“পাঠাগার শুধু বই পড়ার স্থান নয়, এটি মানুষের জ্ঞান, চিন্তা ও মনন বিকাশের অন্যতম কেন্দ্র। একটি সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে পাঠাগারের ভূমিকা অপরিসীম। তাই পাঠাগারকে গণমানুষের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”
কথাগুলো বলেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মোহনা পাঠাগারের সভাপতি শেখ রাসেল। তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করতে এবং তাদের সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে মোহনা পাঠাগার ভবিষ্যতেও বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মোহনা পাঠাগারের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মোহনা পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক রাজকুমার লিটনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মোহনা পাঠাগারের সাবেক সভাপতি জনাব তৌফিকুর রহমান আইনী মুকুট, সাইফুল ইসলাম, চৌধুরী কামরুল হাসান কাজল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজুর রহমান মন্ডল, ফয়সাল সাকিদার, শিক্ষক নেতা ও উপাধ্যক্ষ নাসরিন সুলতানা, বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এম. এ. গাফফার মোল্লা এবং বামনডাঙ্গা শিশু নিকেতন অ্যান্ড মডেল হাই স্কুলের চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, পাঠাগার জ্ঞানচর্চা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। তরুণ প্রজন্মকে বই পড়ায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, দর্শন ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
মোহনা পাঠাগারের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ছিল চিত্রাঙ্কন, রচনা প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ।
পরে চিত্রাঙ্কন, রচনা ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে পাঠাগারের সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাহিত্যপ্রেমী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply