পেরিলা চাষ পদ্ধতি : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
  1. admin@sristy.net : admin :
পেরিলা চাষ পদ্ধতি : দৈনিক সৃষ্টি নিউজ
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ১০টি স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন ও নতুন কমিটি গঠন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ২৭ পদে নিয়োগ: আবেদনের শেষ তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ কুড়িগ্রামে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময় মোর নাম এই নামে খ্যাত হোক আমি তোমাদেরই লোক’ – নিজ জেলায় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ঠাকুরগাঁওয়ে ট্যাপেনটাডলের বড় চালান জব্দ, নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার ২ তিলাই উচ্চ বিদ‍্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ বাংলাদেশসহ তিন দেশে এলএনজি সরবরাহ স্থগিতের মেয়াদ বাড়াল কাতার এনার্জি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে কোণঠাসা ট্রাম্প, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের আশঙ্কায় প্যানেটা অস্তিত্ব সংকটে কুতুবদিয়ার ম্যানগ্রোভ বন: লবণ চাষের আগ্রাসনে কমছে উপকূলের রক্ষাকবচ নেপালে বন্যায় নিখোঁজের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার বৃদ্ধা, শোকের বদলে পরিবারে স্বস্তি

পেরিলা চাষ পদ্ধতি

সৃষ্টি কৃষি ডেস্ক
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০২২
নতুন তৈল বীজ পেরিলা চাষ পদ্ধতি

 

 

পেরিলা চাষ পদ্ধতি

 

 

পেরিলা বাংলাদেশে অভিযোজিত একটি নতুন ভোজ্য তেল ফসল। সম্ভাবনাময় ফসল পেরিলা চাষ করে বেশ ভালো লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।ঘাটতি মিলতে পারে ভোজ্য তেলের।

এটি চাষ করে দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদাও অনেকাংশ মেটানো সম্ভব। এটি মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার জাত যা কোরিয়ান পেরিলা নামে পরিচিত।

২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক সাউ পেরিলা-১ (গোল্ডেন পেরিলা বিডি) নামে বাংলাদেশে প্রথম এর একটি জাত নিবন্ধিত হয়। জাতটি এখন মাঠ পর্যায়ে চাষ শুরু হয়েছে।

এখন বাংলাদেশের মাটিতে যে কেউ চাষ করতে পারেন। তবে চাষের আগে কয়েকটি বিষয়ে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।

সাউ পেরিলা-১ (গোল্ডেন পেরিলা বিডি) পানি জমে থাকে না এমন ছাড়া প্রায় সব ধরনের মাটিতে এ ফসল চাষের উপযোগী। তবে বেলে দোঁ-আশ বা দোঁ-আশ মাটি পেরিলা চাষের জন্য বেশি ভালো।

বীজতলা তৈরি, ও বীজ বপন:
খরিপ-২ মৌসুম, বীজ বপনের উপযুক্ত সময় ১০ জুলাই-২৫ জুলাই। পেরিলা অত্যন্ত ফটোসেনসেটিভ ফসল।

সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে পেরিলা গাছে ফুল আসা শুরু হয়। কাজেই গাছের পর্যাপ্ত অঙ্গজ বৃদ্ধি ও কাঙ্ক্ষিত মাত্রার ফলন পেতে হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবশ্যই বীজ বপন করতে হবে।

প্রতি হেক্টরে এক থেকে দেড় কেজি বীজের প্রয়োজন হয়।  প্রস্থ এক থেকে দেড় মিটার হবে বীজতলা সাইজ। দৈর্ঘ্য জমির আকার অনুযায়ী যেকোনো মাপে নেওয়া যাবে। জৈবসারের ব্যবস্থা করলে স্বাস্থ্যবান চারা পাওয়া যাবে।

দুই বেডের মাঝে নালার ব্যবস্থা রাখতে হবে, যাতে বৃষ্টি হওয়ার পর অতিরিক্ত পানি বীজতলায় জমে না থাকতে পারে। বীজের আকার ছোট হওয়ায় মাটি যথাসম্ভব ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। পিঁপড়ার আক্রমণ যেন না হয়। সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

খরিপ-২ মৌসুমে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় বীজ বপনের পর প্রথম ১৫ দিন পর্যন্ত বীজতলার চার পাশে খুঁটি দিয়ে উঁচু করে পলিথিন দেওয়া যেতে পারে। ১/৪ ইঞ্চি গভীর লাইন করে বীজ বপন করলে বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা বাড়ে।

অথবা বীজ ছিটিয়ে দিয়ে ঝুরঝুরে মাটি উপরে দিয়ে দিতে হবে। বীজ বপনের পর বীজতলায় হালকা করে পানি দিতে হবে। যাতে একেবারে শুকিয়ে না । সেদিকে খেয়াল করতে হবে।

জেনে নিন>>রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও উচ্চ ফলনশীল টমেটোর জাতগুলো থেকে জেনে নিন কোনটি চাষ করে লাভবান হবেন

জমি তৈরি ও চারা রোপণ:
চার থেকে পাঁচটি আড়াআড়ি চাষ এবং মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে জমি তৈরি করতে হবে। জমির চারপাশে নালার ব্যবস্থা করলে পানি নিষ্কাশনের জন্য সুবিধা হবে। গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৩০-৪০ সেন্টিমিটার এবং লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব ৩০-৪০ সেন্টিমিটার বজায় রেখে চারা রোপণ করতে হয়।

বীজ বপনের ২৫-৩০ দিন পর চারা রোপণের উপযোগী হয়। এ সময় প্রতিটি চারায় পাঁচ থেকে ছয়টি পাতা হয়। চারা উত্তোলনের সঙ্গে সঙ্গেই রোপণ করতে হবে। চারা উত্তোলনের পর চারার আঁটি বাঁধার সময় শিকড়ে মাটি রেখে দিলে রোপণের পর গাছের দ্রুত বৃদ্ধিতে উপকার হয়।

মূল জমিতে সাধারণত দুই মিটার প্রশস্ত বেড তৈরি করে চারা রোপণ করলে পানি নিষ্কাশনের জন্য ভালো হয়। দুই বেডের মাঝে ২০-৩০ সেন্টিমিটার প্রশস্ত নালা রাখতে হবে।

সাধারণত বেড তৈরি ছাড়াও চারা রোপণ করা যায়। সেক্ষেত্রে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। চারা রোপণের পর পরই হালকা সেচ দিতে হবে।

জেনে নিন>>লাভজনক পদ্ধতিতে ফুলকপি চাষ Fulkaffi chash

সেচ ও নিষ্কাশন:
বর্ষাকাল বা খরিপ-২ মৌসুমে পেরিলার চাষ হওয়ায় সাধারণত সেচের প্রয়োজন হয় না। তবে ফুল আসার সময় একটানা ১৫-২০ দিন বৃষ্টি না হলে হালকা সম্পূরক সেচের প্রয়োজন হতে পারে। জমিতে যেন পানি জমে না থাকে সেজন্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

অন্যান্য পরিচর্যা:
রোপণের ১০-১৫- দিন পর প্রথমবার এবং ২৫-৩০ দিন পর দ্বিতীয়বার নিড়ানি দিতে হয়। এ ফসলে সাধারণত রোগ এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ খুবই কম।

Please Share This Post in Your Social Media

4 responses to “পেরিলা চাষ পদ্ধতি”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর















WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
error: Content is protected !!