ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভূমিদস্যুদের হাত থেকে পার্ক রক্ষায় স্বচ্ছতা জরুরি জাপানের কাছে হারে কাবাডিতে পদকের স্বপ্ন প্রায় শেষ সীমান্ত ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদনের আহ্বান গাজায় অর্থ সহায়তা নিয়ে অপপ্রচারের কড়া জবাব দিল কাতার অনুমোদন ছাড়াই সিলেট-তামাবিল সড়কে কাটা হচ্ছে শত শত গাছ বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়াতে আগ্রহী ফ্রান্স জাতিসংঘে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুগোপযোগী হচ্ছে বিআইডব্লিউটিসির নৌযান চার্টার নীতিমালা, লক্ষ্য রাজস্ব বৃদ্ধি চীনে তাইওয়ানের শ্রমমন্ত্রীর বিরল সফর: রাজনৈতিক বরফ গলার ইঙ্গিত? জাতিসংঘে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সুযোগ নেই প্রধানমন্ত্রীর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গাজায় অর্থ সহায়তা নিয়ে অপপ্রচারের কড়া জবাব দিল কাতার

সৃষ্টি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

গাজায় অর্থ সহায়তা নিয়ে অপপ্রচারের কড়া জবাব দিল কাতার

গাজায় পাঠানো কাতার সরকারের অর্থ হামাস ও তাদের সামরিক শাখার কাছে পাচার বা অপব্যবহার হয়েছে বলে যে অভিযোগ দ্য নিউ ইয়র্কারে তোলা হয়েছে, তার কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে কাতার।

 

ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২০১৯ সালে হামাসের একজন নেতা কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছিলেন যে, ‘কাতারের অনুদানই হামাস আন্দোলনের প্রধান ধমনী’। এছাড়া ৭ অক্টোবরের হামলায় কাতারের অর্থ কীভাবে ভূমিকা রেখেছে, সে বিষয়েও সেখানে অভিযোগ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাসের যোদ্ধারা আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত সুড়ঙ্গ থেকে বডি ক্যামেরা ও ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আক্রমণ চালিয়েছিল, যা ওই অর্থ থেকেই সম্ভব হয়েছে।

এই অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় কাতার এক বিবৃতিতে এটিকে তাদের বিরুদ্ধে চলমান ‘বৃহত্তর অপতথ্য প্রচারণার’ একটি অংশ হিসেবে অভিহিত করেছে। দোহা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই অপপ্রচারের পেছনে কট্টর ডানপন্থী ইসরায়েলি মহলের সম্পৃক্ততা রয়েছে। কাতারের ভাষ্যমতে, গাজায় তাদের প্রতিটি সহায়তা প্রক্রিয়া ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়েছে। খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি এবং অন্যান্য মানবিক সহায়তার সামগ্রী গাজায় প্রবেশের আগে প্রতিটি পর্যায়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি ও অনুমতির প্রয়োজন ছিল।

পড়ুন>>জাতিসংঘে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সুযোগ নেই প্রধানমন্ত্রীর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কাতার আরও জানিয়েছে, তাদের এই সহায়তা কার্যক্রম গত কয়েক বছরে তিন ভিন্ন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন ধারাবাহিক ইসরায়েলি সরকারের সাথে সমন্বয় করে চালানো হয়েছে। দোহা জোর দিয়ে বলছে, যেসব তহবিল হামাসের কাছে পৌঁছে থাকতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে, তার দায়ভার কাতারের নয় বরং ইসরায়েলের, কারণ তারাই এই সহায়তার সরবরাহ তদারকি করেছে।

 

এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ যারা ছড়াচ্ছে, তারা আসলে এই অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা ও বিভেদ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে বলে কাতার অভিযোগ করেছে।

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গাজায় অর্থ সহায়তা নিয়ে অপপ্রচারের কড়া জবাব দিল কাতার

আপডেট সময় : ০২:১৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

গাজায় অর্থ সহায়তা নিয়ে অপপ্রচারের কড়া জবাব দিল কাতার

গাজায় পাঠানো কাতার সরকারের অর্থ হামাস ও তাদের সামরিক শাখার কাছে পাচার বা অপব্যবহার হয়েছে বলে যে অভিযোগ দ্য নিউ ইয়র্কারে তোলা হয়েছে, তার কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে কাতার।

 

ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২০১৯ সালে হামাসের একজন নেতা কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছিলেন যে, ‘কাতারের অনুদানই হামাস আন্দোলনের প্রধান ধমনী’। এছাড়া ৭ অক্টোবরের হামলায় কাতারের অর্থ কীভাবে ভূমিকা রেখেছে, সে বিষয়েও সেখানে অভিযোগ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাসের যোদ্ধারা আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত সুড়ঙ্গ থেকে বডি ক্যামেরা ও ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আক্রমণ চালিয়েছিল, যা ওই অর্থ থেকেই সম্ভব হয়েছে।

এই অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় কাতার এক বিবৃতিতে এটিকে তাদের বিরুদ্ধে চলমান ‘বৃহত্তর অপতথ্য প্রচারণার’ একটি অংশ হিসেবে অভিহিত করেছে। দোহা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই অপপ্রচারের পেছনে কট্টর ডানপন্থী ইসরায়েলি মহলের সম্পৃক্ততা রয়েছে। কাতারের ভাষ্যমতে, গাজায় তাদের প্রতিটি সহায়তা প্রক্রিয়া ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়েছে। খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি এবং অন্যান্য মানবিক সহায়তার সামগ্রী গাজায় প্রবেশের আগে প্রতিটি পর্যায়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি ও অনুমতির প্রয়োজন ছিল।

পড়ুন>>জাতিসংঘে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সুযোগ নেই প্রধানমন্ত্রীর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কাতার আরও জানিয়েছে, তাদের এই সহায়তা কার্যক্রম গত কয়েক বছরে তিন ভিন্ন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন ধারাবাহিক ইসরায়েলি সরকারের সাথে সমন্বয় করে চালানো হয়েছে। দোহা জোর দিয়ে বলছে, যেসব তহবিল হামাসের কাছে পৌঁছে থাকতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে, তার দায়ভার কাতারের নয় বরং ইসরায়েলের, কারণ তারাই এই সহায়তার সরবরাহ তদারকি করেছে।

 

এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ যারা ছড়াচ্ছে, তারা আসলে এই অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা ও বিভেদ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে বলে কাতার অভিযোগ করেছে।

 

Facebook Comments Box