প্রাথমিক শিক্ষকদের পদোন্নতি: আইনি জট কাটলেও রায়ের কপির অপেক্ষায় থমকে আছে কার্যক্রম : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
প্রাথমিক শিক্ষকদের পদোন্নতি: আইনি জট কাটলেও রায়ের কপির অপেক্ষায় থমকে আছে কার্যক্রম : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়িয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ অস্থিতিশীল করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মেসির ক্যারিয়ারের রসিদ: সর্বকালের সেরা বিতর্কের ইতি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল বেঙ্গল ফিল্ম সোসাইটি প্রাথমিক শিক্ষকদের পদোন্নতি: আইনি জট কাটলেও রায়ের কপির অপেক্ষায় থমকে আছে কার্যক্রম কুয়েতে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, সতর্ক অবস্থানে সেনাবাহিনী চাটমোহরে মারধরের ঘটনায় চিকিৎসাধীন দিনমজুরের মৃত্যু জলবায়ু অর্থায়ন ও কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনায় ২৫ সদস্যের জাতীয় কমিটি গঠন জ্বালানি সংকট নিরসনে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

প্রাথমিক শিক্ষকদের পদোন্নতি: আইনি জট কাটলেও রায়ের কপির অপেক্ষায় থমকে আছে কার্যক্রম

সৃষ্টি শিক্ষা ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

প্রাথমিক শিক্ষকদের পদোন্নতি: আইনি জট কাটলেও রায়ের কপির অপেক্ষায় থমকে আছে কার্যক্রম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির দীর্ঘ ১৩ বছরের আইনি জটিলতা গত ২ জুন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে নিরসন হয়েছে। এই রায়ের ফলে হাজার হাজার সহকারী শিক্ষকের প্রধান শিক্ষক হওয়ার পথ সুগম হলেও, তিন মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও রায়ের মূল কপি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) হাতে পৌঁছায়নি। ফলে প্রশাসনিকভাবে পদোন্নতির পরবর্তী ধাপগুলো থমকে আছে এবং ৩৬ হাজার ২৩৫টি শূন্য পদে পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভব হচ্ছে না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী জানিয়েছেন, আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। অধিদপ্তর থেকে ইতিমধ্যে রায়ের কপির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করা হয়েছে।

 

পড়ুন>>বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৫ টাকা 

 

তিনি উল্লেখ করেন, সার্টিফাইড কপি হাতে না পাওয়া পর্যন্ত আইনি বাধ্যবাধকতায় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাচ্ছে না। কপি পাওয়া মাত্রই দ্রুতগতিতে পদোন্নতির কাজ শুরু করার প্রস্তুতি রয়েছে অধিদপ্তরের।

বর্তমানে দেশে মোট ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬ হাজার ২৩৫টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। দীর্ঘদিন ধরে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকেরা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তাঁরা পদের মর্যাদা ও আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আদালতের রায়ের পর শিক্ষকদের মধ্যে যে আশার সঞ্চার হয়েছিল, রায়ের কপি পেতে বিলম্ব হওয়ায় তা এখন নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পড়ুন>>আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

দীর্ঘদিন পদোন্নতি বন্ধ থাকায় মাঠপর্যায়ে জ্যেষ্ঠতার তালিকা বা গ্রেডেশন তৈরিতেও জটিলতা তৈরি হয়েছে। অনেক শিক্ষকের চাকরির তথ্যে পরিবর্তন আসায় নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন করা অধিদপ্তরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে অধিদপ্তর এই তালিকা তৈরির কাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

 

ভুক্তভোগী শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, ১৩ বছরের দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তারা আর কোনো প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা চান না। তারা দ্রুত রায়ের কপি সংগ্রহ করে জ্যেষ্ঠতার তালিকা চূড়ান্ত করার এবং পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারির জোর দাবি জানিয়েছেন।

এই পদোন্নতি প্রক্রিয়া কার্যকর হলে প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বড় ধরনের প্রশাসনিক পরিবর্তন আসবে। ৩৬ হাজার ২৩৫ জন সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক পদে উন্নীত হলে তাদের ছেড়ে আসা পদগুলোসহ মোট ৩৮ হাজার ৪৩৩টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিশাল শূন্যতা পূরণে পরবর্তীতে নতুন করে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চ্যালেঞ্জও ডিপিইকে মোকাবিলা করতে হবে। সব মিলিয়ে, এই পুরো প্রক্রিয়ার গতি এখন আদালতের রায়ের মূল কপি পাওয়ার ওপরই নির্ভর করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















error: Content is protected !!