হরমুজে ১১ তেলবাহী জাহাজে আগুন, দাবি ইরানের
- আপডেট সময় : ০৯:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে গত ২৫ অক্টোবর থেকে পরবর্তী নয় দিনের ব্যবধানে ১১টি তেলবাহী জাহাজে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তাদের ভাষ্যমতে, এসব ঘটনার মধ্যে কয়েকটি জাহাজ সমুদ্রের গভীরে তলিয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে। সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার গত সপ্তাহে দাবি করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের প্রধান রুটগুলো জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রয়েছে। এমনকি শুক্রবারের এক ভিডিও বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, সপ্তাহের শুরুতে আকাশপথে পরিদর্শনের সময় সেখানে ইরানের কোনো নৌবাহিনী জাহাজ তিনি দেখতে পাননি।
তবে যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনীর মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী পরিস্থিতি ভিন্ন। তাদের হিসাবমতে, শুধু অক্টোবর মাসেই বাণিজ্যিক জাহাজে ৩০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা এক মাসে রেকর্ডসংখ্যক। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই মূলত তেহরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। যুদ্ধপূর্ব সময় পর্যন্ত বিশ্বের মোট অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হতো।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে একাধিকবার দাবি করা হয়েছে যে, ইরানের নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দক্ষিণ রুট দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, নিয়মিত হুমকি এবং হামলার আশঙ্কায় এই পথে পণ্য পরিবহন ব্যয় ও ঝুঁকি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে, যার মাধ্যমে ইরান বৈশ্বিক তেলের দামের ওপর নিজেদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: দৈনিক আমার দেশ
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ























