দুম্বা পালনে সফল সুন্দরগঞ্জের জোবাইদুর রহমান
- আপডেট সময় : ০৯:২৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩ ১৪৯ বার পড়া হয়েছে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মরুভূমির পশু দুম্বার পালনে সফল হয়েছেন জোবাইদুর রহমান। তিনি ব্যপক সাড়া ফেলেছেন এ নিয়ে ।
তিনি তার ইরাকে থাকা ছোট ভাইয়ের পরামর্শে দুম্বা পালন শুরু করেন। আরবের পশু আর এই অঞ্চলে এর লালন পালন না হওয়ায় স্থানীয় মানুষরা পশু দেখতে প্রতিদিনই ভীড় করেন। অনেকে আবার এর পালন করতেও আগ্রহী হন।
জানা গেছে, জোবাইদুর রহমান গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হুড়াভায়া খাঁ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তার ছোট ভাইয়ের পরামর্শে পাবনা থেকে ৪ লাখ টাকা দিয়ে ৩টি দুম্বা এনে পালন শুরু করেন।
তার মধ্যে তুর্কি জাতের দুটি, অন্যটি ডরপর জাতের। পালন পদ্ধতিতে দেশি ছাগল-ভেড়ার মতো হওয়ায় তিনি এর পালন করে লাভবান হতে পারছেন।
এছাড়াও অন্যন্য পশুর তুলনায় এর দাম বেশি। এর গোস্তের স্বাদও অনেক ভাল। এই অঞ্চলে এর পালন না হওয়ায় এলাকার ও আশেপাশের অনেক মানুষ মরুভূমির এই পশুকে দেখতে আসেন।
জোবাইদুর রহমান বলেন, শুরুতে এর লালন পালন নিয়ে খুব ভয় পেয়েছিলাম। কারণ আমি কোনো অধিদপ্তর থেকে সাহায্য পাইনি। আমার ছোট ভাইয়ের পরামর্শে দুম্বা পালন শুরু করি। এর পরিচর্যা আমি নিজেই করি।
একবার দুম্বার শরীরে ফোঁড়া হওয়ায় পিপিআর ভ্যাকসিন নিতে পারেননি। তারপর আমার ছোট ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করে সেখানকার চিকিৎসকের পরামর্শে সুস্থ করতে পারি।
এছাড়াও অন্যন্য পশুর তুলনায় এর দাম বেশি। এর গোস্তের স্বাদও অনেক ভাল। এই অঞ্চলে এর পালন না হওয়ায় এলাকার ও আশেপাশের অনেক মানুষ মরুভূমির এই পশুকে দেখতে আসেন।
তিনি আরো বলেন, এখন ভয় কম। দুম্বার জন্য বিশেষ ঘরের ব্যবস্থা করেছি। গরমের সময় যেন কষ্ট না হয় তার জন্য ফ্যান লাগানো হয়েছে।
আবার শীতের সময়ের জন্য বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়ে ঘর গরম করা হয়।
এছাড়াও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও রয়েছে। দুম্বাগুলোকে পানি, ঘাস, বুট ও অ্যাংকর ডালের ভুসি এবং খড় ছোট ছোট করে কেটে খাওয়ানো হয়। এগুলো কাঠাল পাতা খেতে ভালবাসে।
জোবাইদুর আরো বলেন, আমি দুম্বাগুলোকে প্রতি ১০-১৫ দিন পর পর শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করাই। আর প্রতি ৬ মাস পরপর শরীরের পশম কেটে দেই।
আমার খামারে তুর্কি ও ডরপর জাতের দুম্বা রয়েছে। কিনে আনার ৬ মাস পরই একটি দুম্বা বাচ্চা জন্ম দেয়। মাসখানেকের মধ্যে আরেকটি বাচ্চা জন্ম নিবে। এভাবেই খামার বড় হতে থাকবে। আমার বড় করে দুম্বার খামার করার পরিকল্পনা আছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ-আল-মারুফ বলেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জোবাইদুরের বাড়ি না গেলেও তাঁর দুম্বা পালনের বিষয়টি নিয়ে আমি জানি। তার এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। আশা করছি তিনি অনেক বড় খামার গড়ে তুলবেন।
এতে যদি তার আমার সহযোগিতা প্রয়োজন পড়ে তাহলে তাকে সাহায্য করবো।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
























