ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

হিমালয়ের হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীতে কাবু ভূরুঙ্গামারীর মানুষ

রবিউল আলম লিটন
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫ ২২০ বার পড়া হয়েছে

হিমালয়ের হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীতে কাবু ভূরুঙ্গামারীর মানুষ

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

হিমালয়ের হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীতে কাবু ভূরুঙ্গামারীর মানুষ

 

 

হিমালয়ের হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীতে কাবু ভূরুঙ্গামারীর মানুষ। ঘনকুয়াশার সাথে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবনসহ গৃহপালিত পশুপাখিরাও। কনেকনে ঠান্ডায় শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্টে পড়েছে হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও স্বল্প আয়ের শ্রমজীবি মানুষ। গত দুইদিন থেকে দূপূর গড়িয়ে গেলেও দেখা মিলছেনা সূর্যের। দিনের বেলা সূর্যের উত্তাপ না থাকায় হিমেল বাতাসে কমছে তাপমাত্রা। কুয়াশার ঘনত্ব বেশি হওয়ার হেট লাইট জ্বালিয়ে যাতায়াত করছে যানবাহন।

 

বুধবার (০১ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রী সেলসিয়াস।গতকাল মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) জেলার তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

পড়ুন>> বিরলে গুণীজনদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

সারাদিন চলে হিমালয়ের পাদদেশ ছোঁয়া হিমেল হাওয়া। বাতাস সাথে নিয়ে সেই ঠান্ডা মানুষের শরীরে বিধঁছে সুইয়ের মত। ঠকঠক কাঁপছে মানুষ-পশুপাখি। কাহিল হয়ে পড়েছে গরীব, ছিন্নমুল, নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। রাতে শরীরে পাতলা কাপড় জড়িয়ে গুটিসুটি মেরে শুয়ে থাকলেও জীবিকার প্রয়োজনে দিনে ওই অবস্থায় কাজে যান তারা। অতিরিক্ত ঠান্ডায় কাঁপছে বয়স্করা।

 

উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের হাশেম আলী (৭৫),আকরাম আলী(৭৯) ও কান্দুরি বেওয়াসহ (৮০), অনেকেই জানান, ‘কি ঠান্ডা বাহে। ঠান্ডা বাতাসে হাত, পাও গড গড করি কাপে। বুড়া হাড্ডিত জ্বার খুবই নাগবার নাগছে। পাতলা কাপড়োত ঠান্ডায় যাবার নাগছে না। কেমন করি বাইচমো কনতো।

 

ঠেলা চালক ফজলু মিয়া জানান, ঠেলা নিয়ে রাস্তায় বেড় হইছি কিন্তু ভাড়া পাচ্ছি না। গত দুইদিন থেকে পরিবারের জন্য খাবার কিনতে কষ্ট হচ্ছে।

পড়ুন>> বিরলের মধ্য বল্লভপুর স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে পুরষ্কার ও শীতবস্ত্র বিতরণ

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোফাখখারুল ইসলাম বলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে দুই ধাপে ৯০০ কম্বল ও ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে ১ হাজার ৪০০ কম্বল ক্রয় করা হয়েছে।কম্বল বিতরন চলমান আছে।

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, বছরের জানুয়ারি মাস হচ্ছে সবচেয়ে শীতলতম মাস। তাই আগামীতে আরও তাপমাত্রা কমে শৈত্যপ্রবাহ এ জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হিমালয়ের হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীতে কাবু ভূরুঙ্গামারীর মানুষ

আপডেট সময় : ০৩:১৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

 

 

হিমালয়ের হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীতে কাবু ভূরুঙ্গামারীর মানুষ

 

 

হিমালয়ের হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীতে কাবু ভূরুঙ্গামারীর মানুষ। ঘনকুয়াশার সাথে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবনসহ গৃহপালিত পশুপাখিরাও। কনেকনে ঠান্ডায় শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্টে পড়েছে হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও স্বল্প আয়ের শ্রমজীবি মানুষ। গত দুইদিন থেকে দূপূর গড়িয়ে গেলেও দেখা মিলছেনা সূর্যের। দিনের বেলা সূর্যের উত্তাপ না থাকায় হিমেল বাতাসে কমছে তাপমাত্রা। কুয়াশার ঘনত্ব বেশি হওয়ার হেট লাইট জ্বালিয়ে যাতায়াত করছে যানবাহন।

 

বুধবার (০১ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রী সেলসিয়াস।গতকাল মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) জেলার তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

পড়ুন>> বিরলে গুণীজনদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

সারাদিন চলে হিমালয়ের পাদদেশ ছোঁয়া হিমেল হাওয়া। বাতাস সাথে নিয়ে সেই ঠান্ডা মানুষের শরীরে বিধঁছে সুইয়ের মত। ঠকঠক কাঁপছে মানুষ-পশুপাখি। কাহিল হয়ে পড়েছে গরীব, ছিন্নমুল, নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। রাতে শরীরে পাতলা কাপড় জড়িয়ে গুটিসুটি মেরে শুয়ে থাকলেও জীবিকার প্রয়োজনে দিনে ওই অবস্থায় কাজে যান তারা। অতিরিক্ত ঠান্ডায় কাঁপছে বয়স্করা।

 

উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের হাশেম আলী (৭৫),আকরাম আলী(৭৯) ও কান্দুরি বেওয়াসহ (৮০), অনেকেই জানান, ‘কি ঠান্ডা বাহে। ঠান্ডা বাতাসে হাত, পাও গড গড করি কাপে। বুড়া হাড্ডিত জ্বার খুবই নাগবার নাগছে। পাতলা কাপড়োত ঠান্ডায় যাবার নাগছে না। কেমন করি বাইচমো কনতো।

 

ঠেলা চালক ফজলু মিয়া জানান, ঠেলা নিয়ে রাস্তায় বেড় হইছি কিন্তু ভাড়া পাচ্ছি না। গত দুইদিন থেকে পরিবারের জন্য খাবার কিনতে কষ্ট হচ্ছে।

পড়ুন>> বিরলের মধ্য বল্লভপুর স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে পুরষ্কার ও শীতবস্ত্র বিতরণ

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোফাখখারুল ইসলাম বলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে দুই ধাপে ৯০০ কম্বল ও ৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত ৬ লক্ষ টাকা দিয়ে ১ হাজার ৪০০ কম্বল ক্রয় করা হয়েছে।কম্বল বিতরন চলমান আছে।

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, বছরের জানুয়ারি মাস হচ্ছে সবচেয়ে শীতলতম মাস। তাই আগামীতে আরও তাপমাত্রা কমে শৈত্যপ্রবাহ এ জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

 

Facebook Comments Box