগত করা হলে তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান।
জেলা প্রশাসকের সরকারি নাম্বারে বার বার ফোন করা হলেও তিনি সরকারি নাম্বার বেশি একটা ব্যবহার করেন না তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন>>তিস্তা ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পে নিম্নমানের কাজের অভিযোগে তোলপাড়
স্থানীয়দের দাবি, মহিষখলা-বাঙ্গালভিটা সড়কের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় এ সময়ে ভারী ট্রাক চলাচলে ঝুঁকি আরও বাড়ছে। তাই বাজার এলাকা দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


























