ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরিবেশ সচেতন আগামী প্রজন্ম গড়ার অঙ্গীকারে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে শেষ হলো গ্রিন জেনেসিস ২০২৬ গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘর ছাড়ছে দৌলতপুরের বানভাসি মানুষ সুন্দরগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তশিলদারের অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউএনও ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দেশে ইলিশের ঘাটতি: প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আমদানি রাণীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি ঠেকাতে রাজপথে জনতা মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা: সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান ব্রিকস নেতাদের পুলিশের পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা

ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্রি সেচ সুবিধা: দুশ্চিন্তা থেকে চাষিদের মুখে হাসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ অগাস্ট ২০২২ ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্রি সেচ সুবিধা: দুশ্চিন্তা থেকে চাষিদের মুখে হাসি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁও থেকে  মজিবর রহমান শেখ: ঠাকুরগাঁও জেলায় খরিফ-২ (আমন) মৌসুমে প্রয়োজনীয় বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় ছিলেন চাষিরা। তবে সে দুশ্চিন্তা থেকে চাষিদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আমন ধানের জমিতে সম্পূরক সেচের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠাকুরগাঁও জেলা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে, এ বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়িত ভুল্লি বাঁধ সেচ প্রকল্পের ৮০০ হেক্টর, টাংগন বাঁধ সেচ প্রকল্পের ৪৪৫০ হেক্টর, বুড়ি বাঁধ সেচ প্রকল্পের ১৭২০ হেক্টর জমি সহ ঠাকুরগাঁও জেলার সকল সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে ১১,৬৬৫ হেক্টর জমিতে সম্পূরক সেচ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে ১১,৬৬৫ হেক্টর জমিতে ৫৮,২৭৫ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হবে, যার মূল্য ১১৫ কোটি টাকা।

এতে আনুমানিক ৮১ কোটি টাকার জ্বালানি সাশ্রয় হবে। ঠাকুরগাঁও জেলা অফিসের আওতায় ৮৯টি কৃষক পানি ব্যবস্থাপনা দল রয়েছে। এতে ভূল্লী বাঁধ সেচ প্রকল্পের ১ হাজার জন, টাংগন বাঁধ ৬ হাজার জন ও বুড়ি বাঁধ সেচ প্রকল্পে ২ হাজার জন কৃষক সুবিধা পাচ্ছেন। বুড়ি বাঁধ সেচ প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগী কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, যে পরিমাণ বৃষ্টির প্রয়োজন সেটি পাওয়া যাচ্ছে না খরার কারনে। তবে সম্পূরক সেচের মাধ্যমে আমন জমিতে পানি দেয়ায় হতাশা দূর হয়েছে। ভালো ফসল হবে আশা করছি।

ভূল্লী বাঁধ সেচ প্রকল্পের সভাপতি আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের বাঁধের আওতায় এক হাজার কৃষক সম্পূরক সেচ পাচ্ছেন। আমরা আমন ধান নিয়ে অনেক বেশী দুশ্চিন্তার মধ্যে ছিলাম। আর এবারে যখন বৃষ্টি হওয়া দরকার তখন আমরা বৃষ্টি পায়নি। তবে সম্পূরক সেচের মাধ্যমে আমিসহ আমাদের এখানকার চাষিরা অনেক উপকৃত হচ্ছেন। আর কৃষিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন।জেলার টাংগন, বুড়ি ও ভুল্লি বাঁধ সেচ প্রকল্পের পূর্নবাসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান বলেন, আমন জমিতে সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে চাষিরা দারুণ ভাবে লাভবান হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি তাদের পাশে থাকার। সম্পূরক সেচের মাধ্যমে বড় অঙ্কের একটি জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠাকুরগাঁও জেলা উপ-প্রধান সম্প্রসারণ অফিসার রফিউল বারী বলেন, আমরা সব সময় চাষিদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। খরা মোকাবেলায় আমরা আমন ধানের জমিতে সম্পূরক সেচের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা মনে করছি এর মাধ্যমে কৃষিতে স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্রি সেচ সুবিধা: দুশ্চিন্তা থেকে চাষিদের মুখে হাসি

আপডেট সময় : ১০:০৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ অগাস্ট ২০২২

ঠাকুরগাঁও থেকে  মজিবর রহমান শেখ: ঠাকুরগাঁও জেলায় খরিফ-২ (আমন) মৌসুমে প্রয়োজনীয় বৃষ্টি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় ছিলেন চাষিরা। তবে সে দুশ্চিন্তা থেকে চাষিদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য আমন ধানের জমিতে সম্পূরক সেচের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠাকুরগাঁও জেলা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে, এ বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়িত ভুল্লি বাঁধ সেচ প্রকল্পের ৮০০ হেক্টর, টাংগন বাঁধ সেচ প্রকল্পের ৪৪৫০ হেক্টর, বুড়ি বাঁধ সেচ প্রকল্পের ১৭২০ হেক্টর জমি সহ ঠাকুরগাঁও জেলার সকল সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে ১১,৬৬৫ হেক্টর জমিতে সম্পূরক সেচ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে ১১,৬৬৫ হেক্টর জমিতে ৫৮,২৭৫ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হবে, যার মূল্য ১১৫ কোটি টাকা।

এতে আনুমানিক ৮১ কোটি টাকার জ্বালানি সাশ্রয় হবে। ঠাকুরগাঁও জেলা অফিসের আওতায় ৮৯টি কৃষক পানি ব্যবস্থাপনা দল রয়েছে। এতে ভূল্লী বাঁধ সেচ প্রকল্পের ১ হাজার জন, টাংগন বাঁধ ৬ হাজার জন ও বুড়ি বাঁধ সেচ প্রকল্পে ২ হাজার জন কৃষক সুবিধা পাচ্ছেন। বুড়ি বাঁধ সেচ প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগী কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, যে পরিমাণ বৃষ্টির প্রয়োজন সেটি পাওয়া যাচ্ছে না খরার কারনে। তবে সম্পূরক সেচের মাধ্যমে আমন জমিতে পানি দেয়ায় হতাশা দূর হয়েছে। ভালো ফসল হবে আশা করছি।

ভূল্লী বাঁধ সেচ প্রকল্পের সভাপতি আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের বাঁধের আওতায় এক হাজার কৃষক সম্পূরক সেচ পাচ্ছেন। আমরা আমন ধান নিয়ে অনেক বেশী দুশ্চিন্তার মধ্যে ছিলাম। আর এবারে যখন বৃষ্টি হওয়া দরকার তখন আমরা বৃষ্টি পায়নি। তবে সম্পূরক সেচের মাধ্যমে আমিসহ আমাদের এখানকার চাষিরা অনেক উপকৃত হচ্ছেন। আর কৃষিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন।জেলার টাংগন, বুড়ি ও ভুল্লি বাঁধ সেচ প্রকল্পের পূর্নবাসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান বলেন, আমন জমিতে সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে চাষিরা দারুণ ভাবে লাভবান হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি তাদের পাশে থাকার। সম্পূরক সেচের মাধ্যমে বড় অঙ্কের একটি জ্বালানি সাশ্রয় হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠাকুরগাঁও জেলা উপ-প্রধান সম্প্রসারণ অফিসার রফিউল বারী বলেন, আমরা সব সময় চাষিদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। খরা মোকাবেলায় আমরা আমন ধানের জমিতে সম্পূরক সেচের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা মনে করছি এর মাধ্যমে কৃষিতে স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।

 

 

Facebook Comments Box