ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ ​নাগেশ্বরীতে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস ডোমারে উদযাপন কাউনিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন   কাউনিয়ায় যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আনন্দ র‍্যালি তারেক রহমান ও বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালাচ্ছে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত বাহিনী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার নির্ধারণী কর্মশালা ও উপাচার্যের দিকনির্দেশনা চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৯৩ জনের নিয়োগ, আবেদন শুরু নভেম্বরে ঢালচরের পর্যটন বিকাশে মতবিনিময় করল ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন

তাহিরপুরে স্ত্রীর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে স্বামীর মানববন্ধন

সুনামগঞ্জ থেকে আমির হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৯:২২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৫০ বার পড়া হয়েছে

তাহিরপুরে স্ত্রীর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে স্বামীর মানববন্ধন

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তাহিরপুরে স্ত্রীর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে স্বামীর মানববন্ধন

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাদাঘাটে স্ত্রী নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।

৮ সেপ্টেম্বর তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট বাজার প্রাঙ্গনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্বামী আবু তালহা ( ইমন) পিতা রইছ উদ্দিন, মা স্কুল শিক্ষিকা জুয়েনা আক্তার, প্রতিবেশী তাজুদ আলী, বুদু মিয়া, বুলবুল মিয়া প্রমুখ।

ভুক্তভোগী স্বামী আবু তালহা ইমন মানববন্ধনে বলেন, ২০২২ সালের ৮ আগষ্ট ইসলামি শরীয়তে তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের ধূতমা গ্রামের আশরাফ আলীর মেয়ে সালমা আক্তারকে দুই লাখ টাকা দেন-মোহরনায় বিয়ে করেন। মোহরনার সব টাকা সঙ্গে সঙ্গে কাবিননামায় পরিশোধ করে দেন তিনি। বিয়ের পর তাদের ঔরসে আদিয়া ইবনাত (ঊষা) নামে একটি কন‍্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। সন্তান হওয়ার পর থেকে তার স্ত্রী তার সঙ্গে নানা তালবাহানা ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে।

গত তিনমাস আগে তার নিজ বাড়ি থেকে কন্যা সন্তান সহ স্ত্রীর বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। বাবার বাড়ি যাওয়ার পর স্বামীকে ফোন দিয়ে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। তাদের বাড়ি যাওয়ার পর তুচ্ছ বিষয় নিয়ে স্ত্রী সহ তার পরিবারের লোকজন স্বামীকে মারপিট ও নির্যাতন করেন।

এক পর্যায়ে বিবাহিত স্ত্রী বলেন, বিয়ের আগের দুই লাখ টাকা কাবিননামা হবেনা। আমাকে আবার নতুন করে পুনরায় ১০ লাখ টাকা কাবিন নামা দিয়ে বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে, নতুবা তার সংসার তিনি আর করবেন না।

একথা বলে স্বামীকে মারপিট করে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেন। স্ত্রীর কথা মতো স্বামী রাজি না হওয়ায় গত ২৯ আগষ্ট তাহিরপুর হাসপাতাল থেকে মিথ্যা ইনজুরি সার্টিফিকেট নিয়ে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি পিটিশন মিথ্যা মামলা করে তার স্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ‘তার স্ত্রী বাবার বাড়ি যাওয়ার সময়ে তার ঘর থেকে ৭ ভরি স্বর্ণ ও নগদ টাকা নিয়ে গেছেন। আমার সন্তানের মুখের দিকে থাকিয়ে সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য স্ত্রীর কথা মতো তাদের বাড়িতে নিজ খরচে থাকি এবং দুই লাখ টাকা স্ত্রীর কাছে জমা রাখি।’

এগুলোর পর ও স্ত্রী এবং তার পরিবারের নির্যাতন থেকে স্বামী কোন অবস্থায় রেহাই পাননি। তিনি হয়রানি ও নির্যাতন এবং মিথ্যা বানোয়াট মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করেন।

ভুক্তভোগী আবু তালহা ইমনের মা জুয়েনা আক্তার বলেন, ‘আমি একজন স্কুল শিক্ষিকা। আমাকে এই মিথ্যা মামলায় ছেলের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে’।

তিনি এই মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত এবং অযথা হয়রানি করার বিচার দাবি করেন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তাহিরপুরে স্ত্রীর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে স্বামীর মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৯:২২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

তাহিরপুরে স্ত্রীর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে স্বামীর মানববন্ধন

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাদাঘাটে স্ত্রী নির্যাতন ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।

৮ সেপ্টেম্বর তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট বাজার প্রাঙ্গনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্বামী আবু তালহা ( ইমন) পিতা রইছ উদ্দিন, মা স্কুল শিক্ষিকা জুয়েনা আক্তার, প্রতিবেশী তাজুদ আলী, বুদু মিয়া, বুলবুল মিয়া প্রমুখ।

ভুক্তভোগী স্বামী আবু তালহা ইমন মানববন্ধনে বলেন, ২০২২ সালের ৮ আগষ্ট ইসলামি শরীয়তে তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের ধূতমা গ্রামের আশরাফ আলীর মেয়ে সালমা আক্তারকে দুই লাখ টাকা দেন-মোহরনায় বিয়ে করেন। মোহরনার সব টাকা সঙ্গে সঙ্গে কাবিননামায় পরিশোধ করে দেন তিনি। বিয়ের পর তাদের ঔরসে আদিয়া ইবনাত (ঊষা) নামে একটি কন‍্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। সন্তান হওয়ার পর থেকে তার স্ত্রী তার সঙ্গে নানা তালবাহানা ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে।

গত তিনমাস আগে তার নিজ বাড়ি থেকে কন্যা সন্তান সহ স্ত্রীর বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। বাবার বাড়ি যাওয়ার পর স্বামীকে ফোন দিয়ে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। তাদের বাড়ি যাওয়ার পর তুচ্ছ বিষয় নিয়ে স্ত্রী সহ তার পরিবারের লোকজন স্বামীকে মারপিট ও নির্যাতন করেন।

এক পর্যায়ে বিবাহিত স্ত্রী বলেন, বিয়ের আগের দুই লাখ টাকা কাবিননামা হবেনা। আমাকে আবার নতুন করে পুনরায় ১০ লাখ টাকা কাবিন নামা দিয়ে বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে, নতুবা তার সংসার তিনি আর করবেন না।

একথা বলে স্বামীকে মারপিট করে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেন। স্ত্রীর কথা মতো স্বামী রাজি না হওয়ায় গত ২৯ আগষ্ট তাহিরপুর হাসপাতাল থেকে মিথ্যা ইনজুরি সার্টিফিকেট নিয়ে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি পিটিশন মিথ্যা মামলা করে তার স্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ‘তার স্ত্রী বাবার বাড়ি যাওয়ার সময়ে তার ঘর থেকে ৭ ভরি স্বর্ণ ও নগদ টাকা নিয়ে গেছেন। আমার সন্তানের মুখের দিকে থাকিয়ে সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য স্ত্রীর কথা মতো তাদের বাড়িতে নিজ খরচে থাকি এবং দুই লাখ টাকা স্ত্রীর কাছে জমা রাখি।’

এগুলোর পর ও স্ত্রী এবং তার পরিবারের নির্যাতন থেকে স্বামী কোন অবস্থায় রেহাই পাননি। তিনি হয়রানি ও নির্যাতন এবং মিথ্যা বানোয়াট মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করেন।

ভুক্তভোগী আবু তালহা ইমনের মা জুয়েনা আক্তার বলেন, ‘আমি একজন স্কুল শিক্ষিকা। আমাকে এই মিথ্যা মামলায় ছেলের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে’।

তিনি এই মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত এবং অযথা হয়রানি করার বিচার দাবি করেন।

Facebook Comments Box