ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক দুটি স্থান থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০৮:১১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক দুটি স্থান থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার
ঠাকুরগাঁওয় জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় বুধবার(৯ এপ্রিল)পৃথক স্থান থেকে গৃহবধূ আনু বেগম(৩৫) ও সালেহা খাতুন (৬৮) এর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।এ ঘটনায় আনু বেগমের স্বামী একরামুলকে আটক করা হয়েছে।
আনু বেগম উপজেলার বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের খেরবাড়ী গ্রামের মৃত বসির উদ্দীনের মেয়ে ও একই গ্রামের একরামুল হকের স্ত্রী। অন্যদিকে সালেহা খাতুন উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের কাচাহারিপাড়া এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা লেদু বকসের স্ত্রীর। ঘটনার দিন সকালে বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের খেরবাড়ী গ্রামের বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে বাদামক্ষেত থেকে আনু বেগমের মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আনুর মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় গৃহবধূর পরিবারের লোকজন স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ তুললে পুলিশ আনু বেগমের স্বামী একরামুল হককে আটক করে।
পড়ুন>>ভারত ট্রান্সশিপমেন্ট বাতিল করায় রাতেই বৈঠক করলো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
আনুর ভাই রেসেবুল অভিযোগ করে বলেন,‘২৫ বছর তাদের বিয়ে হয়েছে,কিন্তু শান্তিতে সংসার করতে পারেনি। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অত্যাচার ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। গত ৮ এপ্রিল মঙ্গলবার রাতভর নির্যাতন করে হত্যার পর বাড়ি থেকে অদূরে ফেলে এসেছে বোনের মরদেহ। এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
অপরদিকে কাচাহারিপাড়া এলাকায় শয়নকক্ষের দরজা ভেঙে গলায় ফাঁস দেওয়া সালেহা খাতুনের মরদেহ দেখেন পরিবারের সদস্যরা। পরে পুলিশে খবর দেন। বৃদ্ধার স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা লেদু বকস ও পরিবারের স্বজনেরা দাবি করেন, সালেহা খাতুনের মানসিক সমস্যা রয়েছে।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার জানান, গৃহবধূ আনুর মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর ভাইয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। অন্যদিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে পুলিশ জানান।

























