ডাকযোগে ভোটে ট্রাম্পের বিধিনিষেধ আটকে দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
- আপডেট সময় : ০৯:০০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
ডাকযোগে ভোটে ট্রাম্পের বিধিনিষেধ আটকে দিল মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট
যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে মেইল-ইন ব্যালট বা ডাকযোগে ভোটদানের ওপর নতুন কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের উদ্যোগ নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের নতুন আদেশে সেই পরিকল্পনা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।
আদালত এক নিম্ন আদালতের ফেডারেল বিচারকের দেওয়া স্থগিতাদেশ বহাল রেখে মার্কিন ডাক বিভাগকে (ইউএসপিএস) ট্রাম্পের নির্দেশিত নিয়ম বাস্তবায়নে সাময়িকভাবে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে গত মার্চ মাসে জারিকৃত এক নির্বাহী আদেশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ডাক বিভাগের ভোটের খামে বিশেষ ধরনের বারকোড যুক্ত করা এবং মেইল-ইন ব্যালট গ্রহণকারী ভোটারদের যাবতীয় তথ্য একটি নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টালে প্রকাশের নির্দেশ দেন। ট্রাম্পের দাবি, নির্বাচনী জালিয়াতি প্রতিরোধে এসব কড়াকড়ি প্রয়োজন। তবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে ওয়াশিংটন ডিসিসহ দেশটির ২৩টি অঙ্গরাজ্য আদালতের শরণাপন্ন হয়।
পড়ুন>>যুক্তরাজ্যে কাতারি আমিরের নামে ইনোভেশন সেন্টারের যাত্রা শুরু
পরবর্তীতে ডেমোক্র্যাট-শাসিত ২৪টি অঙ্গরাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা সতর্কবার্তা দেন যে, নির্বাচনের মুখে এমন নিয়ম চালু হলে সাধারণ ভোটারদের কাছে ব্যালট পৌঁছানোর প্রক্রিয়া চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। একইভাবে সাতজন রিপাবলিকান নির্বাচন কর্মকর্তাও এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে উল্লেখ করেন, শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন আনলে নির্বাচন পরিচালনায় বিভ্রান্তি, বড় ভুল ও বিলম্ব তৈরি হতে পারে।
নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের এমন উদ্বেগের ধারাবাহিকতায় জর্জিয়ার চেরোকি কাউন্টির নির্বাচন পরিচালক অ্যান ডোভার আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, শেষ সময়ের এই নিয়ম পরিবর্তনের দরুন হাজার হাজার বৈধ নাগরিক তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হতে পারতেন। তবে স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তারা আইনি লড়াই সত্ত্বেও সাধারণ কার্যক্রম সচল রাখার পাশাপাশি সম্ভাব্য যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার আগাম প্রস্তুতি রাখছেন।
পড়ুন>>পাবনায় অটোভ্যান চালক নিখোঁজ ও উদ্ধারকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন
আইনি লড়াইয়ের এ পর্যায়ে আদালতের রক্ষণশীল বিচারপতি ব্রেট কাভানাও ইঙ্গিত দিয়েছেন, মামলার পরবর্তী বিচারিক ধাপে মূল সিদ্ধান্তের রায় ট্রাম্পের পক্ষেও যেতে পারে। অন্যদিকে, বর্তমান স্থগিতাদেশের কঠোর বিরোধিতা করেছেন বিচারপতি স্যামুয়েল আলিটো ও ক্ল্যারেন্স থমাস। উল্লেখ্য, দুই বছর আগের মার্কিন সাধারণ নির্বাচনে দেশের মোট ভোটারের প্রায় ৩০ শতাংশ ডাকযোগে মতপ্রকাশ করেছিলেন। বিশেষ করে ওয়াশিংটন, ওরেগন ও কলোরাডোর মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার একটি বড় অংশ সম্পন্ন হয় এই ব্যবস্থার মাধ্যমে।
ডাকযোগে ভোটদান ঘিরে ট্রাম্পের আইনি জটিলতায় পড়ার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে গত জুন মাসেও সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে নির্দেশ দিয়েছিল যে, নির্বাচনের দিন বা তার আগে ডাকযোগে পাঠানো এবং যথাযথ সিলমোহরযুক্ত সকল ব্যালট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ























