ডোমারে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০৭:৩২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
ডোমারে অঞ্জাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার
নীলফামারীর ডোমারে ডোমারে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
উপজেলার ৯ নং সোনারায় ইউনিয়ন ভেলসিপাড়া রেল লাইনের ব্রিজের নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে ডোমার থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে ডোমার থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পড়ুন>>চৌহালীতে সরকারি রাস্তা দখল করে দোকান নির্মাণ
স্থানীয় লোকজন এবং এলাকাবাসীর সুত্রে জানাযায়, তারা সকাল বেলা রেল লাইনের ধারে বেড়াতে গেলে ব্রিজের নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পায়, এবং শোরগোল শুরু হলে এলাকার লোকজন আসতে শুরু করে এবং কেউ বলতে পারছেনা লাশটা কার।
বিষয়টি নিয়ে একেকজন একেক ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিতে থাকে এবং ডোমার থানা পুলিশকে অবগত করেন।
বিষয়টি ফেসবুকে দেখতে পেয়ে মৃতের সৎ ভাই (বাবা আলাদা) আসাদুজ্জামান বাবু (৩৩) ঘটনাস্থলে আসার পরে যুবকের পরিচয় মেলে।
মৃতের সৎভাই আসাদুজ্জামান বাবু জানান, আমার ভাই মশিউর রহমান শান্তর(২৮) এর ১১ মাস আগে ডোমার উপজেলার গোমনাতি ইউনিয়নের মাঝা পাড়া এলাকার মিজানের মেয়ে স্মৃতি বেগমের (২০) সাথে বিয়ে হয়। কিছু দিন পূর্বে স্ত্রী স্মৃতি বেগম বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে।
গত ৬ দিন আগে শান্ত তার শ্বশুর বাড়িতে আসে সেখানে গিয়ে সে তার শ্বশুর বাড়িতে অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে এক পর্যায়ে সে সবাইকে মারধর ও বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর করে।
খবর পেয়ে শান্তকে আনতে তার মা বিউটি বেগম (৫০)গত সোমবার সকালে শান্তর শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে শান্তকে নিয়ে ওই দিন রাতে নীল সাগর ট্রেনে চিলাহাটি থেকে সৈয়দপুর যাওয়ার পথে মায়ের অজান্তে ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়ে শান্ত।
মা বিউটি বেগম এ সময় জানান, ট্রেনে শান্ত আত্মহত্যা করার কথাও তার মাকে বলেছেন। ছেলে শান্ত শ্বশুর বাড়িতে গেছেন ধারণা করে তার মা সৈয়দপুরে নিজ বাড়িতে ফিরে যান। এদিকে ফেসবুকের মাধ্যমে খবর পান মা বিউটি বেগম। তিনি আরও বলেন আমার জানা মতে সে মাদক সেবন করত।
উল্লেখ্য যে, মশিউর রহমান শান্ত সৈয়দপুর উপজেলার এয়ারপোর্ট এলাকার পশ্চিম দিকে নিউ মুন্সিপাড়ার মোখলেছুর রহমান হেলালের পুত্র।
এবিষয়ে ডোমার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। লাশের পরিচয় পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবার খবর পেয়ে আসলে আমরা লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসি। একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলায় প্রেরণ করার প্রক্রিয়া চলছে।


























