অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে ছয়জন নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি
- আপডেট সময় : ০৩:১৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে ছয়জন নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে ছয়জন নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি।
সাভারের হেমায়েতপুর থেকে বগুড়াগামী একটি ট্রাকে উঠেন মোরশেদুল ইসলাম (৩৫)। তাঁর সঙ্গে আরও সাত-আটজন ব্যক্তি ওই ট্রাকে ছিল। পথে সহযাত্রীদের একজনের কাছ থেকে কলা-পাউরুটি খান মোরশেদসহ ট্রাকের ছয় যাত্রী। বুধবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে নওগাঁ শহরের বাইপাস সড়কের বরুনকান্দি এলাকায় রাস্তায় পাশে তাঁদের ছয়জনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁদেরকে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী ছয়জনের মধ্যে দুপুর ১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মোরশেদুলের জ্ঞান ফিরেছে। বাকি পাঁচজনের এখনও অচেতন অবস্থায় রয়েছে। মোরশেদুলের বাড়ি রংপুরে গঙ্গাচড়া উপজেলার কয়রাবাড়ি গ্রামে। তিনি সাভারের হেমায়েতপুরে গার্মেন্টস শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।
নওগাঁ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুনুর রশিদ বলেন, ‘সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শহরের বাইপাস সড়কের বরুনকান্দি এলাকায় রফিক ফিলিং স্টেশনের পাশ থেকে ছয়জনকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছয়জনের মধ্যে একজনের সাথে কথা বলতে পেরেছি।
তিনি অস্পষ্টভাবে জানান তিনি হেমায়েতপুর থেকে ট্রাকে উঠে বাড়ি ফিরছিলেন। এরপর তাদের কলা, পানি আর রুটি খাওয়ান তাঁদের সঙ্গে থাকা এক যাত্রী। এর বেশি তিনি কিছু বলতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, এরা সবাই অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছিলেন। এদের কারও কাছে মোবাইল ও টাকা পাওয়া যায়নি। অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে এরা সব খুইয়েছেন সম্ভবত।’
পড়ুন>> বেতন-ভাতা নিয়ে অনিশ্চয়তা; হতাশার ঈদ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো. আবু জার গাফফার জানান, ওই ছয়জনকে সকাল ৯টার দিকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে একজনের জ্ঞান ফিরেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁদেরকে খাবারের সঙ্গে চেতনাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছে। চেতনাশক খাওয়ার পর সাধারণত ১৮ থেকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে অচেতন ব্যক্তির জ্ঞান ফিরে আসে। চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিক ওই ছয় রোগীকে পর্যবেক্ষণ করছেন।
নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে পুলিশ। কারা তাঁদেরকে ফিলিং স্টেশনের কাছে ফেলে গেল তা পরীক্ষার জন্য ওই ফিলিং স্টেশনের সিসিটিভ ফুটেজ ও বাইপাস সড়কের আশপাশের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ চেক করা হচ্ছে।
Social Media
Communication
Bookmarking
Developer
Entertainment
Academic
Finance
Lifestyle
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ






















