কুড়িগ্রামে মাদরাসা সুপারের পরিবারের সবাই যখন চাকরিপ্রার্থী: নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৬:২৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪ ৩০৮ বার পড়া হয়েছে
কুড়িগ্রামে মাদরাসা সুপারের পরিবারের সবাই যখন চাকরিপ্রার্থী, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কুড়িগ্রামে মাদরাসা সুপার পরিবারের ৪জন সদস্য জনবল নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় চূড়ান্ত হয়েছেন মর্মে অভিযোগ করেছেন অন্যান্য চাকুরি প্রত্যাশী একাধিক ব্যক্তি। এ ঘটনায় নিয়োগ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন তারা।
জানা গেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নে অবস্থিত চর হলোখানা এমদাদিয়া আলিম মাদরাসায় সহকারি অধ্যক্ষ, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, কম্পিউটার অপারেটর, নিরাপত্তা কর্মী পদে গত ৪ই নভেম্বর ২২ইং তারিখে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ। ২২-১২-২৩-ইং তারিখে লিখিত পরিক্ষা গ্রহন করাহয়।
এতে চাকুরির জন্য আবেদন করেন ৪৩ জন, এবং পরিক্ষায় ৪২ জন প্রার্থী অংশ গ্রহণ করেন ।
অভিযোগ সূত্র জানা যায়, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ আবু বকর সিদ্দিক তার পরিবারের সদস্যদের চুড়ান্ত করেছেন।
পাঁচ পদের মধ্যে সহকারী অধ্যক্ষ পদে নিকট আত্মীয় মোঃ নজির হোসেন, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে অধ্যক্ষের জামাতা, আসাদুজ্জামান কোকিল, নিরাপত্তাকর্মী পদে অধ্যক্ষের ভাতিজা জাহাঙ্গীর আলম, কম্পিউটার অপারেটর পদে অধ্যক্ষের ভাতিজা সোহেল রানা এবং আয়া পদে চাচাতো ভাইয়ের পুত্রবধূ সেলিনা বেগমকে চূড়ান্ত করার পাঁয়তারা করছেন অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক।
হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে অভিযোগকরী আল-আমিন বলরন, অধ্যক্ষ নিজের আপন জামাতাকে নিয়োগ দেয়া প্রায় চূড়ান্ত করেছে। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা কয়েকজন জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করেছি। আশা করছি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ পাতানো নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ পরীক্ষা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করবেন এবং যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দিবেন।
নিরাপকর্মী পদে আবেদনকারী মো. ওবাইদুল হক বলেন, সকল পদে অধ্যক্ষ সাহেব তার পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ দেয়ার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে।
যা দেখে মনে হচ্ছে দেশে নিয়ম বলতে কিছু নেই। আমি অবিলম্বে উক্ত নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের জোর দাবি জানাচ্ছি।
অনিয়মের বিষয়ের জানতে চর হলোখানা এমদাদিয়া আলিম মাদরাসা অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিককে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং হলোখানা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম রেজা মুঠোফোনে বলেন, আমি ঢাকায় আছি এবিষয়ে কুড়িগ্রামে এসে আপনার সংগে বিস্তারিত কথা বলতে পারব।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার মোঃ জহুরুল হক বলেন, মাদ্রাসার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলো আমি দেখি না। মাদরাসা অধিদপ্তর সরাসরি হস্তক্ষেপ করে থাকেন।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, অভিযোগ আমার কাছে এসেছে তদন্ত করে যথাযথ কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করব।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ

























