ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ভূরুঙ্গামারীতে হাড় কাঁপানো শীতেও থেমে নেই বোরো ধান রোপন

সৃষ্টি কৃষি ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪ ৩২০ বার পড়া হয়েছে

ভূরুঙ্গামারীতে হাড় কাঁপানো শীতেও থেমে নেই বোরো ধান রোপন

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে হাড় কাঁপানো শীতেও থেমে নেই বোরো ধান রোপন

হাড় কাঁপানো শীতেও বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর কৃষকেরা। উপজেলায় মাঘ মাসের শুরুতেই ঘন কুয়াশা, হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীত উপেক্ষা করে ইরি, বোরো ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার কৃষকরা। আজ কুড়িগ্রামের তাপমাত্রা  ৯.৮ °C। এই তীব্র ঠান্ডা উপেক্ষা করে কাঁদামাটিতে কাজ করছে চাষিরা।

স্থানীয় কৃষাণ-কৃষাণিরা নিজেদের খাবার জোগার করতে ধান চাষের জন্য মাঠে নেমেছেন। কেউ চারা তুলছেন, কেউ জমি তৈরির কাজ করছেন আবার কেউবা ক্ষেতে পানি সেচের জন্য শ্যালো কিংবা মোটর দিয়ে সেচ দিচ্ছেন।
এনিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকাসহ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে গিয়ে এমনটাই দেখা গেছে।

উপজেলার পাইকেরছড়া , তিলাই, আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ধুম পড়েছে বোরো ধানের চারা রোপনের। স্থানীয় জাতের বীজের চেয়ে হাইব্রীড এবং উচ্চ ফলনশীল উফসী ধান করছেন কৃষকরা।

পাইকের ইউনিয়নের কৃষক আলম হোসেন বলেন, আগাম বন্যা হওয়ার আশঙ্কায় এবার আগে-ভাগেই ধানের ক্ষেত তৈরী করে চারা রোপণ শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত সার, কীটনাশক ও ডিজেলের সমস্যায় পড়তে হয়নি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ আমাদের এলাকায় বোরো আবাদ ভালো করার জন্য সব সময়ই পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। গত আমন ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় খুব আগ্রহ নিয়ে বোরো আবাদ শুরু করেছি। আশা করছি এবারেও বাম্পার ফলন হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে ১৬ হাজার ৪৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ‍্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ (সোমবার) পর্যন্ত ১ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে ধানের চারা লাগানো হয়েছে। মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা বাড়বে তখন সব স্বাভাবিক হবে এবং বোরো চাষের লক‍্যমাত্রা পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত জানান, আপাতত কোন ফসলের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। স্থায়ী ভাবে যদি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে। যাতে কোন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি না হয় জন‍্য আমরা কৃষককে নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি

 

Facebook Comments Box

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভূরুঙ্গামারীতে হাড় কাঁপানো শীতেও থেমে নেই বোরো ধান রোপন

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে হাড় কাঁপানো শীতেও থেমে নেই বোরো ধান রোপন

হাড় কাঁপানো শীতেও বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর কৃষকেরা। উপজেলায় মাঘ মাসের শুরুতেই ঘন কুয়াশা, হিমেল হাওয়া ও কনকনে শীত উপেক্ষা করে ইরি, বোরো ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলার কৃষকরা। আজ কুড়িগ্রামের তাপমাত্রা  ৯.৮ °C। এই তীব্র ঠান্ডা উপেক্ষা করে কাঁদামাটিতে কাজ করছে চাষিরা।

স্থানীয় কৃষাণ-কৃষাণিরা নিজেদের খাবার জোগার করতে ধান চাষের জন্য মাঠে নেমেছেন। কেউ চারা তুলছেন, কেউ জমি তৈরির কাজ করছেন আবার কেউবা ক্ষেতে পানি সেচের জন্য শ্যালো কিংবা মোটর দিয়ে সেচ দিচ্ছেন।
এনিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকাসহ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে গিয়ে এমনটাই দেখা গেছে।

উপজেলার পাইকেরছড়া , তিলাই, আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ধুম পড়েছে বোরো ধানের চারা রোপনের। স্থানীয় জাতের বীজের চেয়ে হাইব্রীড এবং উচ্চ ফলনশীল উফসী ধান করছেন কৃষকরা।

পাইকের ইউনিয়নের কৃষক আলম হোসেন বলেন, আগাম বন্যা হওয়ার আশঙ্কায় এবার আগে-ভাগেই ধানের ক্ষেত তৈরী করে চারা রোপণ শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত সার, কীটনাশক ও ডিজেলের সমস্যায় পড়তে হয়নি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ আমাদের এলাকায় বোরো আবাদ ভালো করার জন্য সব সময়ই পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। গত আমন ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় খুব আগ্রহ নিয়ে বোরো আবাদ শুরু করেছি। আশা করছি এবারেও বাম্পার ফলন হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে ১৬ হাজার ৪৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ‍্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ (সোমবার) পর্যন্ত ১ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে ধানের চারা লাগানো হয়েছে। মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা বাড়বে তখন সব স্বাভাবিক হবে এবং বোরো চাষের লক‍্যমাত্রা পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত জানান, আপাতত কোন ফসলের ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। স্থায়ী ভাবে যদি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে। যাতে কোন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি না হয় জন‍্য আমরা কৃষককে নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি

 

Facebook Comments Box