ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এনসিসি ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ তাড়াশ উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিঃ পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন রাণীশংকৈলে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন দোহা–রিয়াদ রুটে কাতার এয়ারওয়েজের একাধিক ফ্লাইট বাতিল বিরল ও পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও মদ উদ্ধার রাণীশংকৈলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা, ৫৫ মণ্ডপের নিরাপত্তায় জোর মাদরাসার সাবেক উপাধ্যক্ষের পেনশন বণ্টন নিয়ে পরিবারের বিরোধ তাহিরপুরে থমকে গেছে ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগের বিচার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থা জনগণের কাছে ফেরাতে চায় সরকার: মঈন খান

সরকারি কর্মকর্তা শীর্ষ কোম্পানীর কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পরিচয়ে প্রতারণাকারী র‍্যাবের হাতে আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:০৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩ ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে

সরকারি কর্মকর্তা শীর্ষ কোম্পানীর কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পরিচয়ে প্রতারণাকারী র‍্যাবের হাতে আটক

(সৃষ্টি নিউজ) অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

র‍্যাব, সেনাবাহিনী, ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা, ইঞ্জিনিয়ার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা,পরিচয় প্রদানকারি র‍্যাব-৭ এর পাতা জালে আটক হয়েছেন।

আটককৃত ব‍্যক্তি রিয়াদ বিন সেলিম। তার প্রধান কাজই ছিলো সরকারি কর্মকর্তা কিংবা শীর্ষ কোন কোম্পানীর কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করা। তিনি পেশায় মূলত একজন গাড়ি চালক।

প্রতারক রিয়াদ ডিবি-পুলিশে কর্মরত একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত গাড়ির চালক। চাকরির সময় বিভিন্ন ব্যক্তির কাজ করে দেওয়ার উদ্দেশে অর্থগ্রহন শুরু করেন।

একপর্যায়ে এটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। তার চাকুরীদাতার সুবাধে বিভিন্ন থানা, সংস্থায় গমন করতো। উচ্চ পদস্থ বিভিন্ন ব‍্যক্তির পরিচয় পত্র বহন করায় প্রতারণামূলক কথা বলা ও প্রভাব দেখানো সহজ হয়ে যায়।

 

 

তিনি প্রাথমিকভাবে ডিবি অফিসার পরিচয়ে প্রতারণা শুরু করেন। জীবনে সেনাবাহিনীতে যোগদানের শখ ছিল তার। সেই শখ পূরণ ও অর্থ হাতিয়ে নেয়ার জন‍্য ২০১৯ সালে তিনি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পদবীর ভুয়া ১টি পরিচয়পত্র প্রস্তুত করেন।

সেই পরিচয়পত্র দিয়ে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের আওতাধীন বিভিন্ন ঠিকাদার এর নিকট হতে আর্থিক সুবিধা লাভের চেষ্টা করে। একইসাথে তিনি কখনো ইঞ্জিনিয়ার, কখনো ইষ্ট-ডেল্টা বিশ্ববিদ্যালয় (চট্টগ্রাম) এর লেকচার। কখনো তিনি বনে যান এস আলম গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তা। আবার কখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা।

 

তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সেজে বিভিন্ন লোকাল সাংবাদিকদের মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের সুবিধা দেওয়ার কথা বলে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করেন।

 

এই সকল পরিচয় একাধিকবার ব্যবহার করে ফেলায় সবশেষে তার শখ জাগে র‌্যাবের কর্মকর্তা হওয়ার। এই উদ্দেশ্যে সে তার মোবাইল নাম্বারের সাথে র‌্যাব ফোর্সেস এর মনোগ্রাম যুক্ত করে এবং ০১৭৭৭ (র‌্যাব এর সরকারি নাম্বারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ), এই সিরিজের একটি মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে।

যেন হঠাৎ করে দেখলে র‌্যাব এর সরকারী মোবাইল নাম্বার মনে হয়। নিজেই হোয়াটসঅ্যাপ ও কন্টাক্টে AD Operations, RAB H/Q লিখে তা সেইভ করেন। পরবর্তীতে উক্ত নাম্বার ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ও মামলার কথা বলে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করেন।

সর্বশেষ তিনি চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধি ব্যক্তিবর্গকে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জারে চট্টগ্রামের র‌্যাব কর্মকর্তার পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা করে।

সর্বশেষ তিনি ভুক্তভোগী জনাব আবু সুফিয়ানকে হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদেবার্তা প্রেরণ করে মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানার হুমকি প্রদান করেন।

ভুক্তভোগী আবু সুফিয়ান র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম র‌্যাব ফোর্সেস এর ভাবমূর্তির বিষয়টি বিবেচনা করে অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আমলে নেয়।

উক্ত প্রতারককে আটকের জন্য ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের মাধ্যমে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানতে পারে যে, উক্ত প্রতারক চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানাধীন হাজীর পোলস্থ এলাকার একটি বসতবাড়ীর ২য় তলা বিল্ডিং এ অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১০ মার্চ ২০২৩ খ্রি. তারিখ আনুমানিক ০০৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল ওই স্থানে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোঃ রিয়াদ বীন সেলিম (২৪) কে আটক করেন।

আটককৃত রিয়াদ চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও থানার ৪নং ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম এ/পি- হাজীরপোল এর পটিয়া পৌরসভার পাইকপাড়ার সেলিম উদ্দীনের পুত্র।

তাকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার আলমতসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সামনে তার ব্যবহার্য জিনিসপত্র পরীক্ষা করলে সেনাবাহিনীর ক্যামোফ্লাজ রঙ এর একটি ব্যাগের মধ্যে থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটও উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও অন্যান্য ব্যাগ হতে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত নকল পরিচয়পত্রসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়।

এছাড়াও তার আচরণ ও মোবাইল পরীক্ষা করে দেখা যায় তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে র‌্যাব কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে পন্য অর্ডার করেন। তা বিনামুল্যে পাওয়ার চেষ্টা করেন। সে বিবাহিত ও সন্তানের জনক হওয়ার পরও ১ম স্ত্রীর অগোচরে ২য় বিয়ে করেন।

তিনি চারিত্রিকভাবে অস্থিতিশীল। তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানায় নারী-নির্যাতনের মামলা রয়েছে।

র‍্যাব -৭ গ্রেফতারকৃত আসামীর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন‍্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেন।

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সরকারি কর্মকর্তা শীর্ষ কোম্পানীর কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পরিচয়ে প্রতারণাকারী র‍্যাবের হাতে আটক

আপডেট সময় : ০৫:০৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মার্চ ২০২৩

র‍্যাব, সেনাবাহিনী, ডিবি পুলিশ কর্মকর্তা, ইঞ্জিনিয়ার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা,পরিচয় প্রদানকারি র‍্যাব-৭ এর পাতা জালে আটক হয়েছেন।

আটককৃত ব‍্যক্তি রিয়াদ বিন সেলিম। তার প্রধান কাজই ছিলো সরকারি কর্মকর্তা কিংবা শীর্ষ কোন কোম্পানীর কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করা। তিনি পেশায় মূলত একজন গাড়ি চালক।

প্রতারক রিয়াদ ডিবি-পুলিশে কর্মরত একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত গাড়ির চালক। চাকরির সময় বিভিন্ন ব্যক্তির কাজ করে দেওয়ার উদ্দেশে অর্থগ্রহন শুরু করেন।

একপর্যায়ে এটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। তার চাকুরীদাতার সুবাধে বিভিন্ন থানা, সংস্থায় গমন করতো। উচ্চ পদস্থ বিভিন্ন ব‍্যক্তির পরিচয় পত্র বহন করায় প্রতারণামূলক কথা বলা ও প্রভাব দেখানো সহজ হয়ে যায়।

 

 

তিনি প্রাথমিকভাবে ডিবি অফিসার পরিচয়ে প্রতারণা শুরু করেন। জীবনে সেনাবাহিনীতে যোগদানের শখ ছিল তার। সেই শখ পূরণ ও অর্থ হাতিয়ে নেয়ার জন‍্য ২০১৯ সালে তিনি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পদবীর ভুয়া ১টি পরিচয়পত্র প্রস্তুত করেন।

সেই পরিচয়পত্র দিয়ে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের আওতাধীন বিভিন্ন ঠিকাদার এর নিকট হতে আর্থিক সুবিধা লাভের চেষ্টা করে। একইসাথে তিনি কখনো ইঞ্জিনিয়ার, কখনো ইষ্ট-ডেল্টা বিশ্ববিদ্যালয় (চট্টগ্রাম) এর লেকচার। কখনো তিনি বনে যান এস আলম গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তা। আবার কখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা।

 

তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা সেজে বিভিন্ন লোকাল সাংবাদিকদের মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের সুবিধা দেওয়ার কথা বলে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করেন।

 

এই সকল পরিচয় একাধিকবার ব্যবহার করে ফেলায় সবশেষে তার শখ জাগে র‌্যাবের কর্মকর্তা হওয়ার। এই উদ্দেশ্যে সে তার মোবাইল নাম্বারের সাথে র‌্যাব ফোর্সেস এর মনোগ্রাম যুক্ত করে এবং ০১৭৭৭ (র‌্যাব এর সরকারি নাম্বারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ), এই সিরিজের একটি মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে।

যেন হঠাৎ করে দেখলে র‌্যাব এর সরকারী মোবাইল নাম্বার মনে হয়। নিজেই হোয়াটসঅ্যাপ ও কন্টাক্টে AD Operations, RAB H/Q লিখে তা সেইভ করেন। পরবর্তীতে উক্ত নাম্বার ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ও মামলার কথা বলে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করেন।

সর্বশেষ তিনি চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধি ব্যক্তিবর্গকে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জারে চট্টগ্রামের র‌্যাব কর্মকর্তার পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা করে।

সর্বশেষ তিনি ভুক্তভোগী জনাব আবু সুফিয়ানকে হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদেবার্তা প্রেরণ করে মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানার হুমকি প্রদান করেন।

ভুক্তভোগী আবু সুফিয়ান র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম র‌্যাব ফোর্সেস এর ভাবমূর্তির বিষয়টি বিবেচনা করে অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আমলে নেয়।

উক্ত প্রতারককে আটকের জন্য ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের মাধ্যমে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানতে পারে যে, উক্ত প্রতারক চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানাধীন হাজীর পোলস্থ এলাকার একটি বসতবাড়ীর ২য় তলা বিল্ডিং এ অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ১০ মার্চ ২০২৩ খ্রি. তারিখ আনুমানিক ০০৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল ওই স্থানে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোঃ রিয়াদ বীন সেলিম (২৪) কে আটক করেন।

আটককৃত রিয়াদ চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও থানার ৪নং ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম এ/পি- হাজীরপোল এর পটিয়া পৌরসভার পাইকপাড়ার সেলিম উদ্দীনের পুত্র।

তাকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার আলমতসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সামনে তার ব্যবহার্য জিনিসপত্র পরীক্ষা করলে সেনাবাহিনীর ক্যামোফ্লাজ রঙ এর একটি ব্যাগের মধ্যে থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটও উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও অন্যান্য ব্যাগ হতে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত নকল পরিচয়পত্রসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়।

এছাড়াও তার আচরণ ও মোবাইল পরীক্ষা করে দেখা যায় তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে র‌্যাব কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে পন্য অর্ডার করেন। তা বিনামুল্যে পাওয়ার চেষ্টা করেন। সে বিবাহিত ও সন্তানের জনক হওয়ার পরও ১ম স্ত্রীর অগোচরে ২য় বিয়ে করেন।

তিনি চারিত্রিকভাবে অস্থিতিশীল। তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানায় নারী-নির্যাতনের মামলা রয়েছে।

র‍্যাব -৭ গ্রেফতারকৃত আসামীর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন‍্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেন।

Facebook Comments Box