সৈয়দপুরে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
সৈয়দপুরে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে গণশুনানিতে জনতার কথা শুনছে প্রশাসন: সেবার দুয়ারে নতুন আস্থার বার্তা তিন শহরে নারীদের জন্য বাস সার্ভিসে ই-টিকিটিং সেবা দেবে সহজ ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ফার্মেসি ও লাইফ সায়েন্সেস ক্যারিয়ার ফেয়ার অনুষ্ঠিত কাতারে গৃহহীন বিড়াল সংকট: কেনাকাটা নয়, দত্তক ও বন্ধ্যাকরণই সমাধান ইউরোপীয় জাহাজ জব্দের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে রাশিয়া: পুতিন আখেরি চাহার সোম্বা: পালন ও তাৎপর্য নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আজ সন্ধ্যা থেকেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জামায়াত-আওয়ামী লীগের অবস্থান: সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া ভারতে আত্মগোপনে জাহাঙ্গীর কবির নানক: আনন্দবাজারকে দিলেন বিশেষ সাক্ষাৎকার হালাল অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা দেখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

সৈয়দপুরে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

নীলফামারী থেকে
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
সৈয়দপুরে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ
সৈয়দপুরে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

সৈয়দপুরে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) মরিয়ম নেছার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে এ সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিশু মঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানাজ আখতার।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ওই প্রতিষ্ঠানে ওয়াশব্লকের বরাদ্দ আনার কথা বলে প্রধান শিক্ষকের কাছে ৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন এটিও। কিন্তু এখনোও ওয়াশব্লক বরাদ্দের কূল কিনারা খুঁজে পাওয়া যায় নাই। এটিও কে ঘুষ না দেওয়ায় ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের (স্লিপ) বিদ্যালয় পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার বরাদ্দের চেক স্বাক্ষর করছেননা। অথচ নিয়ম অনুযায়ী সব কাজ অনেক আগেই সম্পূর্ণ করে কাজ দেখানোসহ সব ভাউচার দেওয়া হয়েছে।

পড়ুন>>

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন প্রতিষ্ঠানে ভোট কেন্দ্র হিসেবে প্রধান শিক্ষক নিজ অর্থায়নে যে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছিল। সে সিসি ক্যামেরার টাকা ২ মাস পরে সরকারি বরাদ্দ দিলে সে টাকাও উপজেলা অফিসে স্বাক্ষর নিয়ে এটিও মরিয়ম নেছা সুকৌশলে তুলে আত্মসাৎ করেছেন। এমনকি প্রতিষ্ঠানের সরকারি ল্যাপটপ, বিদ্যুৎ বজ্রপাতি, আগুন নিবারণ যন্ত্র, বিদ্যালয় ভিত্তিক মোবাইল সিম তিনি তাঁর কাছে রেখেছেন।

এছাড়াও উক্ত প্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষিকা যথাক্রমে জাহানারা বেগম, বেবী খাতুন নিয়মিত ক্লাস ফাঁকি দিয়ে প্রতিষ্ঠানে ঘুম পারেন যার ভিডিও ধারণ ও ছবি রক্ষিত আছে। এ বিষয়েও এটিও মরিয়ম নেছাকে জানানো হলেও তিনি রহস্যজনকভাবে তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো তাদেরকে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ঘুম পারার উৎসাহ দিয়ে আসছেন।

পড়ুন>>

তাঁর এসব দূর্নীতি কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে তিনি দাম্ভিকতার সাথে প্রধান শিক্ষককে বলেছেন, এখন কি দেখেছেন যখন টিও হয়ে আসবো তখন মজা দেখাবো আর আমার বিরুদ্ধে মন্ত্রী সচিবকে অভিযোগ দিয়েও লাভ হবে না।

এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক শাহানাজ বেগম সাংবাদিকদের বলেন, আমি শিশু মঙ্গল স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে আয়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আমার এ গুরুদ্বায়িত্ব সঠিক এবং নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় আমি আমার দ্বায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার আপ্রাণ চেষ্টা অব্যাহত রাখলেও আমাকে, উদ্দেশ্যে প্রনোদিতভাবে অযথা হয়রানি করে আসছেন আমাদের প্রতিষ্ঠানের তদারকির দ্বায়িত্বরত সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মরিয়ম নেছা।

আরও পড়ুন>>

যার ফলে বর্তমানে সঠিকভাবে পাঠদান ও বিদ্যালয়ের যাবতীয় নিয়মশৃঙ্খলা হুমকির মুখে। তাই মরিয়ম নেছার দূর্নীতি ও অমানবিক আচরণের বিচার চেয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিযোগের অনুলিপি রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, নীলফামারী জেলা প্রশাসক, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে দেওয়া হয়েছে। আশা করি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার করা হবে।

আরও পড়ুন>>

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মরিয়ম নেছা বলেন, অভিযোগকারী কি কোন তথ্য প্রমাণ বা ডকুমেন্টস দিয়েছেন? তাহলে কি হবে এমন অভিযোগ করে। মূলত: সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যে অভিযোগ।

সৈয়দপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদুল হাসান বলেন, অভিযোগের অনুলিপি পেয়েছি। তবে অভিযোগটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়েছে। তাই এব্যাপারে তিনিই সিদ্ধান্ত নিবেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হলে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে বিভাগীয় নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করা হবে। তারপর তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!