ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাইকগাছায় গভীর রাতে বসতঘর থেকে বিধবা নারী রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার গাজীপুরে ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে পোশাককর্মী নিহত আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, সীমান্তে ফের উত্তাপ নীলফামারী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ১২ পদে নিয়োগ ভূরুঙ্গামারীতে গ্রাহকদের অধিকার আদায়ের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিল মধ্যপ্রাচ্য ইতিহাসের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে: কাতারের আমির দারুল আদালত: চট্টগ্রামের চারশ বছরের ইতিহাসের সাক্ষী পানছড়িতে স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ শেষে ৩৮ জনকে সনদ প্রদান বোয়িংয়ের সাথে ১১ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্য ইতিহাসের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে: কাতারের আমির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তার ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক ও অস্থিতিশীল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি। গত মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, গাল্‌ফ অঞ্চলে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে তা আকস্মিক নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অকার্যকর নীতি ও সংকট নিরসনে গড়িমসির একটি সম্মিলিত পরিণাম এটি।

আমিরের ভাষ্যমতে, হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে সৃষ্ট যুদ্ধাবস্থা শুধু আঞ্চলিক নয়, বরং বিশ্বজুড়ে গভীর প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, কিছু পক্ষ তাদের সংকীর্ণ স্বার্থে প্রতিবেশী দেশগুলোকে অপ্রাসঙ্গিক যুদ্ধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। জ্বালানি সরবরাহের প্রধান এই পথটি বন্ধ করে দিয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংঘাত থেকে অনেক দূরের দেশগুলোর নাগরিকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সংকট নিরসনে সংলাপ ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ তামিম। তিনি একটি শক্তিশালী ও ন্যায়সঙ্গত ‘যৌথ নিরাপত্তা’ কাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। তাঁর মতে, প্রতিটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতি পারস্পরিক সম্মান এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করা গেলেই দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধান করা সম্ভব এবং এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত হবে না।

গাজার পরিস্থিতিকে তিনি মানবজাতির বিবেকের জন্য একটি কলঙ্ক এবং ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ফিলিস্তিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান ছাড়া আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার ভিত্তি দুর্বল থেকে যাবে বলে তিনি সতর্ক করেন। ইসরায়েলি নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক উদ্বেগের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তারা আত্মসমালোচনা না করে বরং ভিত্তিহীন দোষারোপ ও প্রোপাগান্ডার আশ্রয় নিচ্ছে।

গাজা থেকে দ্রুত সেনা প্রত্যাহার, অবরোধ তুলে নেওয়া এবং নিঃশর্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে শেখ তামিম বলেন, ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক আইন মানতে বাধ্য করতে হবে। যারা ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদকে সমাধান মনে করে, তারা কখনোই শান্তি চায় না। এছাড়াও তিনি পশ্চিম তীরে বর্ণবৈষম্য, দখলদারিত্ব এবং আল-আকসা মসজিদের অবমাননার মতো ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।

সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিষয়টি তুলে ধরে আমির বলেন, ইসরায়েলের দম্ভ ও অহংকার এখন প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল এবং লেবাননের ভূখণ্ডে দখলদারিত্ব বজায় রাখার চেষ্টা তাদের বেআইনি আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি বড় পরীক্ষা, যেখানে ইসরায়েলের এই বেআইনি কর্মকাণ্ড রুখে দেওয়াই প্রধান দায়িত্ব।

ভাষণের শেষভাগে তিনি মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার তাগিদ দেন। সিরিয়া, লিবিয়া ও সুদানের জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে তিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপের ডাক দেন। পাশাপাশি ইয়েমেন সংকট নিরসনে শান্তিপূর্ণ উপায় এবং সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাতারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনরায় ব্যক্ত করেন। আমির জোর দিয়ে বলেন, মর্যাদা বজায় রাখা, প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তাই একটি জাতির টিকে থাকার মূলমন্ত্র, যা কেবল স্লোগানে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গাল্‌ফ অঞ্চলের এই পরিস্থিতি ‘কারো কাছেই বিস্ময়ের হওয়া উচিত নয়’, বরং এর প্রভাব পুরো বিশ্বজুড়েই ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি মূলত ইরান যুদ্ধের কথাই ইঙ্গিত করেন, যার জেরে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোয় হামলা চালানো হয়েছে এবং বন্ধ হয়ে গেছে হরমুজ প্রণালি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমির বলেন, ‘বছরের পর বছর সাময়িক সমাধান আর অবাস্তব নীতির মাধ্যমে সংকট ব্যবস্থাপনা পিছিয়ে দেওয়ারই পুঞ্জীভূত ফল এটি।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি জানান, বিরোধ নিরসনের একমাত্র পথ হিসেবে কাতার বরাবরই সংলাপ ও আলোচনাকে সমর্থন করে এসেছে-আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে ন্যায্য সমাধানে পৌঁছানোর লক্ষ্যে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর ভাষায়, ‘সংকট-পরবর্তী সময়েও এই অবস্থানই আমাদের রয়ে গেছে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর কথায়, ‘এমন ব্যবস্থার অনুপস্থিতিতেই যুদ্ধ বেধে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, ‘একটি পক্ষের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠেছে তার প্রতিবেশীদের এমন এক যুদ্ধে টেনে নিয়ে যাওয়া, যা আদতে তাদের নিজেদের যুদ্ধই নয়-উত্তেজনা এড়াতে তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সম্পদকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এমনকি বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জ্বালানি বাণিজ্য যে আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে পরিচালিত হয়, তা বন্ধ করে দেওয়াও সম্ভব হয়ে উঠেছে।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মধ্যপ্রাচ্য ইতিহাসের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে: কাতারের আমির

আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তার ইতিহাসের অন্যতম বিপজ্জনক ও অস্থিতিশীল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি। গত মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, গাল্‌ফ অঞ্চলে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে তা আকস্মিক নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অকার্যকর নীতি ও সংকট নিরসনে গড়িমসির একটি সম্মিলিত পরিণাম এটি।

আমিরের ভাষ্যমতে, হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে সৃষ্ট যুদ্ধাবস্থা শুধু আঞ্চলিক নয়, বরং বিশ্বজুড়ে গভীর প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, কিছু পক্ষ তাদের সংকীর্ণ স্বার্থে প্রতিবেশী দেশগুলোকে অপ্রাসঙ্গিক যুদ্ধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। জ্বালানি সরবরাহের প্রধান এই পথটি বন্ধ করে দিয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংঘাত থেকে অনেক দূরের দেশগুলোর নাগরিকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সংকট নিরসনে সংলাপ ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ তামিম। তিনি একটি শক্তিশালী ও ন্যায়সঙ্গত ‘যৌথ নিরাপত্তা’ কাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। তাঁর মতে, প্রতিটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতি পারস্পরিক সম্মান এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করা গেলেই দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধান করা সম্ভব এবং এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত হবে না।

গাজার পরিস্থিতিকে তিনি মানবজাতির বিবেকের জন্য একটি কলঙ্ক এবং ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ফিলিস্তিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান ছাড়া আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার ভিত্তি দুর্বল থেকে যাবে বলে তিনি সতর্ক করেন। ইসরায়েলি নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক উদ্বেগের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তারা আত্মসমালোচনা না করে বরং ভিত্তিহীন দোষারোপ ও প্রোপাগান্ডার আশ্রয় নিচ্ছে।

গাজা থেকে দ্রুত সেনা প্রত্যাহার, অবরোধ তুলে নেওয়া এবং নিঃশর্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে শেখ তামিম বলেন, ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক আইন মানতে বাধ্য করতে হবে। যারা ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদকে সমাধান মনে করে, তারা কখনোই শান্তি চায় না। এছাড়াও তিনি পশ্চিম তীরে বর্ণবৈষম্য, দখলদারিত্ব এবং আল-আকসা মসজিদের অবমাননার মতো ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।

সিরিয়া ও লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিষয়টি তুলে ধরে আমির বলেন, ইসরায়েলের দম্ভ ও অহংকার এখন প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল এবং লেবাননের ভূখণ্ডে দখলদারিত্ব বজায় রাখার চেষ্টা তাদের বেআইনি আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি বড় পরীক্ষা, যেখানে ইসরায়েলের এই বেআইনি কর্মকাণ্ড রুখে দেওয়াই প্রধান দায়িত্ব।

ভাষণের শেষভাগে তিনি মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার তাগিদ দেন। সিরিয়া, লিবিয়া ও সুদানের জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে তিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপের ডাক দেন। পাশাপাশি ইয়েমেন সংকট নিরসনে শান্তিপূর্ণ উপায় এবং সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাতারের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনরায় ব্যক্ত করেন। আমির জোর দিয়ে বলেন, মর্যাদা বজায় রাখা, প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তাই একটি জাতির টিকে থাকার মূলমন্ত্র, যা কেবল স্লোগানে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গাল্‌ফ অঞ্চলের এই পরিস্থিতি ‘কারো কাছেই বিস্ময়ের হওয়া উচিত নয়’, বরং এর প্রভাব পুরো বিশ্বজুড়েই ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি মূলত ইরান যুদ্ধের কথাই ইঙ্গিত করেন, যার জেরে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোয় হামলা চালানো হয়েছে এবং বন্ধ হয়ে গেছে হরমুজ প্রণালি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমির বলেন, ‘বছরের পর বছর সাময়িক সমাধান আর অবাস্তব নীতির মাধ্যমে সংকট ব্যবস্থাপনা পিছিয়ে দেওয়ারই পুঞ্জীভূত ফল এটি।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি জানান, বিরোধ নিরসনের একমাত্র পথ হিসেবে কাতার বরাবরই সংলাপ ও আলোচনাকে সমর্থন করে এসেছে-আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে ন্যায্য সমাধানে পৌঁছানোর লক্ষ্যে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর ভাষায়, ‘সংকট-পরবর্তী সময়েও এই অবস্থানই আমাদের রয়ে গেছে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর কথায়, ‘এমন ব্যবস্থার অনুপস্থিতিতেই যুদ্ধ বেধে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, ‘একটি পক্ষের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠেছে তার প্রতিবেশীদের এমন এক যুদ্ধে টেনে নিয়ে যাওয়া, যা আদতে তাদের নিজেদের যুদ্ধই নয়-উত্তেজনা এড়াতে তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সম্পদকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এমনকি বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জ্বালানি বাণিজ্য যে আন্তর্জাতিক জলপথ দিয়ে পরিচালিত হয়, তা বন্ধ করে দেওয়াও সম্ভব হয়ে উঠেছে।

Facebook Comments Box