ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডিএমপি: জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন হত্যায় বিচার শুরুর নির্দেশ লন্ডনে উদ্বোধন হলো প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীর স্থায়ী ঠিকানা ‘চাটগাঁ হাউস’ দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে ছিটকে গেলেন ওপেনার সাদমান ইসলাম বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনে ৩৯টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ শান্তি কোনো বিলাসিতা নয়, অক্সফোর্ড ইউনিয়নে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমে ১৬ ডিগ্রিতে, বাড়ছে শীতের প্রকোপ নিউজিল্যান্ড উপকূলে আটকে পড়া ৪৩টি তিমির মর্মান্তিক মৃত্যু ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন বিরোধী নেতা আইজেনকোট দেশ পুনর্গঠনে সরকার কাজ করছে, জানালেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আজম খান

ডিএমপি: জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণ এবং গণপরিবহণে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো কেবল বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, বরং এগুলো পরিকল্পিত নাশকতা। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্যেই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন।

তিনি জানান, প্রতিটি ঘটনার ওপর পুলিশ নিবিড় নজর রাখছে এবং নিয়মিত তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য ও তাদের সহযোগীরাও রয়েছেন। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনমনে তৈরি হওয়া ভীতি দূর করতে ডিএমপির মোবাইল পেট্রোল ও পিকেট ডিউটি আগের চেয়ে জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই যেন তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও পুলিশের অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

নাশকতায় ব্যবহৃত ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরক সংগ্রহ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আকতার হোসেন বলেন, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেফতার করেছে। নাশকতার উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্প বা অন্য কোনো উৎস থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তাও কঠোর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দাহ্য পদার্থ সংগ্রহকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডিএমপি সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। নাশকতার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেফতারের মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিএমপি: জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ

আপডেট সময় : ০৩:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণ এবং গণপরিবহণে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো কেবল বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, বরং এগুলো পরিকল্পিত নাশকতা। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্যেই একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন।

তিনি জানান, প্রতিটি ঘটনার ওপর পুলিশ নিবিড় নজর রাখছে এবং নিয়মিত তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য ও তাদের সহযোগীরাও রয়েছেন। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনমনে তৈরি হওয়া ভীতি দূর করতে ডিএমপির মোবাইল পেট্রোল ও পিকেট ডিউটি আগের চেয়ে জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই যেন তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও পুলিশের অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

নাশকতায় ব্যবহৃত ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরক সংগ্রহ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আকতার হোসেন বলেন, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেফতার করেছে। নাশকতার উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্প বা অন্য কোনো উৎস থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তাও কঠোর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দাহ্য পদার্থ সংগ্রহকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। ঢাকা মহানগরীর প্রতিটি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডিএমপি সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। নাশকতার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেফতারের মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন।

Facebook Comments Box