লিবিয়া থেকে ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন
- আপডেট সময় : ০৮:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
লিবিয়া থেকে ১৭৪ বাংলাদেশির মানবিক প্রত্যাবাসন
লিবিয়া থেকে মানবিক সহায়তায় ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) যৌথ প্রচেষ্টায় এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। বুরাক এয়ারের ফ্লাইট নম্বর UZ222-এ করে তাদের ২৭ অক্টোবর সকাল ৭টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রত্যাবাসনকৃতদের মধ্যে ৩৬ জন সমুদ্রপথে আটকের পর ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন।
এছাড়া ১৩৮ জন ত্রিপলীর ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখে পড়ে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার পথ বেছে নিয়েছেন। ফিরে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ৪১ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ। মঙ্গলবার সকাল ৭টায় প্রত্যাবাসিত ব্যক্তিরা বুরাক এয়ারের ফ্লাইট নম্বর UZ222 যোগে ২৭ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বাকি ১৩৮ জন ত্রিপলীর ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদসংকুল পরিস্থিতি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরছেন।
পড়ুন>>ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে এমএসসি ইন মেডিকেল ফিজিক্স চালুর প্রশংসা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শেষে লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ দূতাবাস প্রাঙ্গণে ফিরে আসা নাগরিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর ও প্রথম সচিব উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত পথে বিদেশ যাত্রার ভয়াবহতা ও ঝুঁকিগুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অবৈধভাবে বিদেশ পাড়ি দিতে গিয়ে মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আর্থিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়, যা পরিবার ও সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
দেশে নতুন জীবন শুরুর আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ভবিষ্যতে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে সবাইকে অবশ্যই বৈধ পথ অনুসরণ করতে হবে। সেই সঙ্গে অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান তিনি।
পাশাপাশি মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রকে শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সহযোগিতার অনুরোধ করেন। লিবিয়ায় আটক কিংবা স্বেচ্ছায় ফিরতে আগ্রহী বাংলাদেশিদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে দূতাবাস সবসময় তৎপর রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২৮ অক্টোবর মিসরাতা শহর থেকে আরও ১৭৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরাতে দূতাবাস কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
























