দৈনিক আমাদের প্রতিদিন, দৈনিক ফুলতলা প্রতিদিনসহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকা এবং অনলাইন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর স্বামী নেই, শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ২ সন্তানসহ অসুস্থ শাশুড়িকে নিয়ে জীবনসংগ্রামের সাথে যুদ্ধ করা সেই হাসিনা বেগমের পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তম্বী।
রোববার ৩০ আগস্ট দুপুরে উপজেলার ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ ঝাক্কুয়াপাড়া গ্রামে হাসিনা বাড়িতে গিয়ে তার দুই প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য দুটি হুইলচেয়ার, শুকনো খাবারসহ সমাজসেবা অধিদপ্তরের দফতরের দেয়া উপহারসামগ্রী তুলে দেন ইউএন ও শায়লা সাঈদ তম্বী।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের দেয়া উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল বড় কম্বল ২ পিস, ছোট কম্বল ২ পিস, গোসলের সাবান ২ পিস, কাপড়কাচা সাবান ২ পিস, টুথপেষ্ট ২ পিস, টুথব্রাশ ২পিস, নেটের মশারী ৪ পিস, টর্চ লাইট ব্যাটারীসহ ১পিস এবং ওয়াটার প্রুফ কেরি ব্যাগ ১টি।
দীর্ঘ চার বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন হাসিনা বেগম। মানুষের বাড়িতে, কৃষিজমিতে দিনমজুরি করে সন্তান ও অসুস্থ শাশুড়িকে নিয়ে সংসার চালান তিনি। ২০২৩ সালে বিধবা ভাতার জন্য আবেদন করলেও এখনো তা চালু হয়নি। তবে দুই প্রতিবন্ধী সন্তান প্রতিবন্ধী ভাতা চলমান রয়েছে। তবে তার সন্তানেরা অসুস্থ হলে তিনি ওষুধের টাকাও জোগাড় করতে পারেন না তবুও হাল ছেড়ে দেননি এভাবেই জীবন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।
হাসিনা বেগম বাড়ি পরিদর্শনে এসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, সংবাদ মাধ্যমে হাসিনা বেগমের সংগ্রামের কথা জানতে পেরে তার সন্তানদের জন্য হুইলচেয়ার, কিছু শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে এসেছি। এবং ভবিষ্যতে তাদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি হাসিনা বেগমের সংগ্রামী জীবনের কথা বিভিন্ন পত্র পত্রিকাসহ বিভিন্ন চ্যানেলে তুলে ধরার জন্য গনমাধ্যম কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান।
Leave a Reply