ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বপ্ন পূরণ হলোনা প্রবাসী ইসলামের

সিঙ্গাপুর থেকে শফিকুল ইসলাম রিপন
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২০৬ বার পড়া হয়েছে

স্বপ্ন পূরণ হলোনা প্রবাসী ইসলামের

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বপ্ন পূরণ হলোনা প্রবাসী ইসলামের। ইসলাম বহুদিন ধরে প্রবাসে কাজ করে যাচ্ছে। দিন, মাস, বছর পার হয়ে ১৫ বছর তার জীবন থেকে হারিয়ে গেছে।

সে এসেছিলো ২৭-২৮ বছরের এক যুবক আর এখন সে ৪৩ বছরের এক পরিশ্রান্ত মানুষ। আগের মতো শরীরে তেমন জোর নেই। তবুও পরিবারের জন্য পরিশ্রম করেই যাচ্ছে।

বেশ কয়েক বছর হলো সে চোখে কম দেখতে শুরু করেছে। চোখ দিয়ে মাঝে মাঝেই এমনিতেই পানি ঝরে। তাই দেশে চিকিৎসা করিয়ে চোখে চশমা নিয়ে এসেছিলো ২০১৯ সালে।

এখানে এসে কাজের সময় চোখ থেকে পরে চশমাটা নষ্ট হয়ে যায়। আর সেই দিন থেকেই সে শুধু চিন্তা করে এ মাসে চশমাটা কিনে নিব। বেতন আসলেই হিসাবের খাতাটা নিয়ে বসতেই সব খরচ করার পরে ঐ চশমা কেনার টাকাটা আর হাতে থাকেনা।

তাই মনকে বলে সমস্যা নাই সামনে যে বোনাস পাব সেখান থেকেই কিনে নিব। এই আসায় সারা বছর পার করে যখন বোনাসের টাকা হাতে আসে তখনি কোন না কোন এক দরকারে সব টাকা পাঠিয়ে দিতে হয় পরিবারের কাছে।

এমন করেই ২০১৯-২০২৩ সালের মাঝেও তার কিনা হলো না চশমা। চোখে ঝাপসা দেলখেও মনের জোরে সে সব কাজ করে যাচ্ছে। হয়তো এবারও সে তার মনকে বুঝাবে ২০২৪ বোনাসের টাকা আসলেই কিনে নিব।

এমন করেই সপ্ন অপূর্ণ থেকে যাবে সারাজীবন পরিবারের কথা চিন্তা করে হয়তো ইসলামের কেনা হবেনা চশমা।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

স্বপ্ন পূরণ হলোনা প্রবাসী ইসলামের

আপডেট সময় : ১২:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

স্বপ্ন পূরণ হলোনা প্রবাসী ইসলামের। ইসলাম বহুদিন ধরে প্রবাসে কাজ করে যাচ্ছে। দিন, মাস, বছর পার হয়ে ১৫ বছর তার জীবন থেকে হারিয়ে গেছে।

সে এসেছিলো ২৭-২৮ বছরের এক যুবক আর এখন সে ৪৩ বছরের এক পরিশ্রান্ত মানুষ। আগের মতো শরীরে তেমন জোর নেই। তবুও পরিবারের জন্য পরিশ্রম করেই যাচ্ছে।

বেশ কয়েক বছর হলো সে চোখে কম দেখতে শুরু করেছে। চোখ দিয়ে মাঝে মাঝেই এমনিতেই পানি ঝরে। তাই দেশে চিকিৎসা করিয়ে চোখে চশমা নিয়ে এসেছিলো ২০১৯ সালে।

এখানে এসে কাজের সময় চোখ থেকে পরে চশমাটা নষ্ট হয়ে যায়। আর সেই দিন থেকেই সে শুধু চিন্তা করে এ মাসে চশমাটা কিনে নিব। বেতন আসলেই হিসাবের খাতাটা নিয়ে বসতেই সব খরচ করার পরে ঐ চশমা কেনার টাকাটা আর হাতে থাকেনা।

তাই মনকে বলে সমস্যা নাই সামনে যে বোনাস পাব সেখান থেকেই কিনে নিব। এই আসায় সারা বছর পার করে যখন বোনাসের টাকা হাতে আসে তখনি কোন না কোন এক দরকারে সব টাকা পাঠিয়ে দিতে হয় পরিবারের কাছে।

এমন করেই ২০১৯-২০২৩ সালের মাঝেও তার কিনা হলো না চশমা। চোখে ঝাপসা দেলখেও মনের জোরে সে সব কাজ করে যাচ্ছে। হয়তো এবারও সে তার মনকে বুঝাবে ২০২৪ বোনাসের টাকা আসলেই কিনে নিব।

এমন করেই সপ্ন অপূর্ণ থেকে যাবে সারাজীবন পরিবারের কথা চিন্তা করে হয়তো ইসলামের কেনা হবেনা চশমা।

Facebook Comments Box